[1] ইষাখরের ছেলেরা: তোলয়, পূয়, যাশূব ও শিম্রোণ—মোট চারজন।
[2] তোলয়ের ছেলেরা: উষি, রফায়, যিরীয়েল, যহময়, যিবসম ও শমূয়েল—তাঁদের পরিবারের কর্তা। দাউদের রাজত্বকালে, তোলয়ের যেসব বংশধর তাদের বংশতালিকানুসারে যোদ্ধারূপে নথিভুক্ত হল, তাদের সংখ্যা 22,600 জন।
[3] উষির ছেলে: যিষ্রাহিয়। যিষ্রাহিয়ের ছেলেরা: মীখায়েল, ওবদিয়, যোয়েল ও যিশিয়। এই পাঁচজনই প্রধান ছিলেন।
[4] তাঁদের পারিবারিক বংশতালিকানুসারে, তাঁদের কাছে 36,000 জন লোক যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত ছিল, কারণ তাঁদের অনেকগুলি স্ত্রী ও সন্তানসন্ততি ছিল।
[5] ইষাখরের সব বংশোদ্ভুক্ত যেসব আত্মীয়স্বজন তাদের বংশতালিকানুসারে যোদ্ধারূপে নথিভুক্ত হল, তাদের সংখ্যা মোট 87,000 জন।
[6] বিন্যামীনের ছেলেরা তিনজন: বেলা, বেখর ও যিদীয়েল।
[7] বেলার ছেলেরা: ইষবোণ, উষি, উষীয়েল, যিরেমৎ ও ঈরী। এঁরা পরিবারগুলির কর্তা—মোট পাঁচজন। তাঁদের বংশতালিকায় 22,034 জন যোদ্ধা নথিভুক্ত হল।
[8] বেখরের ছেলেরা: সমীরা, যোয়াশ, ইলীয়েষর, ইলীয়ৈনয়, অম্রি, যিরেমোৎ, অবিয়, অনাথোৎ ও আলেমৎ। এঁরা সবাই বেখরের ছেলে।
[9] তাঁদের বংশতালিকায় 20,200 জন যোদ্ধা নথিভুক্ত হল।
[10] যিদীয়েলের ছেলে: বিলহন। বিলহনের ছেলেরা: যিয়ূশ, বিন্যামীন, এহূদ, কানান্না, সেথন, তর্শীশ ও অহীশহর।
[11] যিদীয়েলের এইসব ছেলে পরিবারের কর্তা ছিলেন। 17,200 জন যোদ্ধা যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল।
[12] শুপ্পিমীয় ও হুপ্পিমীয়রা ঈরের বংশধর, এবং হূশীয়রা অহেরের বংশধর।
[13] নপ্তালির ছেলেরা: যহসিয়েল, গূনি, যেৎসর ও শিল্লেম—এঁরা বিলহার বংশধর।
[14] মনঃশির বংশধরেরা: তাঁর আরামীয় উপপত্নীর মাধ্যমে উৎপন্ন বংশধর অস্রীয়েল। সেই উপপত্নী গিলিয়দের বাবা মাখীরকেও গর্ভে ধারণ করল।
[15] মাখীর হুপ্পিমীয় ও শুপ্পিমীয়দের মধ্যে থেকেই একজনকে স্ত্রী করে নিয়েছিলেন। তাঁর বোনের নাম মাখা। অন্য একজন বংশধরের নাম সলফাদ, যাঁর শুধু মেয়েই ছিল।
[16] মাখীরের স্ত্রী মাখা এক ছেলের জন্ম দিলেন ও তাঁর নাম রেখেছিলেন পেরশ। তাঁর ভাইয়ের নাম রাখা হল শেরশ, এবং তাঁর ছেলেদের নাম ঊলম ও রেকম।
[17] ঊলমের ছেলে: বদান। মনঃশির ছেলে মাখীর, তার ছেলে গিলিয়দ, এরা তার ছেলে।
[18] তাঁর বোন হম্মোলেকত ঈশ্হোদ, অবীয়েষর ও মহলাকে জন্ম দিলেন।
[19] শমীদার ছেলেরা: অহিয়ন, শেখম, লিকহি ও অনীয়াম।
[20] ইফ্রয়িমের বংশধরেরা: শূথেলহ, তাঁর ছেলে বেরদ, তাঁর ছেলে তহৎ, তাঁর ছেলে ইলিয়াদা, তাঁর ছেলে তহৎ,
[21] তাঁর ছেলে সাবদ এবং তাঁর ছেলে শূথেলহ। (জন্মসূত্রে যারা গাত দেশীয় লোক ছিল, তাদের গবাদি পশুপাল দখল করতে গিয়ে এৎসর ও ইলিয়াদা তাদের হাতেই নিহত হলেন।
[22] তাঁদের বাবা ইফ্রয়িম অনেক দিন ধরে তাঁদের জন্য শোক করলেন, এবং তাঁর আত্মীয়স্বজন তাঁকে সান্তনা দিতে এসেছিল।
[23] পরে আরেকবার তিনি তাঁর স্ত্রীর সাথে সহবাস করলেন: ও তাঁর স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে এক ছেলের জন্ম দিলেন। ইফ্রয়িম তাঁর নাম রেখেছিলেন বরিয়, কারণ তাঁর পরিবারে অমঙ্গল নেমে এসেছিল।
[24] তাঁর মেয়ের নাম শীরা, যিনি নিম্নতর ও উচ্চতর বেথ-হোরোণ তথা উষেণ-শীরা গেঁথে তুলেছিলেন)
[25] তাঁর ছেলে ছিলেন রেফহ, তাঁর ছেলে রেশফ, তাঁর ছেলে তেলহ, তাঁর ছেলে তহন,
[26] তাঁর ছেলে লাদন, তাঁর ছেলে অম্মীহূদ, তাঁর ছেলে ইলীশামা,
[27] তাঁর ছেলে নূন এবং তাঁর ছেলে যিহোশূয়।
[28] তাঁদের জমিস্থান ও উপনিবেশে বেথেল ও তার চারপাশের গ্রামগুলি যুক্ত ছিল, পূর্বদিকে ছিল নারণ, পশ্চিমদিকে ছিল গেষর ও তার কাছাকাছি থাকা গ্রামগুলি, এবং শিখিম ও সেখানকার গ্রামগুলি থেকে শুরু করে সুদূর অয়া ও সেখানকার গ্রামগুলি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁদের জমিজায়গা।
[29] মনঃশির সীমানা বরাবর ছিল বেথ-শান, তানক, মগিদ্দো ও দোর তথা সেই নগরগুলির সঙ্গে থাকা গ্রামগুলি। ইস্রায়েলের ছেলে যোষেফের বংশধরেরা এইসব নগরে বসবাস করত।
[30] আশেরের ছেলেরা: যিম্ন, যিশ্বা, যিশ্বী ও বরিয়। সেরহ ছিলেন তাঁদের বোন।
[31] বরিয়ের ছেলেরা: হেবর ও মল্কীয়েল, যিনি বির্ষোতের বাবা।
[32] হেবর যফলেট, শোমের ও হোথমের এবং তাঁদের বোন শূয়ার বাবা।
[33] যফলেটের ছেলেরা: পাসক, বিমহল ও অশ্বৎ। এঁরাই যফলেটের ছেলেসন্তান।
[34] শেমরের ছেলেরা: অহি, রোগহ, যিহুব্ব ও অরাম।
[35] তাঁর ভাই হেলমের ছেলেরা: শোফহ, যিম্ন, শেলশ ও আমল।
[36] শোফহের ছেলেরা: সূহ, হর্ণেফর, শূয়াল, বেরী, যিম্র,
[37] বেৎসর, হোদ, শম্ম, শিলশ, যিত্রণ ও বেরা।
[38] যেথরের ছেলেরা: যিফুন্নি, পিস্প ও অরা।
[39] উল্লের ছেলেরা: আরহ, হন্নীয়েল ও রিৎসিয়।
[40] এঁরা সবাই আশেরের বংশধর—পরিবারের কর্তা, বাছাই করা লোকজন, সাহসী যোদ্ধা ও অসামান্য নেতা। তাঁদের বংশতালিকায় যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত 26,000 জন যোদ্ধা নথিভুক্ত হল।