[1] যখন আমি রাজার কাছে শ্লোক পাঠ করি সুন্দর বাক্য আমার হৃদয়কে আলোড়িত করে; আমার জিভ সুদক্ষ লেখকের কলমের মতো।
[2] তুমি পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে সুদর্শন, মঙ্গলময় বাক্য তোমার মুখ থেকে নির্গত হয়, কেননা ঈশ্বর নিজেই তোমাকে চিরকালের জন্য আশীর্বাদ করেছেন।
[3] হে বলশালী যোদ্ধা, তোমার তরোয়াল বেঁধে নাও; প্রভা ও মহিমায় নিজেকে সজ্জিত করো।
[4] সত্য, নম্রতা ও ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করে, আপন মহিমায় জয়লাভের দিকে অগ্রসর হও; তোমার ডান হাত ভয়াবহ ক্রিয়াকলাপ করুক।
[5] তোমার ধারালো সব তির রাজার শত্রুদের হৃদয় বিদ্ধ করুক; আর সকল জাতি তোমার পায়ের তলায় পতিত হোক।
[6] হে ঈশ্বর, তোমার সিংহাসন, অনন্তকালস্থায়ী ধার্মিকতার রাজদণ্ড দিয়ে তুমি শাসন করছ।
[7] তুমি ধার্মিকতা ভালোবাসো আর অধর্মকে ঘৃণা করে আসছ; তাই ঈশ্বর, তোমার ঈশ্বর, আনন্দের তেল দিয়ে অভিষিক্ত করে, তোমাকে তোমার সহচরদের ঊর্ধ্বে স্থাপন করেছেন।
[8] গন্ধরস, অগুরু আর দারুচিনি তোমার সকল রাজবস্ত্রকে গন্ধময় করে; আর হাতির দাঁতের রাজপ্রাসাদে তারের সুরযন্ত্র তোমাকে আনন্দিত করে।
[9] তোমার সম্মানিত মহিলাদের মধ্যে রাজাগণের কন্যারা আছে; তোমার ডানদিকে দাঁড়িয়ে আছে রাজবধূ, ওফীরের সোনায় সজ্জিত।
[10] হে কন্যা, শোনো, আমার কথায় কর্ণপাত করো: তোমার স্বজাতি ও তোমার বাবার বংশ ভুলে যাও।
[11] তোমার সৌন্দর্যতায় রাজা মুগ্ধ হোক; তাঁর সমাদর করো, কেননা তিনি তোমার প্রভু।
[12] সোরের নগরী এক উপহার নিয়ে আসবে, ধনী লোকেরা তোমার অনুগ্রহ প্রার্থনা করবে।
[13] রাজকন্যা, তার কক্ষে সম্পূর্ণরূপে অপূর্ব তার পোশাক সোনায় খচিত।
[14] অলঙ্কৃত পোশাকে তাকে রাজার কাছে নিয়ে যাওয়া হবে; তার কুমারী সঙ্গিনীরা, যাদেরকে তার সঙ্গে থাকার জন্য আনা হয়েছে, রাজকন্যাকে অনুসরণ করবে।
[15] আনন্দ ও উল্লাসে অগ্রসর হয়ে, তারা রাজপ্রাসাদে প্রবেশ করবে।
[16] তোমার সন্তানেরা তোমার বাবাদের স্থান নেবে; তুমি তাদের সমস্ত দেশের অধিপতি করবে।
[17] আমি তোমার স্মৃতি সকল বংশের পর বংশ চিরস্থায়ী করব; সেইজন্য সকল জাতি যুগে যুগে তোমার প্রশংসা করবে।