Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 4:36

[1] এরপরে আমি দেখলাম চারজন স্বর্গদূত, তাঁরা পৃথিবীর চার কোণে দণ্ডায়মান এবং তাঁরা পৃথিবীর চার বায়ুকে পশ্চাৎ দিকে টেনে ধরে রেখেছেন, যেন ভূমিতে বা সমুদ্রে বা কোনো গাছের উপরে বাতাস প্রবাহিত না হয়।

[2] তারপর আমি আর একজন স্বর্গদূতকে পূর্বদিক থেকে আসতে দেখলাম, তাঁর কাছে ছিল জীবন্ত ঈশ্বরের সিলমোহর। তিনি সেই চার স্বর্গদূত, যাঁদের ভূমি ও সমুদ্রের অনিষ্ট করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল তাদের উদ্দেশে উচ্চস্বরে বললেন,

[3] “আমরা যে পর্যন্ত আমাদের ঈশ্বরের দাসদের কপালে সিলমোহরাঙ্কিত না করি, ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা ভূমির বা সমুদ্রের বা গাছগুলির কোনো অনিষ্ট কোরো না।”

[4] পরে আমি ওই সিলমোহরাঙ্কিত লোকদের সংখ্যার কথা শুনতে পেলাম। তারা ছিল ইস্রায়েলের সমস্ত গোষ্ঠীর 1,44,000 জন।

[5] যিহূদা গোষ্ঠী থেকে মোহরাঙ্কিত 12,000 জন, রূবেণ গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন, গাদ গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন,

[6] আশের গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন, নপ্তালি গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন, মনঃশি গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন,

[7] শিমিয়োন গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন, লেবি গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন, ইষাখর গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন,

[8] সবূলূন গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন, যোষেফ গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন, বিন্যামীন গোষ্ঠী থেকে 12,000 জন মোহরাঙ্কিত হল।

[9] এরপর আমি দৃষ্টিপাত করে আমার সামনে প্রত্যেক দেশের, গোষ্ঠীর, জাতির ও ভাষাভাষী লোকের এক বিশাল জনারণ্য দেখতে পেলাম। তাদের গণনা করার সামর্থ কারও নেই। তারা সেই সিংহাসন ও মেষশাবকের সামনে দাঁড়িয়েছিল। তারা ছিল শুভ্র বসন পরিহিত ও তাদের হাতে ছিল খেজুর পাতা।

[10] তারা উচ্চকণ্ঠে চিৎকার করে বলল, “পরিত্রাণ দান করার অধিকার সিংহাসনে উপবিষ্ট আমাদের ঈশ্বর ও মেষশাবকের অধিকারভুক্ত।”

[11] সব স্বর্গদূত সেই সিংহাসনের চারদিকে এবং সেই প্রাচীনবর্গের ও চারজন জীবন্ত প্রাণীর চারদিকে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা সেই সিংহাসনের সামনে অধোমুখে প্রণিপাত করে ঈশ্বরের উপাসনা করলেন,

[12] বললেন: “আমেন! প্রশংসা ও মহিমা এবং প্রজ্ঞা ও ধন্যবাদ ও সম্মান ও পরাক্রম ও শক্তি চিরকাল যুগে যুগে আমাদের ঈশ্বরেরই হোক। আমেন!”

[13] তখন প্রাচীনদের মধ্যে একজন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “শুভ্র বসন পরিহিত এই লোকেরা কারা এবং কোথা থেকে তারা এসেছে?”

[14] আমি উত্তর দিলাম, “মহামান্য, আপনিই তা জানেন।” তখন তিনি বললেন, “এরা সেই লোকেরা, যারা মহাসংকটকাল থেকে উত্তীর্ণ হয়ে এসেছে। তারা মেষশাবকের রক্তে তাদের পোশাক পরিষ্কৃত ও তা শুভ্র করছে।

[15] এই কারণে, “তারা ঈশ্বরের সিংহাসনের সামনে রয়েছে, আর তারা দিবারাত্র তাঁর মন্দিরে তাঁর সেবা করে। আর যিনি সিংহাসনে সমাসীন, তিনি তাদের আশ্রয় দেবেন।

[16] আর কখনও তারা ক্ষুধিত হবে না, আর তারা কখনও তৃষ্ণার্তও হবে না। সূর্যের প্রচণ্ড তাপ বা প্রখর উত্তাপ গায়ে লাগবে না তাদের।

[17] কারণ সিংহাসনের কেন্দ্রে স্থিত মেষশাবক তাদের পালক হবেন; তিনি তাদের জীবন্ত জলের উৎসের দিকে চালিত করবেন। আর ঈশ্বর তাদের চোখ থেকে প্রতিটি অশ্রু মুছিয়ে দেবেন।”

প্রকাশিত বাক্য — Chapters