Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 8:35

[1] সদাপ্রভু মোশিকে বললেন,

[2] “ইস্রায়েলীদের সঙ্গে তুমি কথা বলো ও তাদের জানিয়ে দাও: ‘যদি কেউ সদাপ্রভুর উদ্দেশে কোনো একজনকে উৎসর্গ করবার জন্য সমতুল্য মূল্য দিয়ে এক বিশেষ মানত করে,

[3] তাহলে কুড়ি থেকে ষাট বছরের মধ্যে বয়স্ক কোনো এক পুরুষের মূল্য হিসাবে সে পঞ্চাশ শেকল রুপো রাখবে, যা পবিত্রস্থানের শেকল অনুসারে,

[4] একজন নারীর ক্ষেত্রে তাকে ত্রিশ শেকল মূল্য রাখতে হবে।

[5] যদি পাঁচ থেকে কুড়ি বছরের মধ্যে বয়স্ক কোনো এক ব্যক্তিকে উৎসর্গ করতে হয়, তাহলে পুরুষের পক্ষে কুড়ি শেকল এবং নারীর পক্ষে দশ শেকল রাখতে হবে।

[6] যদি এক মাস ও পাঁচ বছরের মধ্যে যে কোনো বয়সি কেউ থাকে, তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে পাঁচ শেকল রুপো ও নারীর ক্ষেত্রে তিন শেকল রুপো রাখতে হবে।

[7] যদি কারও বয়স ষাট অথবা তদূর্ধ্ব হয়, তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে পনেরো শেকল ও নারীর ক্ষেত্রে দশ শেকল রাখতে হবে।

[8] যদি কেউ মানত করে, অথচ অত্যন্ত দারিদ্রতা হেতু নির্দিষ্ট পরিমাণ মূল্য দিতে অসমর্থ হয়, তাহলে সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে যাজকের নিকটে আনা হবে এবং মানতকারীর সামর্থ্য অনুযায়ী সেই ব্যক্তির পক্ষে যাজক মূল্য নির্ধারণ করবে।

[9] “ ‘একটি পশু দিয়ে যদি সে মানত করে, সদাপ্রভুর উদ্দেশে এক উপহার রূপে সেই মানত গ্রহণযোগ্য। সদাপ্রভুর উদ্দেশে দত্ত এমন এক পশু পবিত্র হয়।

[10] সে যেন বদল না করে, অথবা বিকল্পরূপে মন্দের জায়গার উত্তম কিংবা উত্তমের জায়গায় মন্দ পশু না যোগান দেয়। যদি সে একটিরও পক্ষে অন্য পশু বিকল্পরূপে দেয়, তাহলে বিকল্প দুটোই পবিত্র হয়।

[11] যদি তার মানত করা পশু আনুষ্ঠানিকভাবে অশুচি হয়, যদি তা সদাপ্রভুর উদ্দেশে এক উপহার রূপে গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে ওই পশুকে অবশ্যই যাজকের নিকটে নিয়ে যেতে হবে।

[12] পশুটি উত্তম অথবা মন্দ, সে বিষয়ের গুণাগুণ যাজক বিচার করবে। পরে যাজক দ্বারা নিরূপিত মূল্য অনুযায়ী পশুর মূল্য নির্ধারিত হবে।

[13] পশুর মালিক যদি পশুকে মুক্ত করতে চায়, নিরূপিত মূল্যের পঞ্চমাংশ সে অবশ্যই অতিরিক্ত দেবে।

[14] “ ‘যদি কোনো পুরুষ পবিত্র বস্তুরূপে তার গৃহ সদাপ্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গ করে তাহলে উত্তম অথবা মন্দ গৃহটির গুণাগুণ যাজক বিচার করবে; যাজক দ্বারা নির্ধারিত মূল্য মেনে নেওয়া হবে।

[15] যদি উৎসর্গকারী তার গৃহ মুক্ত করে, তাহলে নিরূপিত মূল্যের অতিরিক্ত পঞ্চমাংশ সে অবশ্যই দেবে। গৃহটি পুনরায় তার হবে।

[16] “ ‘যদি কোনো পুরুষ তার অধিকৃত ক্ষেত্রের অংশবিশেষ সদাপ্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গ করে, সেই ক্ষেত্রে বপনীয় বীজের পরিমাণানুসারে ক্ষেত্রটির মূল্য নিরূপিত হবে—এক হোমর যবের বীজের জন্য পঞ্চাশ শেকল রুপো।

[17] অর্ধশত বছর চলাকালীন যদি সে তার ক্ষেত্র উৎসর্গ করে, তাহলে ক্ষেত্রটির নিরূপিত মূল্য অপরিবর্তিত থাকবে।

[18] কিন্তু যদি অর্ধশতবার্ষিকীর পরে সে তার ক্ষেত্র উৎসর্গ করে, পরবর্তী অর্ধশতবার্ষিকী না আসা পর্যন্ত বছরগুলির সংখ্যা অনুযায়ী যাজক মূল্য নির্ধারণ করবে এবং নির্ধারিত মূল্য হ্রাস পাবে।

[19] উৎসর্গকারী যদি তার ক্ষেত্র মুক্ত করতে চায়, ক্ষেত্রটির মূল্যের অতিরিক্ত পঞ্চমাংশ সে অবশ্যই দেবে এবং ক্ষেত্রটি পুনরায় তার হবে।

[20] অন্যদিকে, যদি সে তার ক্ষেত্র মুক্ত না করে, অথবা অন্য কারও নিকটে ক্ষেত্রটি বিক্রয় করে, তাহলে তা কখনও মুক্ত হবে না।

[21] অর্ধশতবার্ষিকীতে ক্ষেত্র মুক্ত হলে তা হবে পবিত্র, যেন সদাপ্রভুর উদ্দেশে বিকশিত এক ক্ষেত্র; এটি হবে যাজকদের সম্পত্তি।

[22] “ ‘যদি কোনো এক পুরুষ তার ক্রীত একটি ক্ষেত্র সদাপ্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গ করে, যা তার পৈতৃক ভূমির অংশ নয়,

[23] অর্ধশত বছর পর্যন্ত যাজক সেই ক্ষেত্রটির মূল্য নির্ধারণ করবে এবং সেই মালিককে তার মূল্য সেদিন দিতে হবে যা সদাপ্রভুর উদ্দেশে পবিত্র বলে বিবেচিত হবে।

[24] পঞ্চাশতম বছরে ক্ষেত্রটি পূর্ব অধিকারে যাবে, যার নিকট থেকে সে ক্ষেত্রটি ক্রয় করেছিল অর্থাৎ পূর্বাধিকারী সেই ক্ষেত্র পাবে।

[25] পবিত্রস্থানের শেকল অনুযায়ী প্রত্যেক বিষয়ের মূল্য নিরূপিত হবে, প্রতি শেকলে কুড়ি গেরা।

[26] “ ‘অন্যদিকে, প্রথমজাত কোনো পশুকে কেউ উৎসর্গ করতে পারবে না, যেহেতু প্রথমজাত সদাপ্রভুর অধিকার; বৃষ অথবা মেষ যা জন্মাবে, তা প্রভুর।

[27] যদি তা এক অশুচি পশু হয়, তাহলে নিরূপিত মূল্যে সে পুনরায় প্রথমজাতকে ক্রয় করবে, এর মূল্যের অতিরিক্ত পঞ্চমাংশ সে দেবে। যদি পশুটিকে সে মুক্ত না করে, তাহলে নিরূপিত মূল্যে ওই পশুকে বিক্রয় করতে হবে।

[28] “ ‘কিন্তু কোনো ব্যক্তি নিজের সর্বস্ব থেকে—মানুষ কিংবা পশু কিংবা পৈতৃক সম্পত্তি—সদাপ্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত করে; তা বিক্রি বা মুক্ত করা যাবে না; সদাপ্রভুর উদ্দেশে নিবেদিত সবকিছুই অতি পবিত্র।

[29] “ ‘ধ্বংসাত্মক কর্মে লিপ্ত কোনো বর্জিত ব্যক্তির বন্দিত্বমোচন হবে না; তাকে মৃত্যুদণ্ড পেতেই হবে।

[30] “ ‘ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছুর দশমাংশ মাটি থেকে উৎপন্ন খাদ্যশস্য অথবা গাছের ফল, সমস্তই সদপ্রভুর। উৎপাদিত সবকিছু সদাপ্রভুর উদ্দেশে পবিত্র।

[31] যদি কোনো পুরুষ তার দশমাংশের কিঞ্চিৎ মুক্ত করে, তাহলে দশমাংশ মূল্যের অতিরিক্ত পঞ্চমাংশ সে অবশ্যই দেবে।

[32] গোরু ও মেষের সম্পূর্ণ দশমাংশ মেষপালকের চরাণী পাওয়া প্রত্যেক দশটি পশু সদাপ্রভুর উদ্দেশে পবিত্র হবে।

[33] সে কোনো মন্দ পশুদের মধ্য থেকে উত্তম পশু বেছে নেবে না, অথবা বিকল্প বিধান নেবে না। যদি সে বিকল্প উপায় গ্রহণ করে, তাহলে পশু ও তাদের বিকল্প উভয়ই পবিত্র হবে এবং তাদের মুক্ত করা যাবে না।’ ”

[34] সদাপ্রভুর এই আদেশগুলি ইস্রায়েলীদের জন্য সীনয় পর্বতে মোশিকে দেওয়া হল।

লেবীয় পুস্তক — Chapters