Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 2:45

[1] আকাশমণ্ডল ঈশ্বরের মহিমা বর্ণনা করে; আকাশ তাঁর হাতের কাজ ঘোষণা করে।

[2] তারা দিনের পর দিন বার্তা প্রকাশ করে; তারা রাতের পর রাত জ্ঞান ব্যক্ত করে।

[3] তাদের কোনও বক্তব্য নেই, তারা কোনও শব্দ ব্যবহার করে না; তাদের থেকে কোনও শব্দ শোনা যায় না।

[4] অথচ তাদের কণ্ঠস্বর সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে, তাদের বাক্য পৃথিবীর প্রান্তসীমায় পৌঁছায়। ঈশ্বর আকাশমণ্ডলে সূর্যের জন্য এক তাঁবু খাটিয়েছে।

[5] সূর্য্য জ্যোতির্ময় বরের মতো বাসরঘর থেকে বেরিয়ে আসে; বিজয়ী বীরের মতো আনন্দে ছুটে চলে আপন পথে।

[6] আকাশের এক প্রান্তে তার উদয় হয় এবং অপর প্রান্তে পৌঁছে আবর্তন শেষ করে; তার উত্তাপ থেকে কোনও কিছুই বঞ্চিত হয় না।

[7] সদাপ্রভুর বিধিবিধান সিদ্ধ, যা আমার প্রাণ সঞ্জীবিত করে; সদাপ্রভুর অনুশাসন নির্ভরযোগ্য, তা অল্পবুদ্ধিকেও জ্ঞানবান করে।

[8] সদাপ্রভুর সকল বিধি সত্য, হৃদয়কে আনন্দিত করে। সদাপ্রভুর আজ্ঞাসকল সুস্পষ্ট, চোখে আলো দান করে।

[9] সদাপ্রভুর ভয় নির্মল, চিরকাল স্থায়ী। সদাপ্রভুর আদেশ দৃঢ়, এবং সবটাই ন্যায্য।

[10] তা সোনার চেয়েও বেশি, এমনকি বিশুদ্ধ সোনার চেয়েও বেশি আকাঙ্খিত। এবং মধুর চেয়েও বেশি, এমনকি মৌচাক থেকে ঝরে পড়া মধুর চেয়েও বেশি মিষ্টি।

[11] সেগুলি তোমার দাসের প্রতি সতর্কবাণী; যারা মান্য করে, তারা মহা পুরস্কার পায়।

[12] কিন্তু কে তার নিজের ত্রুটি উপলব্ধি করতে পারে? আমার গোপন অপরাধ ক্ষমা করো।

[13] তোমার দাসকে ইচ্ছাকৃত পাপ থেকে দূরে রাখো; তা যেন আমার উপর শাসন না করে। তখন আমি নির্দোষ হব, মহা অপরাধ থেকে নির্দোষ হব।

[14] হে সদাপ্রভু, আমার শৈল ও আমার মুক্তিদাতা আমার মুখের এই বাক্যসকল ও আমার মনের ধ্যান, তোমার দৃষ্টিতে মনোরম হোক।

গীত — Chapters