Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 6:27

[1] ইস্রায়েলের বড় ছেলে রূবেণের ছেলেরা: (তিনি বড় ছেলে ছিলেন, কিন্তু যখন তিনি তাঁর বাবার বিবাহ-শয্যা কলুষিত করলেন, তখন তাঁর বড়াধিকার ইস্রায়েলের ছেলে যোষেফের ছেলেদের দিয়ে দেওয়া হল; তাই তাঁর জন্মগত অধিকারের আধারে তিনি বংশতালিকায় স্থান পাননি,

[2] এবং যদিও যিহূদা তাঁর দাদা-ভাইদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ছিলেন ও তাঁর থেকেই একজন শাসনকর্তা উৎপন্ন হলেন, জেষ্ঠাধিকার কিন্তু যোষেফেরই থেকে গেল)

[3] ইস্রায়েলের বড় ছেলে রূবেণের ছেলেরা: হনোক, পল্লু, হিষ্রোণ ও কর্মী।

[4] যোয়েলের বংশধরেরা: তাঁর ছেলে শিময়িয়, তাঁর ছেলে গোগ, তাঁর ছেলে শিমিয়ি,

[5] তাঁর ছেলে মীখা, তাঁর ছেলে রায়া, তাঁর ছেলে বায়াল,

[6] এবং তাঁর ছেলে বেরা, যাঁকে আসিরিয়ার রাজা তিগ্লৎ-পিলেষর বন্দি করে নিয়ে গেলেন। বেরা রূবেণীয়দের একজন নেতা ছিলেন।

[7] বংশানুসারে তাঁদের আত্মীয়স্বজন, যাঁরা তাঁদের বংশ-তালিকার আধারে নথিভুক্ত হলেন: দলনেতা যিয়ীয়েল, সখরিয়,

[8] ও যোয়েলের ছেলে শেমা, তার ছেলে আসস, তার ছেলে বেলা। তাঁরা অরোয়ের থেকে নেবো ও বায়াল-মিয়োন পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় বসতি স্থাপন করলেন।

[9] পূর্বদিকে তাঁরা সেই মরুভূমির প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা দখল করলেন, যা ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, কারণ গিলিয়দে তাঁদের পশুপাল বৃদ্ধি পেয়েছিল।

[10] শৌলের রাজত্বকালে তাঁরা সেই হাগরীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হলেন, যারা তাঁদের হাতে পরাজিত হল; গিলিয়দের পূর্বদিকে গোটা এলাকা জুড়ে তাঁরা হাগরীয়দের বাসস্থানগুলি দখল করে নিয়েছিলেন।

[11] গাদ বংশীয় লোকেরা তাঁদের পাশাপাশি থেকে সল্‌খা পর্যন্ত বাশনে বসবাস করলেন:

[12] তাঁদের দলপতি ছিলেন যোয়েল, দ্বিতীয়জন শাফম, পরে যানয় ও শাফট, যাঁরা বাশনে ছিলেন।

[13] পরিবার ধরে ধরে তাঁদের আত্মীয়স্বজন হলেন: মীখায়েল, মশুল্লম, শেবা, যোরায়, যাকন, সীয় ও এবর—মোট সাতজন।

[14] এঁরা হলেন বূষের ছেলে যহদোর, তার ছেলে যিশীশয়, তার ছেলে মীখায়েল, তার ছেলে গিলিয়দ, তার ছেলে যারোহ, তার ছেলে হূরি, তার ছেলে যে অবীহয়িল, এরা সব তাঁর ছেলে।

[15] গূনির ছেলে অব্দিয়েল, তার ছেলে অহি, তাঁদের পরিবারের কর্তা ছিলেন।

[16] গাদ বংশীয় লোকেরা গিলিয়দে, বাশনে ও সেখানকার প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে, ও শারোণের সব চারণভূমি পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করতেন।

[17] যিহূদার রাজা যোথম ও ইস্রায়েলের রাজা যারবিয়ামের রাজত্বকালেই এঁরা সবাই বংশতালিকায় ঢুকে পড়েছিলেন।

[18] রূবেণীয়, গাদীয় ও মনঃশির অর্ধেক বংশে 44,760 জন সামরিক পরিষেবার জন্য প্রস্তুত ছিল—যারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ছিল এবং ঢাল ও তরোয়াল চালাতে পারত, ধনুক ব্যবহার করতে পারত, ও যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষিতও ছিল।

[19] তারা হাগরীয়দের, যিটূরের, নাফীশের ও নোদবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হল।

[20] এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় তারা সাহায্য পেয়েছিল, এবং ঈশ্বর হাগরীয় ও তাদের মিত্রশক্তিকে তাদের হাতে সঁপে দিলেন, কারণ যুদ্ধ চলার সময় তারা তাঁর কাছে কেঁদেছিল। তিনি তাদের প্রার্থনার উত্তর দিলেন, যেহেতু তারা তাঁর উপর ভরসা রেখেছিল।

[21] তারা হাগরীয়দের গবাদি পশুপাল দখল করে নিয়েছিল: 50,000 টি উট, 2,50,000 টি মেষ ও 2,000 টি গাধা। তারা 1,00,000 লোককেও বন্দি করল,

[22] এবং আরও অনেকে মারা পড়েছিল, কারণ যুদ্ধটি ঈশ্বরেরই ছিল। এবং নির্বাসনকাল পর্যন্ত তারা দেশটি অধিকার করেই থেকে গেল।

[23] মনঃশির অর্ধেক বংশের লোকেরা সংখ্যায় প্রচুর ছিল; তারা সেই দেশে বাশন থেকে বায়াল-হর্মোণ, অর্থাৎ সনীর (হর্মোণ পাহাড়) পর্যন্ত বসতি স্থাপন করল।

[24] এঁরাই তাদের পরিবারের কর্তা ছিলেন: এফর, যিশী, ইলীয়েল: অস্রীয়েল, যিরমিয়, হোদবিয় ও যহদীয়েল। তাঁরা সাহসী যোদ্ধা, বিখ্যাত পুরুষ, ও তাঁদের পরিবারের কর্তা ছিলেন।

[25] কিন্তু তাঁরা তাঁদের পূর্বপুরুষদের ঈশ্বরের প্রতি অবিশ্বস্ত হলেন এবং তাঁরা দেশের লোকজনেদের সেইসব দেবতার উদ্দেশে বেশ্যাবৃত্তি চালিয়েছিলেন, ঈশ্বর যাদের তাঁদের সামনেই ধ্বংস করে দিলেন।

[26] অতএব ইস্রায়েলের ঈশ্বর আসিরিয়ার রাজা সেই পূলের (অর্থাৎ, আসিরিয়ার রাজা তিগ্লৎ-পিলেষরের) মন উত্তেজিত করে তুলেছিলেন, যিনি রূবেণীয়দের, গাদীয়দের ও মনঃশির অর্ধেক বংশকে বন্দি করে নিয়ে গেলেন। তিনি তাদের সেই হেলহে, হাবোরে, হারাতে ও গোষণ নদীতীরে নিয়ে গেলেন, আজও পর্যন্ত তারা যেখানে রয়ে গিয়েছে।

1 বংশাবলি — Chapters