[1] এগুলিই হল হারোণের বংশধরদের বিভিন্ন বিভাগ: হারোণের ছেলেরা হলেন নাদব, অবীহূ, ইলীয়াসর ও ঈথামর।
[2] কিন্তু নাদব ও অবীহূ তাদের বাবা মারা যাওয়ার আগেই মারা গেল, এবং তাদের কোনো ছেলে ছিল না; তাই ইলীয়াসর ও ঈথামর যাজকের দায়িত্ব পালন করলেন।
[3] ইলিয়াসরের এক বংশধর সাদোকের ও ঈথামরের এক বংশধর অহীমেলকের সাহায্য নিয়ে দাউদ যাজকদের নিরূপিত পরিচর্যার ক্রমানুসারে তাঁদের কয়েকটি বিভাগে বিভক্ত করে দিলেন।
[4] ঈথামরের বংশধরদের তুলনায় ইলিয়াসরের বংশধরদের মধ্যেই বেশি সংখ্যায় নেতা খুঁজে পাওয়া গেল, এবং তাঁদের সেভাবেই বিভক্ত করা হল: ইলিয়াসরের বংশধরদের মধ্যে থেকে ষোলো জনকে ও ঈথামরের বংশধরদের মধ্যে থেকে আট জনকে বংশের কর্তাব্যক্তি করা হল।
[5] গুটিকাপাত করে নিরপেক্ষভাবেই তাঁরা তাঁদের বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত করলেন, কারণ ইলীয়াসর ও ঈথামর, দুজনেরই বংশধরদের মধ্যে থেকে অনেকে পীঠস্থানের ও ঈশ্বরের কর্মকর্তা হলেন।
[6] নথনেলের ছেলে লেবীয় শাস্ত্রবিদ শময়িয় মহারাজের ও এইসব কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁদের নামগুলি নথিভুক্ত করলেন: সেই কর্মকর্তারা হলেন যাজক সাদোক, অবিয়াথরের ছেলে অহীমেলক এবং যাজকদের ও লেবীয়দের বিভিন্ন গোষ্ঠীর কয়েকজন কর্তাব্যক্তি—একবার ইলিয়াসরের বংশ থেকে একজনকে, পরে ঈথামরের বংশ থেকে অন্য একজনকে তিনি নথিভুক্ত করলেন।
[7] গুটিকাপাতে প্রথম দানটি পড়েছিল যিহোয়ারীবের নামে, দ্বিতীয়টি পড়েছিল যিদয়িয়ের নামে,
[8] তৃতীয়টি পড়েছিল হারীমের নামে, চতুর্থটি পড়েছিল সিয়োরীমের নামে,
[9] পঞ্চমটি পড়েছিল মল্কিয়ের নামে, ষষ্ঠটি পড়েছিল মিয়ামীনের নামে,
[10] সপ্তমটি পড়েছিল হক্কোষের নামে, অষ্টমটি পড়েছিল অবিয়ের নামে,
[11] নবমটি পড়েছিল যেশূয়ের নামে, দশমটি পড়েছিল শখনিয়ের নামে,
[12] একাদশতমটি পড়েছিল ইলীয়াশীবের নামে, দ্বাদশতমটি পড়েছিল যাকীমের নামে,
[13] ত্রয়োদশতমটি পড়েছিল হুপ্পের নামে, চতুর্দশতমটি পড়েছিল যেশবাবের নামে,
[14] পঞ্চদশতমটি পড়েছিল বিলগার নামে, ষোড়শতমটি পড়েছিল ইম্মেরের নামে,
[15] সপ্তদশতমটি পড়েছিল হেষীরের নামে, অষ্টদশতমটি পড়েছিল হপ্পিসেসের নামে,
[16] উনবিংশতিতমটি পড়েছিল পথাহিয়ের নামে, বিংশতিতমটি পড়েছিল যিহিষ্কেলের নামে,
[17] একবিংশতিতমটি পড়েছিল যাখীনের নামে, দ্বাবিংশতিতমটি পড়েছিল গামূলের নামে,
[18] ত্রয়োবিংশতিতমটি পড়েছিল দলায়ের নামে, এবং চতুর্বিংশতিতমটি পড়েছিল মাসিয়ের নামে।
[19] ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভুর আদেশানুসারে তাঁদের পূর্বপুরুষ হারোণ তাঁদের জন্য যে নিয়মকানুন ঠিক করে দিলেন, তার আধারে যখন তাঁরা সদাপ্রভুর মন্দিরে প্রবেশ করতেন তখন তাঁরা পরিচর্যার এই ক্রমই অনুসরণ করতেন।
[20] লেবির অবশিষ্ট বংশধরদের কথা: অম্রামের ছেলেদের মধ্যে থেকে: শবূয়েল; শবূয়েলের ছেলেদের মধ্যে থেকে: যেহদিয়।
[21] রহবিয়ের কথা, তাঁর ছেলেদের মধ্যে থেকে: প্রথমজন যিশিয়।
[22] যিষ্হরীয়দের মধ্যে থেকে: শলোমীত; শলোমীতের ছেলেদের মধ্যে থেকে: যহৎ।
[23] হিব্রোণের ছেলেরা: প্রথমজন যিরিয়, দ্বিতীয়জন অমরিয়, তৃতীয়জন যহসীয়েল ও চতুর্থজন যিকমিয়াম।
[24] উষীয়েলের ছেলেরা: মীখা; মীখার ছেলেদের মধ্যে থেকে: শামীর।
[25] মীখার ভাই: যিশিয়; যিশিয়ের ছেলেদের মধ্যে থেকে: সখরিয়।
[26] মরারির ছেলেরা: মহলি ও মূশি। যাসিয়ের ছেলে: বিনো।
[27] মরারির ছেলেরা: যাসিয় থেকে উৎপন্ন: বিনো, শোহম, শক্কুর ও ইব্রি।
[28] মহলি থেকে উৎপন্ন: ইলিয়াসর, যাঁর কোনও ছেলে ছিল না।
[29] কীশ থেকে উৎপন্ন: কীশের ছেলে: যিরহমেল।
[30] মূশির ছেলেরা: মহলি, এদর ও যিরেমোৎ। তাঁদের বংশানুসারে এঁরাই হলেন সেই লেবীয়েরা।
[31] তাঁরাও তাঁদের আত্মীয়স্বজন তথা হারোণের বংশধরদের মতো রাজা দাউদের এবং সাদোক, অহীমেলক এবং যাজক ও লেবীয় বংশের কর্তাব্যক্তিদের উপস্থিতিতে গুটিকাপাত করলেন। বড় ভাইয়ের হোক কি ছোট ভাইয়ের, প্রত্যেক বংশের প্রতিই সম-আচরণ করা হল।