[1] সদাপ্রভু আমার জ্যোতি ও আমার পরিত্রাণ, তাই আমি কেন ভীত হব? সদাপ্রভু আমার জীবনের আশ্রয় দুর্গ, তাই আমি কেন কম্পিত হব?
[2] আমায় গ্রাস করতে যখন দুষ্টরা আমার দিকে এগিয়ে আসে, আমার শত্রুরা ও আমার বিপক্ষরা হোঁচট খাবে ও পতিত হবে।
[3] যদিও এক সৈন্যদল আমাকে ঘিরে ধরে, আমার হৃদয় ভয় করবে না; আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষিত হলেও, আমি আত্মবিশ্বাসী রইব।
[4] সদাপ্রভুর কাছে আমার একটি নিবেদন, যা আমি একান্তভাবে চাই, সদাপ্রভুর সৌন্দর্য দেখবার জন্য তাঁর মন্দিরে তাঁকে অন্বেষণের উদ্দেশে, যেন আমি জীবনের সব দিন সদাপ্রভুর গৃহে বাস করি।
[5] কারণ সংকটের দিনে তিনি আপন আবাসে আমায় সুরক্ষিত রাখবেন; তাঁর পবিত্র তাঁবুর আশ্রয়ে আমাকে লুকিয়ে রাখবেন, ও উঁচু পাথরের উপরে আমাকে স্থাপন করবেন।
[6] তখন যেসব শত্রুরা আমাকে ঘিরে রয়েছে আমার মস্তক তাদের ঊর্ধ্বে উন্নত হবে; তাঁর পবিত্র তাঁবুতে আমি জয়ধ্বনির সাথে বলি নিবেদন করব; সদাপ্রভুর উদ্দেশে আমি গান করব ও সঙ্গীত রচনা করব।
[7] আমার কণ্ঠস্বর শ্রবণ করো, হে সদাপ্রভু, যখন আমি প্রার্থনা করি; আমার প্রতি করুণা করো ও আমায় উত্তর দাও।
[8] তোমাকে নিয়ে আমার অন্তর বলে “তাঁর মুখ অন্বেষণ করো!” তোমার মুখ, হে সদাপ্রভু, আমি অন্বেষণ করি।
[9] আমার সম্মুখ থেকে তোমার মুখ লুকিয়ে রেখো না, ক্রোধে তোমার দাসকে ফিরিয়ে দিয়ো না; তুমিই আমার সহায়। আমায় প্রত্যাখ্যান কোরো না বা পরিত্যাগ কোরো না, ঈশ্বর আমার পরিত্রাতা।
[10] যদিও আমার বাবা-মা আমায় পরিত্যাগ করে, সদাপ্রভু আমায় গ্রহণ করবেন।
[11] হে সদাপ্রভু, তোমার উপায় আমাকে শেখাও; আমার শত্রুদের কারণে, আমাকে সোজা পথে চালাও।
[12] আমার শত্রুদের ইচ্ছায় আমাকে সমর্পণ কোরো না, দেখো, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষীরা মাথা তুলছে, নিশ্বাসে তারা আমাকে হিংসার ভয় দেখাচ্ছে।
[13] আমি এই বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী, আমি জীবিতদের দেশে সদাপ্রভুর মঙ্গল কার্য দেখব।
[14] সদাপ্রভুর অপেক্ষায় থাকো; শক্ত হও ও সাহস করো এবং সদাপ্রভুর অপেক্ষায় থাকো।