[1] হে সদাপ্রভু, বংশের পর বংশ তুমি আমার বাসস্থান হয়ে এসেছ।
[2] পর্বতগণের জন্মের পূর্বে এমনকি, তুমি পৃথিবী ও জগতকে জন্ম দেওয়ার পূর্বে, অনাদিকাল থেকে অনন্তকাল পর্যন্ত, তুমিই ঈশ্বর।
[3] তুমি লোকেদের ধুলোয় ফিরিয়ে দিয়ে থাকো, এই বলে, “ধুলোয় ফিরে এসো, হে মরণশীল তোমরা।”
[4] তোমার দৃষ্টিতে এক হাজার বছর একদিনের সমান যা এইমাত্র কেটেছে, অথবা রাতের প্রহরের মতো।
[5] তুমি মানুষকে মৃত্যুর ঘুমে নিশ্চিহ্ন করো— তারা সকালের নতুন ঘাসের মতো:
[6] সকালে তারা নতুন গজিয়ে ওঠে, কিন্তু সন্ধ্যায় তা শুকিয়ে যায় আর বিবর্ণ হয়।
[7] তোমার রাগে আমরা ক্ষয়প্রাপ্ত হই আর তোমার ক্রোধে আমরা আতঙ্কিত হই।
[8] তুমি আমাদের অন্যায় সকল আমাদের সামনে রেখেছ, আমাদের গোপন পাপসকল তোমার সান্নিধ্যের আলোতে রেখেছ।
[9] তোমার ক্রোধে আমাদের সব দিন কেটে যায়; বিলাপে আমরা আমাদের বছর কাটাই।
[10] আমাদের আয়ু হয়তো সত্তর বছর পর্যন্ত হবে, অথবা আশি, যদি আমাদের ক্ষমতা স্থায়ী হয়; তবুও সবচেয়ে ভালো দিনও কষ্টে আর দুঃখে পূর্ণ, কেননা তারা দ্রুত অদৃশ্য হয় আর আমরা উড়ে যাই।
[11] তোমার রাগের পরাক্রম কে বুঝতে পারে? তোমার ক্রোধ ভয়াবহ যেমন তুমি সম্ভ্রমের যোগ্য।
[12] আমাদের দিন গুনতে আমাদের শিক্ষা দাও, যেন আমরা প্রজ্ঞার হৃদয় লাভ করি।
[13] হে সদাপ্রভু, ফিরে এসো! আর কত কাল দেরি করবে? তোমার সেবাকারীদের প্রতি করুণা করো।
[14] সকালে তোমার অবিচল প্রেম দিয়ে আমাদের তৃপ্ত করো, যেন আমরা আনন্দের গান করতে পারি আর জীবনের সব দিন খুশি হতে পারি।
[15] যতদিন তুমি আমাদের পীড়িত করেছিলে যত বছর আমরা বিপদ দেখেছি, তেমনই আমাদের আনন্দিত করো।
[16] আমরা, তোমার দাস, যেন তোমার কার্যাবলি আবার দেখতে পাই, যেন আমাদের ছেলেমেয়েরা তোমার মহিমা দেখতে পায়।
[17] সদাপ্রভু আমাদের ঈশ্বরের অনুগ্রহ আমাদের উপরে বিরাজ করুক; আর তুমি আমাদের জন্য আমাদের হাতের প্রচেষ্টা স্থায়ী করো, হ্যাঁ! আমাদের হাতের প্রচেষ্টা স্থায়ী করো।