[1] ধন্য তারা, যাদের পথ নির্দোষ, যারা সদাপ্রভুুর ব্যবস্থা পথে চলে।
[2] ধন্য তারা, যারা তাঁর বিধিসম্মত আদেশ পালন করে; যারা সমস্ত মন দিয়ে তাঁকে খোঁজে।
[3] তারা অন্যায় করে না, তারা তাঁর পথে চলে।
[4] তুমি তোমর নির্দেশ পালন করতে আদেশ করেছ, যেন আমরা যত্ন সহকারে তা পালন করি।
[5] আহা! যা আমি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করব তোমার সংবিধি পালনে।
[6] তখন আমি লজ্জিত হব না, যখন আমি তোমার আদেশগুলোর বিষয় চিন্তা করি।
[7] যখন আমি তোমার ধর্মময় শাসন শিক্ষা করি, তখন আমি আন্তরিক ভাবে তোমার ধন্যবাদ করব।
[8] আমি তোমার বিধি পালন করব; আমাকে একা ছেড়ে দিও না। বৈৎ।
[9] যুবক কেমন করে নিজের পথ বিশুদ্ধ রাখবে? তোমার বাক্য পালনের মাধ্যমেই করবে।
[10] আমি সমস্ত মন দিয়ে তোমায় খুঁজেছি, আমাকে তোমার আদেশ পথ ছেড়ে ঘুরে বেড়াতে দিও না।
[11] আমি তোমার বাক্য হৃদয়ে সঞ্চয় করে রেখেছি, যেন আমি তোমার বিরুদ্ধে পাপ না করি।
[12] হে সদাপ্রভুু; তুমি ধন্য, আমাকে তোমার বিধি শেখাও।
[13] আমি আমার মুখ দিয়ে তোমার সমস্ত ধর্মময় আদেশ ঘোষণা করেছি যা তুমি প্রকাশ করেছ।
[14] সমস্ত ধন সম্পত্তির থেকেও আমি তোমার নিয়মের আদেশ আনন্দ করি।
[15] আমি তোমার নির্দেশগুলোয় ধ্যান করব এবং তোমার পথের প্রতি মনোযোগ দেব।
[16] আমি তোমার বিধিগুলোয় আনন্দ করি, তোমার বাক্য ভুলে যাব না। গিমেল।
[17] তোমার দাসের প্রতি দয়াবান হও, যেন আমি বাঁচি এবং তোমার বাক্য পালন করি।
[18] আমার চোখ খুলে দাও, যেন আমি তোমার ব্যবস্থায় আশ্চর্য্য আশ্চর্য্য বিষয় দেখতে পাই।
[19] আমি পৃথিবীতে বিদেশী, আমার থেকে তোমার আদেশগুলো লুকিও না।
[20] আমার প্রাণ সব দিন আকাঙ্ক্ষায় চূর্ণ তোমার ধর্মময় আদেশের জন্য।
[21] তুমি অহঙ্কারীদেরকে ধমক দিয়েছ, যারা অভিশপ্ত, যারা তোমার আদেশ ছেড়ে ঘুরে বেড়ায়।
[22] আমার থেকে দূর্নাম ও অপমান দূর কর, কারণ আমি তোমার নিয়মের আদেশ পালন করেছি।
[23] যদিও শাসকেরা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত এবং নিন্দা করেছে; তবুও তোমার দাস তোমার বিধি ধ্যান করে।
[24] তোমার নিয়মের আদেশ আমার আনন্দজনক এবং সেগুলি আমার পরামর্শদাতা। দালৎ।
[25] আমার প্রাণ ধূলোতে জড়িয়ে আছে, তোমার বাক্য অনুযায়ী আমাকে জীবন দাও।
[26] আমি আমার পথের কথা তোমায় বলেছি এবং তুমি আমাকে উত্তর দিয়েছ, তোমার বিধি আমাকে শেখাও।
[27] তোমার নির্দেশ আমাকে বুঝিয়ে দাও, যাতে আমি তোমার আশ্চর্য্য শিক্ষা সব ধ্যান করতে পারি।
[28] দুঃখে আমার হৃদয় গলে পড়ছে, তোমার বাক্যে আমাকে ওঠাও।
[29] আমার থেকে মিথ্যার পথ দূর কর, অনুগ্রহ করে আমাকে তোমার ব্যবস্থা শেখাও।
[30] আমি বিশ্বস্ততার পথ মনোনীত করেছি, আমি সব দিন তোমার ধর্মময় আদেশ আমার সামনে রাখেছি।
[31] আমি তোমার নিয়মের আদেশ সমূহে জড়িয়ে আছি; সদাপ্রভুু আমাকে লজ্জিত হতে দিও না।
[32] আমি তোমার আদেশ পথে দৌড়াব, কারণ তুমি তা করতে আমার হৃদয় বড় করেছ। হে।
[33] হে সদাপ্রভুু, তোমার বিধির পথ আমাকে শেখাও, আর আমি শেষ পর্যন্ত তা পালন করব।
[34] আমাকে বুদ্ধি দাও এবং আমি তোমার ব্যবস্থা পালন করব; আমি আমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে তা পালন করব।
[35] তোমার আদেশ পথে আমাকে পরিচালনা করাও, কারণ আমি সেই পথে চলতে আনন্দ পাই।
[36] তোমার নিয়মের আদেশের দিকে আমার হৃদয়কে পরিচালনা দাও এবং অসৎ লাভের থেকে দূরে রাখ।
[37] মন্দ বিষয় থেকে আমার চোখ ফেরাও, আমাকে তোমার পথে পুনরুজ্জীবিত কর।
[38] তোমার দাসের জন্য তোমার প্রতিজ্ঞা পূর্ণ কর, যা তুমি তাদের জন্য তৈরী করেছিলে যারা তোমায় সম্মান করে।
[39] আমার অপমান দূর কর, যার আমি ভয় করি, কারণ তোমার ধর্মময় আদেশ ভাল।
[40] দেখ, আমি তোমার নির্দেশগুলোর জন্য আকাঙ্খা করে আসছি; তোমার ধার্ম্মিকতায় আমাকে জীবিত রেখো। বৌ।
[41] হে সদাপ্রভুু, আমাকে তোমার অক্ষয় ভালবাসা দাও তোমার প্রতিজ্ঞা অনুসারে তোমার পরিত্রান দাও।
[42] তবে আমি তাদের উত্তর দিতে পারব যারা আমায় উপহাস করে, কারণ আমি তোমার বাক্যে নির্ভর করেছি।
[43] আমার মুখ থেকে সত্যের বাক্য নিয়ে নিও না, কারণ আমি তোমার ধর্মময় আদেশের জন্য অপেক্ষা করছি।
[44] আমি সব দিন তোমার ব্যবস্থা পালন করব, যুগে যুগে চিরকাল করব।
[45] আমি নিরাপদে চলব, কারণ আমি তোমার নির্দেশগুলোর খোঁজ করেছি।
[46] আমি রাজাদের সামনে তোমার গুরত্বপূর্ণ আদেশের কথা বলব এবং লজ্জিত হব না।
[47] আমি তোমার আদেশগুলোয় আনন্দ করব, যা আমি ভীষণ ভালবাসি।
[48] আমি তোমার আদেশগুলোর কাছে অঞ্জলি ওঠাব, যা আমি ভালবাসি; আমি তোমার বিধি ধ্যান করব। সয়িন।
[49] তোমার দাসের জন্য তোমার প্রতিজ্ঞা স্মরণ কর, কারণ তুমি আমাকে আশা দিয়েছ।
[50] আমার দুঃখে এটাই আমার সান্ত্বনা: যে তোমার প্রতিজ্ঞা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
[51] অহঙ্কারীরা আমাকে বিদ্রূপ করেছে, তবুও আমি তোমার ব্যবস্থা থেকে ফিরিনি।
[52] হে সদাপ্রভুু, আমি প্রাচীনকাল থেকে তোমার ধর্মময় আদেশ শিখছি, আর সান্ত্বনা পেয়েছি।
[53] আমার ক্রোধ জ্বলে উঠেছে, পাপীদের জন্য যারা তোমার ব্যবস্থা অগ্রাহ্য করে।
[54] তোমার বিধি আমার গান হয়েছে যেখানে আমি অস্থায়ীভাবে বাস করি।
[55] হে সদাপ্রভুু, আমি রাতে তোমার নামের বিষয়ে চিন্তা করি এবং আমি তোমার ব্যবস্থা পালন করি।
[56] এটাই আমার অভ্যাস কারণ আমি তোমার নির্দেশগুলো পালন করেছি। হেৎ।
[57] সদাপ্রভুু আমার অধিকার; আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তোমার বাক্য সকল পালনে।
[58] আমি সমস্ত হৃদয় দিয়ে আন্তরিকভাবে অনুরোধ করি তোমার দয়া পাবার; তোমার প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী, আমার প্রতি কৃপা কর।
[59] আমি আমার পথ পরীক্ষা করেছি এবং তোমার নিয়মের আদেশের দিকে আমার চরণ ফিরিয়েছি।
[60] আমি তাড়াতাড়ি করলাম এবং তোমার আদেশগুলো পালনে দেরী করলাম না।
[61] পাপীদের দড়ি আমাকে ফাঁদে ফেলেছে, আমি তোমার ব্যবস্থা ভুলে যাই নি।
[62] আমি মাঝ রাত্রে তোমার ধন্যবাদ করতে উঠি, তোমার ন্যায় বিধানের জন্য।
[63] আমি সেই সকলের সঙ্গী যারা তোমাকে সম্মান করে এবং যারা তোমার নির্দেশগুলো পালন করে।
[64] হে সদাপ্রভুু, পৃথিবী তোমার চুক্তির বিশ্বস্ততায় পরিপূর্ণ; আমাকে তোমার বিধির শিক্ষা দাও। টেট।
[65] হে সদাপ্রভুু, তুমি তোমার দাসের মঙ্গল করেছ, তোমার বাক্যানুসারে করেছ।
[66] আমাকে সঠিক বিচারশক্তি এবং বুদ্ধি শেখাও, কারণ আমি তোমার আদেশগুলোয় বিশ্বাস করেছি।
[67] দুঃখ পাওয়ার আগে আমি ভ্রান্ত ছিলাম, কিন্তু এখন আমি তোমার বাক্য পালন করছি।
[68] তুমি মঙ্গলময় এবং তুমি সেই যিনি মঙ্গল কাজ করেন, তোমার বিধি আমাকে শেখাও।
[69] অহঙ্কারীরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলেছে, কিন্তু আমি সমস্ত হৃদয় দিয়ে তোমার নির্দেশ পালন করেছি।
[70] তাদের হৃদয়ে সত্যতা নেই; কিন্তু আমি তোমার ব্যবস্থায় আনন্দ করি।
[71] এটা আমার জন্য ভাল যে আমি দুঃখ ভোগ করেছি, যেন আমি তোমার বিধি শিখতে পারি।
[72] হাজার হাজার সোনা ও রূপার চেয়ে তোমার মুখের নির্দেশ আমার জন্য মহা মূল্যবান। ইয়োদ।
[73] তোমার হাত আমার গঠন ও স্থাপন করছে; আমাকে বুদ্ধি দাও, যেন আমি তোমার আদেশ সকল শিখতে পারি।
[74] যারা তোমাকে সম্মান করে, তারা আমাকে দেখে গর্বিত হবে, কারণ আমি তোমরা বাক্যে আশা পাই।
[75] হে সদাপ্রভুু, আমি জানি তোমার আদেশ ন্যায্য এবং তুমি বিশ্বস্ততায় আমাকে দুঃখ দিয়েছ।
[76] তোমার চুক্তির বিশ্বস্ততা আমায় সান্ত্বনা দিক, যেমন তুমি তোমার দাসকে প্রতিজ্ঞা করেছ।
[77] আমার প্রতি করুণা কর, যেন আমি বাঁচি; কারণ তোমার ব্যবস্থা আমার আনন্দদায়ক।
[78] অহঙ্কারীদের লজ্জায় ফেলা হোক, কারণ তারা আমার নিন্দা করেছে; কিন্তু আমি তোমার নির্দেশগুলোয় ধ্যান করব।
[79] যারা তোমাকে সম্মান করে, তারা আমার দিকে ফিরুক, তারা যারা তোমার নিয়মের আদেশ জানে তারা ফিরুক।
[80] আমার হৃদয় তোমার বিধিতে নির্দোষ হোক, যেন আমি লজ্জায় না পড়ি। কফ।
[81] আমি তোমার পরিত্রানের আকাঙ্খা করি, আমি তোমার বাক্যে আমার আশা রেখেছি।
[82] আমার চোখ তোমার প্রতিজ্ঞা দেখার আকাঙ্খা করে; কখন তুমি আমাকে সান্ত্বনা করবে?
[83] কারণ আমি ধোঁয়ায় ভরা দ্রাক্ষার থলির মত হয়েছি; আমি তোমার বিধি ভুলে যাই নি।
[84] কত দিন তোমার দাস এসব সহ্য করবে? কবে তুমি আমার তাড়নাকারীদের বিচার করবে?
[85] অহঙ্কারীরা আমার জন্য গর্ত খুঁড়েছে, তারা তোমার ব্যবস্থার নিন্দা করে।
[86] তোমার সমস্ত আদেশ বিশ্বসনীয়; যে সমস্ত লোক আমাকে অন্যায়ভাবে অত্যাচার করে; আমায় সাহায্য কর।
[87] তারা পৃথিবীতে আমাকে প্রায় শেষ করে ফেলেছিল, কিন্তু আমি তোমার নির্দেশগুলো ত্যাগ করিনি।
[88] যেমন তোমার চুক্তির বিশ্বস্ততার প্রতিজ্ঞা অনুসারে আমাকে জীবিত রাখো, যাতে আমি তোমার নিয়মের আদেশ পালন করতে পারি যা তুমি বলেছ। লামদ।
[89] হে সদাপ্রভুু, তোমার বাক্য অনন্তকাল স্থায়ী, তোমার বাক্য স্বর্গে দৃঢ় ভাবে স্থাপিত।
[90] তোমার বিশ্বস্ততা পুরুষে পুরুষে স্থায়ী; তুমি পৃথিবীকে স্থাপন করেছ এবং তা স্থির থাকে।
[91] সমস্ত কিছুই আজ পর্যন্ত স্থির রয়েছে, যেমন তুমি বলেছ তোমার ন্যায় বিধানে, কারণ সমস্ত কিছুই তোমার দাস।
[92] যদি তোমার ব্যবস্থা আমার আনন্দদায়ক না হত, তবে আমি আপন দুঃখে ধ্বংস হতাম।
[93] আমি তোমার নির্দেশগুলো কখনও ভুলে যাব না, কারণ তার দ্বারাই তুমি আমাকে জীবিত রেখেছ।
[94] আমি তোমারই, আমাকে রক্ষা কর; কারণ আমি তোমার নির্দেশগুলো অন্বেষণ করি।
[95] পাপীরা আমাকে ধ্বংস করার জন্য প্রস্তুত; কিন্তু আমি তোমার নিয়মের আদেশ বোঝার চেষ্টা করব।
[96] আমি দেখেছি যে সমস্ত কিছুরই সীমা আছে; কিন্তু তোমার আদেশ এটি মহান, অপরিসীম। মেম।
[97] আহা, আমি তোমার ব্যবস্থা কেমন ভালবাসি। এটা সমস্ত দিন আমার ধ্যানের বিষয়।
[98] তোমার আদেশ আমাকে শত্রুর থেকেও জ্ঞানবান করে; কারণ তোমার আদেশ চিরকাল আমার সঙ্গে আছে।
[99] আমার বেশি বুদ্ধি আমার সমস্ত গুরুর থেকে, কারণ আমি তোমার নিয়মের আদেশের ধ্যান করি।
[100] প্রাচীন লোকদের থেকেও আমি বেশি বুদ্ধিমান, তার কারণ আমি তোমার নির্দেশগুলো পালন করেছি।
[101] আমি সমস্ত কুপথ থেকে আমার পা দূরে রেখেছি, যেন আমি তোমার বাক্য পালন করি।
[102] আমি তোমার ন্যায় বিধান থেকে ফিরি নি, কারণ তুমিই আমাকে নির্দেশ দিয়েছ।
[103] তোমার বাক্য সকল আমার মুখে কেমন মিষ্ট লাগে! তা আমার মুখে মধুর থেকে মিষ্টি।
[104] তোমার নির্দেশগুলোর দ্বারাই আমার বুদ্ধি লাভ হয়। সেইজন্য আমি সমস্ত মিথ্যা পথ ঘৃণা করি। নুন।
[105] তোমার বাক্য আমার চরনের প্রদীপ, আমার পথের আলো।
[106] আমি শপথ করেছি এবং স্থির করেছি, যে আমি তোমার বিধি পালন করব।
[107] হে সদাপ্রভুু, আমি খুব দুঃখার্ত্ত; তোমার বাক্যের প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী আমাকে জীবিত রেখ।
[108] সদাপ্রভুু, দয়া করে আমার মুখের স্বেচ্ছা দত্ত উপহার সকল গ্রহণ কর এবং তোমার ন্যায় বিধান আমাকে শেখাও।
[109] আমার প্রাণ সবদিন বিপদে থাকে, তবুও আমি তোমার ব্যবস্থা ভুলে যাই নি।
[110] পাপীরা আমার জন্য ফাঁদ পেতেছে, কিন্তু আমি তোমার নির্দেশ থেকে দূরে সরে যাই নি।
[111] আমি তোমার নিয়মের আদেশ আমার দাবি বলে অধিকার করেছি, কারণ সেগুলো আমার হৃদয়ের আনন্দ।
[112] আমার হৃদয় তোমার বিধি মেনে চলতে স্থির হয়েছে, চিরকালের জন্য, শেষ পর্যন্ত। সামক।
[113] আমি দ্বিমনা লোকেদের ঘৃণা করি, কিন্তু তোমার ব্যবস্থা ভালবাসি।
[114] তুমি আমার লুকানোর জায়গা ও আমার ঢাল; আমি তোমার বাক্যের জন্য অপেক্ষা করি।
[115] মন্দ কাজকরীরা, আমার কাছ থেকে দূর হও; যাতে আমি আমার ঈশ্বরের আদেশ সকল পালন করতে পারি।
[116] তোমার বাক্যে আমাকে ধরে রাখ যাতে আমি বাঁচি এবং আমাকে আমার আশায় লজ্জিত হতে দিও না।
[117] আমাকে তুলে ধর এবং আমি উদ্ধার পাব; আমি সব দিন তোমার বিধি ধ্যান করব।
[118] তুমি তাদের সকলকে অগ্রাহ্য করেছ, যারা তোমার বিধি ছেড়ে চলে গেছে; কারণ সেই সমস্ত লোকেরা প্রতারক এবং অবিশ্বস্ত।
[119] তুমি পৃথিবীর সমস্ত পাপীদেরকে মলের মত দূর করে থাক, এই জন্য আমি তোমরা ন্যায় বিধান ভালবাসি।
[120] তোমার ভয়ে আমার শরীর রোমাঞ্চিত হয়, তোমার শাসনকলাপে আমি ভীত। অয়িন।
[121] যা কিছু ন্যায্য এবং সঠিক আমি করি; আমাকে আমার উপদ্রবকারীদের হাতে ছেড়ে দিও না।
[122] তুমি তোমার দাসের মঙ্গল নিশ্চিত কর, অহঙ্কারীরা আমার ওপর উপদ্রব না করুক।
[123] তোমার পরিত্রানের অপেক্ষায় এবং তোমার ধর্মময় বাক্যের জন্য আমার চোখ ক্লান্ত হয়েছে।
[124] তোমার দাসকে তোমার চুক্তির বিশ্বস্ততা দেখাও এবং আমাকে তোমার বিধি শেখাও।
[125] আমি তোমার দাস, আমাকে বুদ্ধি দাও, যেন আমি তোমার নিয়মের আদেশগুলো জানতে পারি।
[126] সদাপ্রভুুর কাজ করবার দিন হল, কারণ লোকেরা তোমার ব্যবস্থা খণ্ডন করেছে।
[127] সত্যি আমি তোমার আদেশ সকল ভালবাসি, সোনার থেকেও, বিশুদ্ধ সোনার থেকেও ভালবাসি।
[128] এই জন্য আমি সাবধানে তোমার সমস্ত নির্দেশ অনুসরণ করি এবং আমি সমস্ত মিথ্যার পথ ঘৃণা করি। পে।
[129] তোমার নিয়মের আদেশ আশ্চর্য্য, এই জন্য আমি সেগুলো পালন করি।
[130] তোমার প্রকাশিত বাক্য আলো দান করে; তা সরলদের বুদ্ধি দান করে।
[131] আমি মুখ খুলে শ্বাস ফেলছিলাম, কারণ আমি তোমার আদেশগুলোর আকাঙ্খা করছিলাম।
[132] আমার দিকে ফের এবং আমায় দয়া কর, যেমন তুমি সব দিন করে থাক তাদের জন্য যারা তোমার নাম ভালবাসে।
[133] তোমার বাক্য দ্বারা আমার চরণকে পরিচালনা দাও; কোন পাপকে আমার উপরে কর্তৃত্ব করতে দিও না।
[134] মানুষের উপদ্রব থেকে আমাকে উদ্ধার কর, যাতে আমি তোমার নির্দেশগুলো পালন করতে পারি।
[135] তোমার দাসের ওপর তোমার মুখ উজ্জ্বল হোক এবং তোমার বিধি সকল আমাকে শেখাও।
[136] আমার চোখ থেকে জলধারা বইছে, কারণ লোকেরা তোমার ব্যবস্থা পালন করে না। সাদে।
[137] হে সদাপ্রভুু, তুমি ধার্মিক এবং তোমার আদেশ সকল ন্যায্য।
[138] তুমি তোমার নিয়মের আদেশ ধার্ম্মিকতায় এবং বিশ্বস্ততায় দিয়েছ।
[139] রাগ আমাকে ধ্বংস করেছে, কারণ আমার বিপক্ষেরা তোমার বাক্য সকল ভুলে গেছে।
[140] তোমার বাক্য খুবই পরীক্ষাসিদ্ধ এবং তোমার দাস তা ভালবাসে।
[141] আমি তুচ্ছ ও অবজ্ঞাত, তবুও আমি তোমার নির্দেশ সকল ভুলে যাই নি।
[142] তোমার ন্যায়বিচার চিরকাল সঠিক এবং তোমার ব্যবস্থা বিশ্বসনীয়।
[143] যদিও চরম দূর্দশা ও যন্ত্রণা আমাকে পেয়ে বসেছে, [তবুও] তোমার আদেশ সকল আমার আনন্দদায়ক।
[144] তোমার নিয়মের আদেশ চিরকাল ধর্মময়; আমাকে বুদ্ধি দাও, যাতে আমি বাঁচি।
[145] হে সদাপ্রভুু, আমি সমস্ত হৃদয় দিয়ে ডেকেছি; আমাকে উত্তর দাও, আমি তোমার বিধি পালন করব।
[146] আমি তোমাকে ডেকেছি; আমাকে রক্ষা কর এবং আমি তোমার নিয়মের আদেশ পালন করব।
[147] আমি ভোরের আগে উঠি এবং সাহায্যের জন্য চিত্কার করি, আমি তোমার বাক্যে সকলে আশা রাখি।
[148] আমার চোখ সারা রাত খোলা ছিল, যেন আমি তোমার বাক্য ধ্যান করতে পারি।
[149] তোমার চুক্তির বিশ্বস্ততা অনুসারে আমার রব শোন; হে সদাপ্রভুু, আমাকে জীবিত রাখ, যেমন তুমি প্রতিজ্ঞা করেছ তোমার ন্যায় বিধানে।
[150] যারা আমায় অত্যাচার করেছে তারা আমার কাছে আসছে; কিন্তু তারা তোমার ব্যবস্থা থেকে অনেক দূরে।
[151] হে সদাপ্রভুু, তুমিই নিকটবর্ত্তী এবং তোমার সমস্ত আদেশ বিশ্বস্ত।
[152] অনেক আগে আমি তোমার নিয়মের আদেশ জেনেছি, যা তুমি চিরকালের জন্য স্থাপন করেছ। রেশ।
[153] আমার দুঃখ দেখ এবং আমাকে সাহায্য কর, কারণ আমি তোমার ব্যবস্থা ভুলে যাই নি।
[154] আমার বিবাদ মেটাও এবং আমাকে মুক্ত কর, আমাকে জীবিত রাখ, যেমন তুমি তোমার বাক্যে প্রতিজ্ঞা করেছ।
[155] পরিত্রান পাপীদের থেকে দূরে, কারণ তারা তোমার বিধি সকল ভালবাসে না।
[156] হে সদাপ্রভুু, তোমার করুণার কার্য্য মহান; আমাকে জীবিত রাখ, যেমন তুমি সবদিন করে থাক।
[157] আমার তাড়নাকারী ও শত্রু অনেক, তবুও আমি তোমার নিয়মের আদেশ থেকে ফিরি নি।
[158] আমি বিশ্বাসঘাতকদেরকে ঘৃণা ভাবে দেখলাম, কারণ তারা তোমার বাক্য পালন করে না।
[159] দেখ, আমি তোমার নির্দেশগুলো কেমন ভালবাসি। সদাপ্রভুু, আমাকে জীবিত রাখ, যেমন তুমি তোমার চুক্তির বিশ্বস্ততায় প্রতিজ্ঞা করেছ।
[160] তোমার সমস্ত বাক্য সত্য, তোমার প্রত্যেকটি আদেশ চিরস্থায়ী। শিন।
[161] শাসকেরা অকারণে আমাকে অত্যাচার করেছে, আমার হৃদয় কাঁপে, তোমার বাক্যের অবাধ্য হতে ভয় লাগে।
[162] আমি তোমার বাক্যে আনন্দ করি, যেমন কেউ মহা লুট পেলে করে।
[163] আমি মিথ্যাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞা করি, কিন্তু আমি তোমার ব্যবস্থা ভালবাসি।
[164] আমি দিনের সাতবার তোমার প্রশংসা করি, তোমার ন্যায় বিধানের জন্য।
[165] যারা তোমার ব্যবস্থা ভালবাসে, তাদের মহা শান্তি; তাদের হোঁচট লাগে না।
[166] সদাপ্রভুু, আমি তোমার পরিত্রানের অপেক্ষা করছি এবং আমি তোমার আদেশের বাধ্য হয়েছি।
[167] আমি তোমার আদেশ পালন করেছি এবং আমি সেগুলো খুব ভালবাসি।
[168] আমি তোমার নির্দেশ ও আদেশ পালন করেছি; কারণ আমি যা কিছু করি তুমি তা জানো। তোঁ।
[169] সদাপ্রভুু, আমার আর্তনাদ তোমার কাছে উপস্থিত হোক, তোমার বাক্য অনুসারে আমাকে বুদ্ধি দাও।
[170] আমার বিনতি তোমার সামনে উপস্থিত হোক, যেমন তুমি তোমার বাক্যে প্রতিজ্ঞা করেছ, আমাকে সাহায্য কর।
[171] আমার ঠোঁট তোমার প্রশংসা করুক, কারণ তুমি আমাকে তোমার বিধি সকল শিক্ষা দিচ্ছ।
[172] আমার জিভ তোমার বাক্যের বিষয় গান করুক, কারণ তোমার সমস্ত আদেশ ন্যায্য।
[173] তোমার হাত আমায় সাহায্য করুক; কারণ আমি তোমার নির্দেশ মনোনীত করেছি।
[174] সদাপ্রভুু, আমি তোমার পরিত্রানের আকাঙ্খা করেছি এবং তোমার ব্যবস্থা আমার আনন্দ দায়ক।
[175] আমার জীবিত থাকি এবং তোমার গৌরব করি; তোমার ন্যায় বিধান আমায় সাহায্য করুক;
[176] আমি হারানো মেষের মত হয়েছি; তোমার দাসের অন্বেষণ কর; কারণ আমি তোমার আদেশ সকল ভুলে যাই নি।