Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 11:18

[1] মহামারির পরে সদাপ্রভু, মোশি ও যাজক হারোণের পুত্র ইলীয়াসরকে বললেন,

[2] “বংশ অনুসারে সমস্ত ইস্রায়েলী সম্প্রদায়ের লোকগণনা করো। তাদের সবাইকে গণনা করো যাদের বয়স কুড়ি বা তারও বেশি এবং যারা ইস্রায়েলী সেনাবাহিনীতে কর্ম করতে সক্ষম।”

[3] অতএব মোশি ও যাজক ইলীয়াসর, মোয়াবের সমতলে, জর্ডনের নিকটে, যিরীহোর অপর পাশে, তাদের সঙ্গে আলাপ করলেন ও বললেন,

[4] “সদাপ্রভু যেমন মোশিকে আদেশ করেছেন, কুড়ি বছর বা তারও বেশি বয়স্ক পুরুষদের সংখ্যা গণনা করো।” এই ইস্রায়েলীরা মিশর থেকে বের হয়ে এসেছিল:

[5] ইস্রায়েলের জ্যেষ্ঠ পুত্র রূবেণের বংশধরেরা হল: হনোক থেকে হনোকীয় গোষ্ঠী, পল্লু থেকে পল্লুয়ীয় গোষ্ঠী;

[6] হিষ্রোণ থেকে হিষ্রোণীয় গোষ্ঠী, কর্মি থেকে কর্মীয় গোষ্ঠী।

[7] এরা সকলে রূবেণের গোষ্ঠী; এদের গণিত সংখ্যা ছিল 43,730।

[8] পল্লুর পুত্র ইলীয়াব

[9] এবং ইলীয়াবের পুত্রেরা হল নমূয়েল, দাথন ও অবীরাম। এই দাথন ও অবীরাম ছিলেন সম্প্রদায়ের আধিকারিক, যারা মোশি ও হারোণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল। তারা কোরহের অনুগামীদলের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যখন তারা সদাপ্রভুর বিপক্ষে বিদ্রোহ করেছিল।

[10] পৃথিবী, তাঁর মুখ উন্মুক্ত করে কোরহের সঙ্গে তার অনুগামী দলকে গ্রাস করেছিল। সেসময় অগ্নি, 250 জন ব্যক্তিকেও দগ্ধ করেছিল। তাদের ঘটনা দৃষ্টান্তরূপে হয়ে রইল।

[11] যাইহোক, কোরহের বংশধরেরা কেউই মারা পড়েনি।

[12] গোষ্ঠী অনুযায়ী, শিমিয়োনের বংশধরেরা হল: নমূয়েল থেকে নমূয়েলীয় গোষ্ঠী, যামীন থেকে যামীনীয় গোষ্ঠী, যাখীন থেকে যাখীনীয় গোষ্ঠী,

[13] সেরহ থেকে সেরহীয় গোষ্ঠী, শৌল থেকে শৌলীয় গোষ্ঠী।

[14] এরা সকলে শিমিয়োনের গোষ্ঠী। এদের গণিত পুরুষের সংখ্যা 22,200।

[15] গোষ্ঠী অনুযায়ী, গাদের বংশধরেরা হল: সিফোন থেকে সিফোনীয় গোষ্ঠী, হগি থেকে হগীয় গোষ্ঠী, শূনি থেকে শূনীয় গোষ্ঠী,

[16] ওষ্ণি থেকে ওষ্ণীয় গোষ্ঠী, এরি থেকে এরীয় গোষ্ঠী;

[17] আরোদ থেকে আরোদীয় গোষ্ঠী, অরেলি থেকে অরেলীয় গোষ্ঠী।

[18] এরা সকলে গাদের গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা ছিল 40,500।

[19] এর ও ওনন, যিহূদার সন্তান। তারা সকলে কনানে মারা গিয়েছিল।

[20] গোষ্ঠী অনুযায়ী, যিহূদার বংশধরেরা হল: শেলা থেকে শেলানীয় গোষ্ঠী, পেরস থেকে পেরসীয় গোষ্ঠী, সেরহ থেকে সেরহীয় গোষ্ঠী।

[21] পেরসের বংশধরেরা হল: হিষ্রোণ থেকে হিষ্রোণীয় গোষ্ঠী, হামূল থেকে হামূলীয় গোষ্ঠী।

[22] এরা সকলে যিহূদার গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা ছিল 76,500।

[23] গোষ্ঠী অনুযায়ী ইষাখরের বংশধরেরা হল: তোলয় থেকে তোলয়ীয় গোষ্ঠী; পূয় থেকে পূয়ীয় গোষ্ঠী,

[24] যাশূব থেকে যাশূবীয় গোষ্ঠী, শিম্রোণ থেকে শিম্রোণীয় গোষ্ঠী।

[25] এরা সকলে ইষাখরের গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা ছিল 64,300।

[26] গোষ্ঠী অনুযায়ী, সবূলূনের বংশধরেরা হল: সেরদ থেকে সেরদীয় গোষ্ঠী, এলোন থেকে এলোনীয় গোষ্ঠী, যহলেল থেকে যহলেলীয় গোষ্ঠী।

[27] এরা সকলে সবূলূনের গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা ছিল, 60,500।

[28] গোষ্ঠী অনুযায়ী, মনঃশি ও ইফ্রয়িমের মাধ্যমে, যোষেফের বংশধরেরা হল:

[29] মনঃশির বংশধরেরা হল: মাখীর থেকে মাখীরীয় গোষ্ঠী। (গিলিয়দের বাবা ছিলেন মাখীর) গিলিয়দ থেকে গিলিয়দীয় গোষ্ঠী।

[30] গিলিয়দের বংশধরেরা হল: ঈয়েষর থেকে ঈয়েষরীয় গোষ্ঠী, হেলক থেকে হেলকীয় গোষ্ঠী,

[31] অস্রীয়েল থেকে অস্রীয়েলীয় গোষ্ঠী, শেখম থেকে শেখমীয় গোষ্ঠী,

[32] শিমীদা থেকে শিমীদায়ীয় গোষ্ঠী, হেফর থেকে হেফরীয় গোষ্ঠী।

[33] (হেফরের পুত্র সলফাদের কোনো পুত্র ছিল না। তাঁর শুধুমাত্র কয়েকটি কন্যা ছিল। তাদের নাম ছিল মহলা, নোয়া, হগ্‌লা, মিল্কা ও তির্সা)

[34] এরা সকলে মনঃশির গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা ছিল 52,700।

[35] গোষ্ঠী অনুযায়ী ইফ্রয়িমের বংশধরেরা হল: শূথেলহ থেকে শূথেলহীয় গোষ্ঠী, বেখর থেকে বেখরীয় গোষ্ঠী, তহন থেকে তহনীয় গোষ্ঠী।

[36] এরা সকলে শূথেলহের বংশধর, এরণ থেকে এরণীয় গোষ্ঠী।

[37] এরা সকলে ইফ্রয়িম গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা ছিল 32,500। গোষ্ঠী অনুযায়ী, এরা সকলে যোষেফের বংশধর।

[38] গোষ্ঠী অনুযায়ী, বিন্যামীনের বংশধরেরা হল: বেলা থেকে বেলায়ীয় গোষ্ঠী, অস্‌বেল থেকে অস্‌বেলীয় গোষ্ঠী। অহীরাম থেকে অহীরামীয় গোষ্ঠী।

[39] শূফম থেকে শূফমীয় গোষ্ঠী, হুফম থেকে হুফমীয় গোষ্ঠী।

[40] অর্দ এবং নামানের মাধ্যমে, বেলার বংশধরেরা হল: অর্দ থেকে অর্দীয় গোষ্ঠী, নামান থেকে নামানীয় গোষ্ঠী।

[41] এরা সকলে বিন্যামীনের গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা হল 45,600।

[42] গোষ্ঠী অনুযায়ী, দানের বংশধরেরা হল: শূহম থেকে শূহমীয় গোষ্ঠী। এরা সকলে দানের গোষ্ঠী।

[43] তারা সকলেই শূহমীয় গোষ্ঠীভুক্ত ছিল। তাদের গণিত সংখ্যা ছিল 64,400।

[44] গোষ্ঠী অনুযায়ী, আশেরের বংশধরেরা হল: যিম্ন থেকে যিম্নীয় গোষ্ঠী, যিস্‌বি থেকে যিস্‌বীয় গোষ্ঠী, বরিয় থেকে বরিয়ীয় গোষ্ঠী।

[45] আবার বরিয়ের বংশধরেরা হল: হেবর থেকে হেবরীয় গোষ্ঠী, মল্কীয়েল থেকে মল্কীয়েলীয় গোষ্ঠী।

[46] আশেরের সারহ নামে একটি কন্যা ছিল।

[47] এরা সকলে আশেরের গোষ্ঠী, তাদের গণিত সংখ্যা ছিল, 53,400।

[48] গোষ্ঠী অনুযায়ী, নপ্তালির বংশধরেরা হল: যহসীয়েল থেকে যহসীয়েলীয় গোষ্ঠী, গূনি থেকে গূনীয় গোষ্ঠী।

[49] যেৎসর থেকে যেৎসরীয় গোষ্ঠী, শিল্লেম থেকে শিল্লেমীয় গোষ্ঠী।

[50] এরা সকলে নপ্তালির গোষ্ঠী। এদের গণিত সংখ্যা ছিল 45,400।

[51] ইস্রায়েলী পুরুষদের সর্বমোট গণিত সংখ্যা ছিল 6,01,730 জন।

[52] সদাপ্রভু মোশিকে বললেন,

[53] “নামের গণিত সংখ্যা অনুযায়ী তাদের মধ্যে ভূমির স্বত্বাধিকার বণ্টন করতে হবে।

[54] বৃহৎ দলকে বেশি এবং ক্ষুদ্র দলকে অল্প স্বত্বাধিকার দিতে হবে। নামের তালিকা অনুযায়ী, প্রত্যেক ব্যক্তি তার স্বত্বাধিকার গ্রহণ করবে।

[55] ভূমি নিশ্চিতরূপে গুটিকাপাতের মাধ্যমে বন্টিত হবে। পিতৃ-গোষ্ঠীর নাম অনুযায়ী প্রতিটি দল স্বত্বাধিকার গ্রহণ করবে।

[56] বৃহৎ বা ক্ষুদ্র সমস্ত দলের মধ্যেই গুটিকাপাতের মাধ্যমে বন্টিত হবে।”

[57] এই সমস্ত লেবীয়েরাও তাদের গোষ্ঠী অনুযায়ী গণিত হল: গের্শোন থেকে গের্শোনীয় গোষ্ঠী, কহাৎ থেকে কহাতীয় গোষ্ঠী, মরারি থেকে মরারীয় গোষ্ঠী।

[58] এরাও সকলে লেবীয় গোষ্ঠী ছিল: লিব্‌নীয় গোষ্ঠী, হিব্রোণীয় গোষ্ঠী, মহলীয় গোষ্ঠী, মূশীয় গোষ্ঠী, কোরহীয় গোষ্ঠী। (কহাত অম্রামের পূর্বপুরুষ ছিলেন।

[59] অম্রামের স্ত্রীর নাম যোকেবদ। ইনি লেবির বংশ। মিশরে ও লেবি গোষ্ঠীতে তাঁর জন্ম হয়েছিল। অম্রামের জন্য তিনি হারোণ, মোশি ও তাঁদের বোন মরিয়মকে জন্ম দিলেন।

[60] হারোণ ছিলেন নাদব, অবীহূ, ইলীয়াসর ও ঈথামরের বাবা।

[61] কিন্তু নাদব ও অবীহূ অশুচি অগ্নির মাধ্যমে সদাপ্রভুর উদ্দেশে নৈবেদ্য উৎসর্গ করায় মারা পড়েছিল)

[62] এক মাস বা তারও বেশি বয়সি লেবীয়দের সকল পুরুষের গণিত সংখ্যা ছিল 23,000। অন্য ইস্রায়েলীদের সঙ্গে তাদের গণনা করা হয়নি, কারণ তাদের মধ্যে তারা কোনো স্বত্বাধিকার প্রাপ্ত হয়নি।

[63] মোশি ও যাজক ইলীয়াসর মোয়াবের সমতলে জর্ডনের তীরে যিরীহোর অপর পাশে এই ইস্রায়েলীদের গণনা করেছিলেন।

[64] মোশি ও যাজক হারোণ, সীনয় প্রান্তরে, যে ইস্রায়েলীদের গণনা করেছিলেন, এই গণিত লোকদের মধ্যে তাদের একজনও অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

[65] কারণ সদাপ্রভু সেই ইস্রায়েলীদের বলেছিলেন যে তারা নিশ্চিতরূপেই প্রান্তরে মারা যাবে। তাই যিফূন্নির পুত্র কালেব ও নূনের পুত্র যিহোশূয় ব্যতিরেকে, তাদের একজন ব্যক্তিও অবশিষ্ট ছিল না।

গণনা পুস্তক — Chapters