[1] ধন্য সেই ব্যক্তি যার অপরাধ ক্ষমা করা হয়েছে, যার পাপ আচ্ছাদিত হয়েছে।
[2] ধন্য সেই ব্যক্তি যার পাপ সদাপ্রভু তার বিরুদ্ধে গণ্য করেন না এবং যার অন্তর ছলনাবিহীন।
[3] যখন আমি চুপ করেছিলাম, আমার হাড়গোড় ক্ষয় হয়েছিল এবং সারাদিন আমি আর্তনাদ করেছিলাম।
[4] কারণ দিনে এবং রাতে তোমার শাসনের হাত আমার উপর দুর্বহ ছিল; যেমন গ্রীষ্মের উত্তাপে জল শুকিয়ে যায় তেমনই আমার শক্তি নিঃশেষ হয়েছিল।
[5] তখন আমি তোমার কাছে আমার পাপস্বীকার করলাম আর আমার কোনও অপরাধ আমি গোপন করলাম না। আমি বললাম, “সদাপ্রভুর কাছে আমার সকল অপরাধ আমি স্বীকার করব।” আর তুমি আমার পাপের দোষ ক্ষমা করলে।
[6] তাই সময় থাকতে সকল বিশ্বস্ত লোকেরা তোমার কাছে প্রার্থনা করুক; তারা যেন বিচারের বন্যার জলে ডুবে না যায়।
[7] তুমি আমার আশ্রয়স্থল; তুমি আমাকে বিপদ থেকে সুরক্ষিত করবে এবং মুক্তির গানে আমাকে চতুর্দিকে ঘিরে রাখবে।
[8] সদাপ্রভু বলেন, “আমি তোমাকে উপদেশ দেব এবং উপযুক্ত পথে চলতে তোমাকে শিক্ষা দেবো; তোমার উপর প্রেমময় দৃষ্টি রেখে আমি তোমাকে পরামর্শ দেবো।
[9] তোমরা ঘোড়া বা খচ্চরের মতো হোয়ো না, যাদের বোধশক্তি নেই কিন্তু যাদের ব্লগা-লাগাম দিয়ে বশে রাখতে হয়, নইলে তারা তোমার কাছে আসে না।”
[10] দুষ্টের অনেক দুর্দশা হয়, কিন্তু সদাপ্রভুর অবিচল প্রেম সেই ব্যক্তিকে ঘিরে রাখে যে তাঁর উপর নির্ভর করে।
[11] হে ধার্মিক, সদাপ্রভুতে আনন্দ করো ও উল্লাস করো; তোমরা যারা অন্তরে ন্যায়পরায়ণ, আনন্দধ্বনি করো।