Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 3:27

[1] আমাকে বাস্তবিক-ই এরকম সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, তোমাদের মধ্যে নীতিবিরুদ্ধ যৌনাচার রয়েছে, আর তা এমনই ধরনের, যে পৌত্তলিকদের মধ্যেও তেমন দেখা যায় না। এক ব্যক্তি তার বিমাতার সঙ্গে সহবাস করছে।

[2] আর তোমরা গর্ব করছ? তোমাদের কি দুঃখে ভারাক্রান্ত হওয়া এবং যে লোকটি এ কাজ করেছে, তাকে তোমাদের সহভাগিতা থেকে বহিষ্কার করা উচিত ছিল না?

[3] আমি যদিও সশরীরে তোমাদের মধ্যে নেই, আত্মায় আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। আর আমি ইতিমধ্যে একজন উপস্থিত ব্যক্তির মতোই সেই লোকটির, যে এরকম করেছে, তার বিচার করেছি।

[4] তোমরা যখন প্রভু যীশুর নামে সমবেত হও এবং আমিও আত্মায় তোমাদের সঙ্গে থাকি ও প্রভু যীশুর পরাক্রম উপস্থিত থাকে,

[5] সেই লোকটিকে শয়তানের হাতে সমপর্ণ কোরো, যেন তার পাপময় চরিত্রের বিনাশ হয় ও তার আত্মা আমাদের প্রভু যীশুর দিনে রক্ষা পায়।

[6] তোমাদের গর্ব করা ভালো নয়। তোমরা কি জানো না যে, সামান্য খামির ময়দার সমস্ত তালকেই খামিরময় করতে পারে?

[7] তোমরা পুরোনো খামির দূর করে দাও, যেন এক নতুন তাল হতে পারো, যার মধ্যে খামির থাকবে না—প্রকৃতপক্ষে যেমন তোমরা আছো। কারণ খ্রীষ্ট, আমাদের নিস্তারপর্বীয় মেষশাবক বলিরূপে উত্সর্গীকৃত হয়েছেন।

[8] তাই এসো, আমরা পুরোনো খামির দিয়ে নয়, যা হিংসা ও দুষ্টতার খামির, বরং খামিরশূন্য রুটি দিয়ে, যা সরলতা ও সত্যশীলতার খামির, তা দিয়ে পর্বটি পালন করি।

[9] আমার পত্রে আমি লিখেছিলাম, তোমরা যেন নীতিবিরুদ্ধ যৌন-সংসর্গকারীদের সঙ্গে যুক্ত না থাকো—

[10] তার অর্থ এই নয় যে, এ জগতের সব লোক, যারা নীতিভ্রষ্ট বা লোভী বা পরধনগ্রাহী কিংবা প্রতিমাপূজক, তাদের সংস্রব ত্যাগ করতে হবে। সেক্ষেত্রে তোমাদের এ জগৎ পরিত্যাগ করতে হবে।

[11] কিন্তু এখন আমি তোমাদের লিখছি, বিশ্বাসী নামে পরিচয় দিয়ে যে ব্যক্তি বিবাহ-বহির্ভূত সংসর্গে লিপ্ত থাকে, অথবা লোভী, প্রতিমাপূজক বা পরনিন্দুক, মদ্যপ বা পরধনগ্রাহী হয়, তার সঙ্গ অবশ্যই ত্যাগ করবে। এধরনের মানুষের সঙ্গে এমনকি, আহারও করবে না।

[12] মণ্ডলী বহির্ভূত লোকের বিচার করায় আমার কী-কাজ? ভেতরের লোকদের বিচার করা কি তোমাদের দায়িত্ব নয়?

[13] বাইরের লোকদের বিচার ঈশ্বর করবেন। “তোমরা ওই দুষ্ট লোকটিকে তোমাদের মধ্য থেকে দূর করে দাও।”

1 করিন্থীয় — Chapters