Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 2:23

[1] আমি স্বর্গে আর একটি মহৎ ও বিস্ময়কর চিহ্ন দেখতে পেলাম: সাতজন স্বর্গদূত সাতটি অন্তিম বিপর্যয় নিয়ে আসছেন। অন্তিম, কারণ এগুলির সঙ্গেই ঈশ্বরের ক্রোধের অবসান হবে।

[2] আর আমি দেখলাম, যেন আগুন-মেশানো এক গনগনে কাচময় সমুদ্র, আর সেই সমুদ্রের পাশে দাঁড়িয়ে আছে সেইসব মানুষ, যারা সেই পশুর ও তার মূর্তির ও তার নামের সংখ্যার উপরে বিজয়ী হয়েছে। তাদের হাতে আছে ঈশ্বরের দেওয়া বীণা।

[3] তারা ঈশ্বরের দাস মোশির গীত ও মেষশাবকের গীত গাইছেন: “প্রভু ঈশ্বর, সর্বশক্তিমান, মহৎ ও বিস্ময়কর তোমার কর্মসকল; যুগপর্যায়ের রাজন, ন্যায়সঙ্গত ও সত্য তোমার যত পথ।

[4] ও প্রভু, কে না তোমাকে ভয় করবে ও তোমার নামের মহিমা করবে? কারণ কেবলমাত্র তুমিই পবিত্র। সর্বজাতি এসে তোমার সামনে উপাসনা করবে, কারণ তোমার ধর্মময় ক্রিয়াকলাপ প্রকাশিত হয়েছে।”

[5] এরপরে আমি দৃষ্টিপাত করলাম, স্বর্গের মন্দির, অর্থাৎ সেই সাক্ষ্য-তাঁবু খুলে দেওয়া হল।

[6] সেই মন্দির থেকে সাতটি বিপর্যয় নিয়ে বেরিয়ে এলেন সাতজন স্বর্গদূত। তাঁরা পরিষ্কার ও উজ্জ্বল মসিনার পোশাক পরিহিত এবং তাঁদের বক্ষস্থল ঘিরে ছিল সোনার বন্ধনী।

[7] তখন সেই চারজন জীবন্ত প্রাণীর একজন, যুগে যুগে চিরজীবী ঈশ্বরের ক্রোধে পরিপূর্ণ সাতটি সোনার বাটি, সেই সাতজন স্বর্গদূতকে দিলেন।

[8] আর সেই মন্দির ঈশ্বরের গরিমা থেকে ও তাঁর পরাক্রম থেকে উৎপন্ন ধোঁয়ায় পূর্ণ হল, আর ওই সাতজন স্বর্গদূতের সাতটি বিপর্যয় সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কেউই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারল না।

প্রকাশিত বাক্য — Chapters