[1] ইস্রায়েলের ছেলেরা হলেন: রূবেণ, শিমিয়োন, লেবি, যিহূদা, ইষাখর, সবূলূন,
[2] দান, যোষেফ, বিন্যামীন, নপ্তালি, গাদ এবং আশের।
[3] যিহূদার ছেলেরা: এর, ওনন এবং শেলা। তাঁর এই তিন ছেলে এমন এক কনানীয়া মহিলার গর্ভে জন্মেছিল, যিনি শূয়ার মেয়ে ছিলেন। যিহূদার বড় ছেলে এর সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে দুষ্ট প্রতিপন্ন হল; তাই সদাপ্রভু তাকে মেরে ফেলেছিলেন।
[4] যিহূদার পুত্রবধূ তামর যিহূদার ঔরসে পেরস ও সেরহকে জন্ম দিলেন। যিহূদার ছেলেদের সংখ্যা মোট পাঁচজন।
[5] পেরসের ছেলেরা: হিষ্রোণ এবং হামূল।
[6] সেরহের ছেলেরা: সিম্রি, এথন, হেমন, কলকোল এবং দার্দা—মোট পাঁচজন।
[7] কর্মির ছেলে: আখর, যে উৎসর্গীকৃত বস্তুগুলি নেওয়ার উপর যে নিষেধাজ্ঞা বজায় ছিল, তা লঙ্ঘন করার মাধ্যমে ইস্রায়েলের ক্ষেত্রে সমস্যা উৎপন্ন করল।
[8] এথনের ছেলে: অসরিয়।
[9] হিষ্রোণের যে ছেলেরা জন্মেছিলেন, তাঁরা হলেন: যিরহমেল, রাম এবং কালেব।
[10] রাম অম্মীনাদবের বাবা ছিলেন, এবং অম্মীনাদব সেই নহশোনের বাবা ছিলেন, যিনি যিহূদা বংশের নেতা ছিলেন।
[11] নহশোন সল্মনের বাবা ছিলেন, সল্মন ছিলেন বোয়সের বাবা,
[12] বোয়স ছিলেন ওবেদের বাবা এবং ওবেদ ছিলেন যিশয়ের বাবা।
[13] যিশয় তাঁর বড় ছেলে ইলীয়াবের বাবা ছিলেন; তাঁর দ্বিতীয় ছেলে অবীনাদব, তৃতীয়জন শম্ম,
[14] চতুর্থজন নথনেল, পঞ্চমজন রদ্দয়,
[15] ষষ্ঠজন ওৎসম এবং সপ্তমজন দাউদ।
[16] তাঁদের বোনেরা হলেন সরূয়া এবং অবীগল। সরূয়ার তিন ছেলে হলেন অবীশয়, যোয়াব এবং অসাহেল।
[17] অবীগল হলেন সেই অমাসার মা, যাঁর বাবা হলেন ইশ্মায়েলীয় যেথর।
[18] হিষ্রোণের ছেলে কালেব তাঁর স্ত্রী অসূবার দ্বারা (এবং যিরিয়োতের দ্বারা) সন্তান লাভ করলেন। অসূবার ছেলেরা হলেন: যেশর, শোবব এবং অর্দোন।
[19] অসূবা মারা যাওয়ার পর কালেব সেই ইফ্রাথাকে বিয়ে করলেন, যিনি তাঁর ঔরসে হূরকে জন্ম দিলেন।
[20] হূর ঊরির বাবা ছিলেন, এবং ঊরি ছিলেন বৎসলেলের বাবা।
[21] পরে হিষ্রোণের বয়স যখন ষাট বছর, তখন তিনি গিলিয়দের বাবা মাখীরের মেয়েকে বিয়ে করলেন। তিনি তাঁর সাথে সহবাস করলেন, এবং তাঁর স্ত্রী তাঁর ঔরসে সগূবকে জন্ম দিলেন।
[22] সগূব সেই যায়ীরের বাবা, যিনি গিলিয়দে তেইশটি নগরকে নিয়ন্ত্রণ করতেন।
[23] (কিন্তু গশূর ও আরাম হবৎ-যায়ীর দখল করে নিয়েছিল, এছাড়াও তারা কনাৎ ও সেটির পার্শ্ববর্তী উপনিবেশগুলিও—অর্থাৎ ষাটটি নগর দখল করে নিয়েছিল) এরা সবাই গিলিয়দের বাবা মাখীরের বংশধর।
[24] কালেব-ইফ্রাথায় হিষ্রোণ মারা যাওয়ার পর হিষ্রোণের স্ত্রী অবিয়া তাঁর ঔরসে তকোয়ের বাবা অস্হূরকে জন্ম দিলেন।
[25] হিষ্রোণের বড় ছেলে যিরহমেলের ছেলেরা: তাঁর বড় ছেলে রাম, পরে যথাক্রমে বূনা, ওরণ, ওৎসম ও অহিয়।
[26] যিরহমেলের অন্য আর এক স্ত্রীও ছিলেন, যাঁর নাম অটারা; তিনি ওনমের মা।
[27] যিরহমেলের বড় ছেলে রামের ছেলেরা: মাষ, যামীন ও একর।
[28] ওনমের ছেলেরা: শম্ময় ও যাদা। শম্ময়ের ছেলেরা: নাদব ও অবীশূর।
[29] অবীশূরের স্ত্রীর নাম অবীহয়িল, যিনি তাঁর ঔরসে অহবান ও মোলীদকে জন্ম দিলেন।
[30] নাদবের ছেলেরা: সেলদ ও অপ্পয়িম। সেলদ নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেলেন।
[31] অপ্পয়িমের ছেলে: যিশী, যিনি শেশনের বাবা। শেশন অহলয়ের বাবা।
[32] শম্ময়ের ভাই যাদার ছেলেরা: যেথর ও যোনাথন। যেথর নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেলেন।
[33] যোনাথনের ছেলেরা: পেলৎ ও সাসা। এঁরাই হলেন যিরহমেলের বংশধর।
[34] শেশনের কোনও ছেলে ছিল না—ছিল শুধু কয়েকটি মেয়ে। যার্হা নামে তাঁর মিশরীয় এক দাস ছিল।
[35] শেশন তাঁর মেয়ের সাথে তাঁর দাস যার্হার বিয়ে দিলেন, এবং তিনি যার্থার ঔরসে অত্তয়ের জন্ম দিলেন।
[36] অত্তয় নাথনের বাবা, নাথন সাবদের বাবা,
[37] সাবদ ইফললের বাবা, ইফলল ওবেদের বাবা,
[38] ওবেদ যেহূর বাবা, যেহূ অসরিয়র বাবা,
[39] অসরিয় হেলসের বাবা, হেলস ইলীয়াসার বাবা,
[40] ইলীয়াসা সিসময়ের বাবা, সিসময় শল্লুমের বাবা,
[41] শল্লুম যিকমিয়ের বাবা, এবং যিকমিয় ইলীশামার বাবা।
[42] যিরহমেলের ভাই কালেবের ছেলেরা: তাঁর বড় ছেলে মেশা, যিনি সীফের বাবা, এবং তাঁর ছেলে মারেশা, যিনি হিব্রোণের বাবা।
[43] হিব্রোণের ছেলেরা: কোরহ, তপূহ, রেকম ও শেমা।
[44] শেমা রহমের বাবা, এবং রহম যর্কিয়মের বাবা। রেকম শম্ময়ের বাবা।
[45] শম্ময়ের ছেলে মায়োন, এবং মায়োন বেত-সুরের বাবা।
[46] কালেবের উপপত্নী ঐফা হারণ, মোৎসা ও গাসেসের মা। হারণ গাসেসের বাবা।
[47] যেহদয়ের ছেলেরা: রেগম, যোথম, গেসন, পেলট, ঐফা ও শাফ।
[48] কালেবের উপপত্নী মাখা শেবর ও তির্হনহ।
[49] এছাড়াও তিনি মদ্মন্নার বাবা শাফ এবং মক্বেনার ও গিবিয়ার বাবা শিবাকে জন্ম দিলেন। কালেবের মেয়ের নাম অক্ষা।
[50] এঁরাই হলেন কালেবের বংশধর। ইফ্রাথার বড় ছেলে হূরের ছেলেরা: কিরিয়ৎ-যিয়ারীমের বাবা শোবল,
[51] বেথলেহেমের বাবা শল্ম, এবং বেথ-গাদের বাবা হারেফ।
[52] কিরিয়ৎ-যিয়ারীমের বাবা শোবলের বংশধরেরা: মনূহোতীয়দের অর্ধাংশ হরোয়া,
[53] এবং কিরিয়ৎ-যিয়ারীমের বংশ: যিত্রীয়, পূথীয়, শূমাথীয় মিশ্রায়ীয়রা। এদের থেকেই সরাথীয় ও ইষ্টায়োলীয়রা উৎপন্ন হল।
[54] শল্মের বংশধরেরা: বেথলেহেম, নটোফাতীয়, অট্রোৎ-বেৎযোয়াব, মনহতীয়দের অর্ধাংশ, সরায়ীয়,
[55] এবং যাবেষে বসবাসকারী শাস্ত্রবিদদের বংশ: তিরিথীয়, শিমিয়থীয় ও সূখাথীয়রা। এরা সেই কেনীয়, যারা রেখবীয়দের বাবা হম্মতের বংশজাত।