[1] সদাপ্রভু মোশিকে বললেন,
[2] “তুমি হারোণকে এবং তার ছেলেদের ও সমগ্র ইস্রায়েলীদের এই কথা বলো, ‘সদাপ্রভু এই আদেশ দিয়েছেন:
[3] যদি কোনো ইস্রায়েলী শিবিরের মধ্যে অথবা শিবিরের বাইরে গরু, অথবা মেষ কিংবা ছাগ হত্যা করে,
[4] কিন্তু সদাপ্রভুর আবাসের সামনে, সদাপ্রভুর উদ্দেশে উপহার উৎসর্গ করতে সমাগম তাঁবুর প্রবেশদ্বারে তা না আনে, তাহলে সেই মানুষ রক্তপাতের অপরাধী গণিত হবে; সে রক্তপাত করছে; সুতরাং তার পরিজনদের নিকট থেকে সে উচ্ছিন্ন হবে।
[5] এরপরে ইস্রায়েলীরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে বিভিন্ন বলিদান আনবে, যেগুলি ওই সময় পর্যন্ত তারা খোলা ময়দানে উৎসর্গ করল। তারা যাজকের নিকটে সেগুলি অবশ্যই আনবে: অর্থাৎ সমাগম তাঁবুর প্রবেশদ্বারে সদাপ্রভুর সামনে এনে মঙ্গলার্থক বলিরূপে সেগুলি উৎসর্গ করবে।
[6] সমাগম তাঁবুর প্রবেশদ্বারে সদাপ্রভুর বেদির সামনে যাজক রক্ত প্রক্ষেপ করবে এবং সদাপ্রভুর সুগন্ধি সন্তোষজনক উপহার রূপে মেদ দগ্ধ করবে।
[7] ছাগ প্রতিমাদের উদ্দেশে তারা আর কোনো প্রকার বলিদান করবে না, যাদের অনুগমনে তারা ব্যভিচার করেছে। তাদের জন্যে ও আগামী প্রজন্মের নিমিত্তে এটি চিরস্থায়ী বিধি।’
[8] “তাদের বলো, ‘তাদের মধ্যে বাসকারী কোনো ইস্রায়েলী অথবা প্রবাসী যদি হোম অথবা বলিদান করে
[9] এবং সদাপ্রভুর উদ্দেশে বলিদানার্থে সমাগম তাঁবুর প্রবেশদ্বারে ওই নৈবেদ্য না আনে, তাহলে তার পরিজনদের নিকট থেকে সে অবশ্যই উচ্ছিন্ন হবে।
[10] “ ‘তোমাদের মধ্যে বাসকারী কোনো ইস্রায়েলী অথবা কোনো প্রবাসী যদি রক্ত ভোজন করে, তাহলে আমি ওই রক্ত ভোজনকারীর বিমুখ হব ও তার পরিজনদের নিকট থেকে তাকে উচ্ছিন্ন করব।
[11] কেননা একটি প্রাণীর রক্তে জীবন থাকে এবং এই জীবন আমি তোমাদের দিয়েছি, যেন তোমাদের জন্য তোমরা বেদির ওপরে প্রায়শ্চিত্ত করতে পারো; এই রক্ত প্রত্যেকজনের জন্য প্রায়শ্চিত্ত সাধন করে।
[12] অতএব ইস্রায়েলীদের প্রতি আমি এই কথা বলি, “তোমাদের কেউ অথবা তোমাদের মধ্যে বাসকারী কোনো প্রবাসী যেন রক্ত ভোজন না করে।”
[13] “ ‘কোনো ইস্রায়েল সন্তান অথবা তোমাদের মধ্যে সহকারী কোনো কোনো প্রবাসী যদি মৃগয়াতে গিয়ে ভোজন উপযোগী পশু অথবা পাখি বধ করে, তাহলে মৃত পশুর অথবা পাখি প্রবাহিত শোণিতধারাকে ধুলো দিয়ে ঢেকে দিতে হবে,
[14] কারণ প্রত্যেক প্রাণীর জীবন রক্তের মধ্যে রয়েছে। এই কারণে আমি ইস্রায়েলীদের বলেছি, “তোমরা কোনো প্রাণীর রক্ত একেবারে ভোজন করবে না, কারণ রক্তের মধ্যে প্রত্যেক প্রাণীর জীবন রয়েছে, যদি কেউ তা ভোজন করে, তাকে উচ্ছিন্ন হতেই হবে।”
[15] “ ‘স্বদেশি অথবা বিদেশি কেউ যদি কোনো মৃত অথবা বিদীর্ণ বন্যপশুর মাংস ভক্ষণ করে, তাহলে সে নিজ পরিচ্ছদ অবশ্যই ধৌত করবে ও জলে স্নাত হবে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত সে আনুষ্ঠানিক অশুদ্ধ থাকবে; পরে সে শুদ্ধ হবে।
[16] কিন্তু সে যদি তার পরিচ্ছদ ধৌত ও নিজে স্নান না করে, তাহলে সে নিজ অপরাধ বহন করবে।’ ”