Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 5:51

[1] সৈন্যদলের কয়েকজন সেনাপতিকে সাথে নিয়ে দাউদ আসফ, হেমন ও যিদূথূনের ছেলেদের মধ্যে কয়েকজনকে বীণা, খঞ্জনি ও সুরবাহার নিয়ে ভাববাণীর পরিচর্যা করার জন্য আলাদা করে চিহ্নিত করে দিলেন। এই হল সেইসব লোকের তালিকা, যাঁরা এই পরিচর্যা সম্পন্ন করলেন:

[2] আসফের ছেলেদের মধ্যে থেকে: সক্কুর, যোষেফ, নথনিয় ও অসারেল। আসফের ছেলেরা সেই আসফের তত্ত্বাবধানের অধীনে ছিলেন, যিনি মহারাজের তত্ত্বাবধানের অধীনে থেকে ভাববাণী করতেন।

[3] যিদূথূনের কথা, তাঁর ছেলেদের মধ্যে থেকে: গদলিয়, সরী, যিশায়াহ, শিমিয়ি, হশবিয় ও মত্তিথিয়, মোট এই ছয়জন, যাঁরা তাঁদের বাবা সেই যিদূথূনের তত্ত্বাবধানের অধীনে ছিলেন, যিনি সদাপ্রভুকে ধন্যবাদ জানানোর ও তাঁর প্রশংসা করার জন্য বীণা বাজিয়ে ভাববাণী বলতেন।

[4] হেমনের কথা, তাঁর ছেলেদের মধ্যে থেকে: বুক্কিয়, মত্তনিয়, উষীয়েল, শবূয়েল, যিরীমোৎ, হনানিয়, হনানি, ইলীয়াথা, গিদ্দলতি, রোমামতী-এষর, যশবকাশা, মল্লোথি, হোথীর ও মহসীয়োৎ।

[5] (এঁরা সবাই রাজার দর্শক হেমনের ছেলে ছিলেন। তাঁকে উন্নত করার জন্যই ঐশ্বরিক প্রতিজ্ঞার মাধ্যমে তাঁরা তাঁকে দত্ত হল। ঈশ্বর হেমনকে চোদ্দোটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে দিলেন)

[6] এইসব লোকজন ঈশ্বরের ভবনে পরিচর্যা করার জন্য তাঁদের বাবার তত্ত্বাবধানের অধীনে থেকে সুরবাহার, খঞ্জনি ও বীণা নিয়ে সদাপ্রভুর মন্দিরে গানবাজনা করতেন। আসফ, যিদূথূন ও হেমন মহারাজের তত্ত্বাবধানের অধীনে ছিলেন।

[7] তাঁদের সব আত্মীয়স্বজন সমেত—যাঁরা সবাই সদাপ্রভুর উদ্দেশে গানবাজনায় প্রশিক্ষিত ও দক্ষ ছিলেন—তাঁদের সংখ্যা হল 288 জন।

[8] ছোট-বড়, শিক্ষক-ছাত্র নির্বিশেষে সবাই তাঁদের দায়িত্ব সুনিশ্চিত করার জন্য গুটিকাপাতের দান চাললেন।

[9] আসফের জন্য গুটিকার প্রথম দানটি পড়েছিল যোষেফের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন। দ্বিতীয়টি পড়েছিল গদলিয়ের নামে, তাঁর এবং তাঁর আত্মীয় ও ছেলেদের সংখ্যা 12 জন;

[10] তৃতীয়টি পড়েছিল সক্কুরের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[11] চতুর্থটি পড়েছিল যিষ্রির নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[12] পঞ্চমটি পড়েছিল নথনিয়ের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[13] ষষ্ঠটি পড়েছিল বুক্কিয়ের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[14] সপ্তমটি পড়েছিল যিমারেলার নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[15] অষ্টমটি পড়েছিল যিশয়াহের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[16] নবমটি পড়েছিল মত্তনিয়ের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[17] দশমটি পড়েছিল শিমিয়ির নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[18] একাদশতমটি পড়েছিল অসারেলের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[19] দ্বাদশতমটি পড়েছিল হশবিয়ের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[20] ত্রয়োদশতমটি পড়েছিল শবুয়েলের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[21] চতুর্দশতমটি পড়েছিল মত্তিথিয়ের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[22] পঞ্চদশতমটি পড়েছিল যিরেমোতের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[23] ষোড়শতমটি পড়েছিল হনানিয়ের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[24] সপ্তদশতমটি পড়েছিল যশবকাশার নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[25] অষ্টাদশতমটি পড়েছিল হনানির নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[26] উনবিংশতিতমটি পড়েছিল মল্লোথির নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[27] বিংশতিতমটি পড়েছিল ইলীয়াথার নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[28] একবিংশতিতমটি পড়েছিল হোথীরের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[29] দ্বাবিংশতিতমটি পড়েছিল গিদ্দলতির নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[30] ত্রয়োবিংশতিতমটি পড়েছিল মহসীয়োতের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন;

[31] চর্তুবিংশতিতমটি পড়েছিল রোমামতী-এষরের নামে, তাঁর ছেলে ও আত্মীয়দের সংখ্যা 12 জন।

1 বংশাবলি — Chapters