[1] সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, “হারোণের ছেলে যাজকদের জানাও, তাদের বলো, ‘কোনো যাজক তার কোনো মৃত আপনজনের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে যেন নিজেকে অশুচি না করে,
[2] কেবল কোনো নিকট আত্মীয়, যেমন তার মা অথবা বাবা, তার ছেলে অথবা কন্যা, তার ভাই,
[3] অথবা অবিবাহিতা ভগ্নী, যে তার উপরে নির্ভরশীল, যেহেতু তার স্বামী নেই—এই ভগ্নীর জন্য সে নিজেকে অশুচি করতে পারে।
[4] বিবাহ দ্বারা সম্পর্কিত লোকদের নিমিত্তে সে নিজেকে কখনও অশুদ্ধ করবে না, কোনো ভাবে নিজে কলুষিত হবে না।
[5] “ ‘যাজকেরা তাদের মস্তক ও দাড়ির প্রান্তভাগ ছাঁটবে না, অথবা নিজেদের দেহে অস্ত্রাঘাত করবে না।
[6] তারা তাদের ঈশ্বরের উদ্দেশে অবশ্যই পবিত্র হবে এবং তাদের ঈশ্বরের নাম কখনও কলঙ্কিত করবে না। যেহেতু সদাপ্রভুর উদ্দেশে তারা অগ্নিকৃত উপহার আনে, তাদের ঈশ্বরের উদ্দেশে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য রাখে, সেই কারণে তাদের পবিত্র হতে হবে।
[7] “ ‘পতিতা বৃত্তি দ্বারা কলঙ্কিত রমণীদের অথবা বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে এমন নারীদের তারা কোনোমতে বিবাহ করবে না, কারণ যাজকেরা তাদের ঈশ্বরের নিকটে পবিত্র।
[8] পবিত্ররূপে তাদের বিবেচনা করো, কারণ তোমাদের ঈশ্বরের উদ্দেশে তারা ভক্ষ্য-নৈবেদ্য উৎসর্গ করে। তাদের পবিত্র বলে বিবেচনা করো, কেননা সদাপ্রভু পবিত্র—আমি তোমাদের পবিত্র করি।
[9] “ ‘যদি কোনো যাজকের কন্যা গণিকা হয়ে নিজেকে কলুষিত করে, সে তার বাবাকে লজ্জা দেয়, তাকে অবশ্যই অগ্নিতে জ্বালিয়ে দিতে হবে।
[10] “ ‘আপন ভাইদের মধ্যে প্রধান যাজক, যার মস্তকে অভিষেক তৈল ঢালা হয়েছে এবং যাজকীয় পোশাক পরিধান করবার জন্য যে অভিষিক্ত হয়েছে, সে তার কেশ এলোমেলো রাখবে না, অথবা তার বস্ত্র ছিঁড়বে না।
[11] সে এমন স্থানে কখনও প্রবেশ করবে না, যেখানে মৃতদেহ রয়েছে। সে তার বাবা অথবা মার জন্যও নিজেকে কখনও অশুচি করবে না,
[12] তার ঈশ্বরের পবিত্রস্থান পরিত্যাগ করবে না, অথবা তা অপবিত্র করবে না, কারণ সে তার ঈশ্বরের অভিষেক তৈল দিয়ে স্থানটিকে উৎসর্গ করেছে। আমি সদাপ্রভু।
[13] “ ‘তার বিবাহের জন্য পাত্রী যেন অবশ্যই কুমারী-কন্যা হয়।
[14] সে কোনো বিধবাকে, বিবাহ-বিচ্ছিন্না মহিলাকে অথবা গণিকাকে কখনও বিবাহ করবে না, কিন্তু তার লোকদের মধ্য থেকে কেবল একটি কুমারী কন্যাকে বিবাহ করবে,
[15] যেন এইভাবে তার লোকদের মাঝে নিজ বংশধরদের সে অপবিত্র না করে। আমি সদাপ্রভু, যিনি তাকে পবিত্র করেন।’ ”
[16] সদাপ্রভু মোশিকে বললেন,
[17] “ তুমি হারোণকে বলো, ‘আগামী প্রজন্মগুলিতে তার বংশধরদের মধ্যে যদি কারও কলঙ্ক থাকে, সে যেন তার ঈশ্বরের উদ্দেশে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য উৎসর্গ করতে নিকটবর্তী না হয়।
[18] দোষযুক্ত কোনো মানুষ নিকটে আসতে পারবে না, অন্ধ অথবা খঞ্জ, বিকলাঙ্গ অথবা অঙ্গহীন কেউ দোষমুক্ত নয়;
[19] যার চরণ অথবা হস্ত অকেজো,
[20] অথবা যে কুঁজো বা ক্ষুদ্র আকৃতিবিশিষ্ট, কিংবা যার নয়ন নষ্টপ্রায় অথবা পুঁজযুক্ত ক্ষতবিশিষ্ট, কিংবা ভগ্ন অণ্ডকোষ বিশিষ্ট,
[21] যাজক হারোণের বংশধরদের মধ্যে কেউ দোষযুক্ত থাকলে সদাপ্রভুর উদ্দেশে অগ্নিক্রিত উপহার উৎসর্গ করতে সে আসতে পারবে না। যেহেতু তার দোষ আছে; তাই তার ঈশ্বরের উদ্দেশে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য উৎসর্গ করতে সে কখনও নিকটে আসতে পারবে না।
[22] সে তার ঈশ্বরের অতি পবিত্র ভক্ষ্য এবং পবিত্র খাদ্যবস্তু ভোজন করতে পারবে;
[23] তবুও তার দোষ হেতু সে পর্দার নিকটে অথবা বেদির অভিমুখে একেবারেই যাবে না, যেন আমার পবিত্রস্থান কলুষিত না হয়। আমি সদাপ্রভু, যিনি তাদের পবিত্র করেন।’ ”
[24] সুতরাং হারোণকে, তার সকল ছেলেকে ও সমস্ত ইস্রায়েলকে মোশি এসব কথা বললেন।