[1] বসন্তকালে, রাজারা সাধারণত যখন যুদ্ধে যেতেন, সেইরকমই এক সময় যোয়াব সশস্ত্র সৈন্যদলকে নেতৃত্ব দিলেন। তিনি অম্মোনীয়দের দেশটিতে লুটপাট চালিয়েছিলেন এবং রব্বায় গিয়ে সেটি অবরোধ করলেন, কিন্তু দাউদ জেরুশালেমেই থেকে গেলেন। যোয়াব রব্বায় আক্রমণ চালিয়ে সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করলেন।
[2] দাউদ তাদের রাজার মাথা থেকে মুকুট কেড়ে নিয়েছিলেন—জানা গেল সেটি তৈরি হল এক তালন্ত সোনা দিয়ে, এবং সেটি মূল্যবান রত্নখোচিতও ছিল—আর সেটি দাউদের মাথায় পরিয়ে দেওয়া হল। তিনি সেই নগরটি থেকে প্রচুর পরিমাণে লুটসামগ্রী নিয়ে এলেন
[3] এবং যারা সেখানে ছিল, সেইসব লোকজনকেও বের করে এনেছিলেন, এবং তাদের করাত এবং লোহার গাঁইতি ও কুড়োল দিয়ে কাজ করতে বাধ্য করলেন। সবকটি অম্মোনীয় নগরের প্রতিই দাউদ এরকম করলেন। পরে দাউদ ও তাঁর গোটা সেনাবাহিনী জেরুশালেমে ফিরে গেলেন।
[4] কালক্রমে, গেষরে ফিলিস্তিনীদের সাথে যুদ্ধ বেধে গেল। সেই সময় হূশাতীয় সিব্বখয় রফায়ীয়দের বংশধরদের মধ্যে সিপ্পয় বলে একজনকে হত্যা করল, এবং ফিলিস্তিনীরা যুদ্ধে পরাজিত হল।
[5] ফিলিস্তিনীদের সাথে চলা অন্য একটি যুদ্ধে, যায়ীরের ছেলে ইলহানন গাতীয় গলিয়াতের ভাই সেই লহমিকে হত্যা করল, যার বর্শার হাতলটি ছিল তাঁতির দণ্ডের মতো।
[6] গাতে সম্পন্ন অন্য আর একটি যুদ্ধে, এক-একটি হাতে ছয়টি করে ও এক-একটি পায়ে ছয়টি করে, মোট চব্বিশটি আঙুল-বিশিষ্ট দৈত্যাকার একজন লোক যুদ্ধ করছিল। সে-ও রফারই বংশধর ছিল।
[7] সে যখন ইস্রায়েলকে বিদ্রুপবাণে জর্জরিত করল, তখন দাউদের ভাই শিমিয়ির ছেলে যোনাথন তাকে হত্যা করল।
[8] গাতের এই লোকেরাই রফার বংশধর ছিল, এবং তারা দাউদ ও তাঁর লোকজনের হাতে মারা পড়েছিল।