[1] এখন প্রতিমাদের কাছে উত্সর্গীকৃত খাদ্যবস্তু সম্পর্কিত কথা। আমরা জানি যে, আমাদের সকলরেই জ্ঞান আছে। জ্ঞান গর্বিত করে, কিন্তু ভালোবাসা গেঁথে তোলে।
[2] যে মনে করে যে সে কিছু জানে, তার যেমন জানা উচিত, তা সে এখনও জানে না।
[3] কিন্তু যে ঈশ্বরকে ভালোবাসে, সেই ঈশ্বরের পরিচিত মানুষ।
[4] তাহলে, প্রতিমাদের কাছে উত্সর্গীকৃত খাদ্যবস্তু ভোজন সম্পর্কে বলতে হয়: আমরা জানি যে, কোনো প্রতিমা জগতে কিছুই নয় এবং আর কোনো ঈশ্বর নেই, কেবলমাত্র একজন আছেন।
[5] কারণ স্বর্গে, বা পৃথিবীতে, যদিও তথাকথিত কোনও দেবতারা থাকে (বাস্তবিক অনেক “দেবতা” ও অনেক “প্রভুর” কথা শোনা যায়),
[6] তবুও আমাদের জন্য আছেন একমাত্র সেই পিতা ঈশ্বর, যাঁর কাছ থেকে সবকিছুরই উদ্ভব হয়েছে এবং যাঁর উদ্দেশ্যে আমরা প্রাণধারণ করি; আবার প্রভুও আছেন একজনই, তিনি যীশু খ্রীষ্ট। তাঁরই মাধ্যমে সবকিছু উদ্ভূত হয়েছে এবং তাঁরই মাধ্যমে আমরা জীবনধারণ করি।
[7] কিন্তু প্রত্যেকেই একথা জানে না। কিছু সংখ্যক মানুষ প্রতিমাদের বিষয়ে এমনই অভ্যস্ত, তারা যখন এধরনের খাবার খায়, তারা মনে করে যে, সেই খাদ্য যেন কোনো প্রতিমার কাছে উত্সর্গ করা হয়েছে, আর যেহেতু তাদের বিবেক দুর্বল, তাই তা কলুষিত হয়।
[8] কিন্তু খাদ্যবস্তু আমাদের ঈশ্বরের নিকটে নিয়ে আসে না; আমরা যদি সেই খাদ্যগ্রহণ না করি, আমাদের ক্ষতি হয় না; আবার তা গ্রহণ করলেও কোনো লাভ হয় না।
[9] কিন্তু, তোমরা সতর্ক থেকো, তোমাদের এই অধিকার যেন কোনোভাবেই দুর্বল মানুষের কাছে বিঘ্নের কারণ না হয়।
[10] কারণ দুর্বল বিবেকবিশিষ্ট যদি কেউ তোমাকে, অর্থাৎ তোমার মতো জ্ঞানবিশিষ্ট মানুষকে, প্রতিমার মন্দিরে ভোজন করতে দেখে, তাহলে সে কি প্রতিমাদের কাছে উত্সর্গীকৃত বস্তু ভোজন করতে সাহস পাবে না?
[11] তাই, তোমার জ্ঞানের জন্য এই দুর্বল বিশ্বাসী, যার জন্য খ্রীষ্ট মৃত্যুবরণ করেছেন, তাকে নষ্ট করা হয়।
[12] তোমরা যখন তোমাদের ভাইবোনের বিরুদ্ধে পাপ করো ও তাদের দুর্বল বিবেককে আঘাত করো, তোমরা খ্রীষ্টের বিরুদ্ধে পাপ করো।
[13] এই কারণে, আমি যা ভোজন করি, তা যদি অপর বিশ্বাসীর পাপে পতনের কারণস্বরূপ হয়, আমি আর কখনও সেই খাদ্য ভোজন করব না, যেন আমি তার পতনের কারণ না হই।