Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 3:05

[1] আমি যদি সব মানুষের ও দূতদেরও ভাষায় কথা বলি, কিন্তু আমার প্রেম না থাকে, তাহলে আমি শুধু এক অনুরণনকারী কাঁসরঘণ্টা বা ঝনঝনকারী করতাল মাত্র হই।

[2] যদি আমার ভাববাণী বলার বরদান আছে এবং আমি সকল গুপ্তরহস্য ও সমস্ত জ্ঞানে পারদর্শী হই এবং আমার যদি এমন বিশ্বাস থাকে, যা পাহাড়-পর্বতকে স্থানান্তরিত করতে পারে, অথচ আমার প্রেম না থাকে, তাহলে আমি কিছুই নই।

[3] যদি আমি আমার সর্বস্ব দরিদ্রদের দান করি এবং অগ্নিদগ্ধ হওয়ার জন্য আমার শরীরকে সমর্পণ করি, কিন্তু প্রেম না থাকে, আমার কোনোই লাভ হয় না।

[4] প্রেম চিরসহিষ্ণু, প্রেম সদয়। তা ঈর্ষা করে না, আত্ম-অহংকার করে না, গর্বিত হয় না।

[5] তা রূঢ় আচরণ করে না, স্বার্থ অন্বেষণ করে না, সহজে ক্রুদ্ধ হয় না, অন্যায় আচরণ স্মরণে রাখে না।

[6] প্রেম মন্দতায় আনন্দ করে না, কিন্তু সত্যে উল্লসিত হয়।

[7] তা সবসময় সুরক্ষা দেয়, সবসময়ই বিশ্বাস করে, সবসময়ই প্রত্যাশায় থাকে, সবসময়ই ধৈর্যধারণ করে।

[8] প্রেম কখনও ব্যর্থ হয় না। কিন্তু যদি ভাববাণী থাকে, সেগুলির অবসান হবে। যদি ভিন্ন ভিন্ন ভাষা থাকে, সেগুলি স্তব্ধ হয়ে যাবে; যদি জ্ঞান থাকে, তা অবলুপ্ত হবে।

[9] এখন, আমরা অংশবিশেষ জানি ও আংশিকরূপে ভাববাণী বলি,

[10] কিন্তু পূর্ণতা উপস্থিত হলে যা কিছু অসম্পূর্ণ, সেগুলি বিলীন হবে।

[11] আমি যখন শিশু ছিলাম, আমি শিশুর মতো কথা বলতাম, শিশুর মতো চিন্তা করতাম, শিশুর মতো বিচার করতাম। যখন আমি পরিণত বয়স্ক হয়ে উঠলাম, আমি শিশুসুলভ সবকিছুই ত্যাগ করলাম।

[12] এখন আমরা যেন দর্পণের মধ্য দিয়ে অস্পষ্ট দেখছি, তখন দেখব মুখোমুখি। এখন আমি তাকে আংশিকভাবে জানি; তখন আমি পূর্ণরূপে জানতে পারব—যেমন আমিও পূর্ণরূপে পরিচিত হয়েছি।

[13] আর এখন এই তিনটি অবশিষ্ট আছে: বিশ্বাস, প্রত্যাশা ও প্রেম। কিন্তু এগুলির মধ্যে প্রেম-ই সর্বশ্রেষ্ঠ।

1 করিন্থীয় — Chapters