Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 5:27

[1] যীশু খ্রীষ্টের প্রকাশিত বাক্য। ঈশ্বর তাঁকে তা দান করেছেন, যেন অতি সত্বর যা অবশ্যই ঘটতে চলেছে, তা তিনি তাঁর দাসদের দেখিয়ে দেন। তিনি তাঁর দাস যোহনের কাছে নিজের দূত প্রেরণ করে একথা জানালেন;

[2] সেই যোহন যা কিছু দেখেছিলেন, অর্থাৎ ঈশ্বরের বাক্য ও যীশু খ্রীষ্টের সাক্ষ্য সম্পর্কে সবকিছু সবিস্তারে সাক্ষ্য দিলেন।

[3] ধন্য সেই ব্যক্তি, যে এই ভাববাণীর বাক্যগুলি পাঠ করে এবং ধন্য তারাও, যারা তা শোনে ও তার মধ্যে যা লিখিত আছে, সেগুলি পালন করে, কারণ সময় আসন্ন।

[4] আমি যোহন, এশিয়া প্রদেশে অবস্থিত সপ্ত-মণ্ডলীর উদ্দেশে লিখছি, অনুগ্রহ ও শান্তি তোমাদের প্রতি সহবর্তী হোক, যিনি আছেন, যিনি ছিলেন ও যিনি আসছেন, তাঁর কাছ থেকে এবং তাঁর সিংহাসনের সম্মুখবর্তী সপ্ত-আত্মা থেকে

[5] এবং সেই যীশু খ্রীষ্ট থেকে যিনি বিশ্বস্ত সাক্ষী, মৃতলোক থেকে প্রথমজাত ও পৃথিবীর রাজাদের শাসক। যিনি আমাদের ভালোবাসেন এবং যিনি তাঁর রক্তে আমাদের পাপসমূহ থেকে আমাদের মুক্ত করেছেন,

[6] এবং তাঁর ঈশ্বর ও পিতার সেবা করার জন্য আমাদের এক রাজ্যস্বরূপ ও যাজকসমাজ করেছেন, তাঁরই মহিমা ও পরাক্রম যুগে যুগে চিরকাল হোক! আমেন।

[7] দেখো, তিনি মেঘবাহনে আসছেন, এবং প্রত্যেক চোখ তাঁকে দেখতে পাবে, এমনকি, যারা তাঁকে বিদ্ধ করেছিল, তারাও দেখবে; আর পৃথিবীর সমস্ত জাতি তাঁর জন্য বিলাপ করবে। হ্যাঁ, সেইরকমই হবে! আমেন।

[8] প্রভু ঈশ্বর বলেন, “আমি আলফা ও ওমেগা আদি ও অন্ত, সেই সর্বশক্তিমান যিনি আছেন ও যিনি ছিলেন ও যিনি আসছেন।”

[9] তোমাদের ভাই আমি যোহন, যিনি কষ্টভোগে, ঐশ-রাজ্যে ও ঐশ যীশুতে আমাদের যে ধৈর্যশীল সহিষ্ণুতা, তার অংশীদার হিসেবে, ঈশ্বরের বাক্য ও যীশুর সাক্ষ্যের কারণে আমি পাটম দ্বীপে ছিলাম।

[10] প্রভুর দিনে আমি পবিত্র আত্মায় আবিষ্ট ছিলাম, আর তখন আমার পশ্চাৎতে তূরীধ্বনির মতো এক উচ্চ কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম।

[11] কেউ আমাকে বললেন, “তুমি সেই কণ্ঠস্বর একটি পুঁথিতে লিপিবদ্ধ করো এবং ইফিষ, স্মূর্ণা, পর্গাম, থুয়াতীরা, সার্দি, ফিলাদেলফিয়া ও লায়োদেকিয়া, এই সাতটি মণ্ডলীর কাছে পাঠিয়ে দাও।”

[12] যে কণ্ঠস্বর আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন, তাঁকে দেখার জন্য আমি পশ্চাৎ দিকে ফিরে তাকালাম। আর আমি দেখলাম, সাতটি সোনার দীপাধার,

[13] ও দীপাধারগুলির মধ্যে “মনুষ্যপুত্রের সদৃশ” এক ব্যক্তি, তাঁর দু পা লম্বা আলখাল্লায় আবৃত ও তাঁর বুকে জড়ানো সোনার এক বন্ধনী।

[14] তাঁর মাথা ও চুল ছিল শুক্ল পশম, এমনকি, তুষারের মতো শ্বেতশুভ্র এবং তাঁর চোখ-দুটি ছিল লেলিহান অগ্নিশিখার মতো।

[15] তাঁর দু পা ছিল চুল্লিতে পরিষ্কৃত পিতলের মতো ঝকঝকে ও তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল প্রবহমান মহা জলকল্লোলের মতো।

[16] ডান হাতে তিনি ধারণ করে আছেন সাতটি তারা ও তাঁর মুখ দিয়ে বার হয়ে এসেছে দুদিকে ধারবিশিষ্ট এক তরোয়াল। তাঁর মুখমণ্ডল ছিল পূর্ণ দীপ্তিতে উদ্ভাসিত সূর্যের মতো।

[17] তাঁকে দেখামাত্র আমি মৃত মানুষের মতো তাঁর চরণে পতিত হলাম। তখন তিনি তাঁর ডান হাত আমার উপরে রেখে বললেন, “ভয় পেয়ো না, আমিই আদি ও অন্ত।

[18] আমিই সেই জীবিত সত্তা। আমার মৃত্যু হয়েছিল, আর দেখো, আমি যুগে যুগে চিরকাল জীবিত আছি! আর মৃত্যু ও পাতালের চাবিগুলি আমারই হাতে আছে।

[19] “অতএব, তুমি যা কিছু দেখলে, এখন যা কিছু ঘটছে ও পরে যেসব ঘটনা ঘটবে, তা লিখে ফেলো।

[20] আমার ডান হাতে যে সাতটি তারা ও যে সাতটি সোনার দীপাধার তুমি দেখলে, তার গুপ্তরহস্য এই: ওই সাতটি তারা সাতটি মণ্ডলীর দূত এবং সাতটি দীপাধার হল সেই সাতটি মণ্ডলী।

প্রকাশিত বাক্য — Chapters