[1] অতীতে ঈশ্বর ভাববাদীদের মাধ্যমে আমাদের পূর্বপুরুষদের সঙ্গে বহুবার বিভিন্নভাবে কথা বলেছেন,
[2] কিন্তু এই শেষ যুগে, তিনি তাঁর পুত্রের মাধ্যমেই আমাদের কাছে কথা বলেছেন।
[3] সেই পুত্রই ঈশ্বরের মহিমার বিচ্ছুরণ এবং তাঁর সত্তার যথার্থ প্রতিরূপ, যিনি তাঁর তেজোদৃপ্ত বাক্যের দ্বারা সবকিছুই ধারণ করে আছেন। সব পাপক্ষালনের কাজ সম্পন্ন করার পর, তিনি স্বর্গে ঐশ-মহিমার ডানদিকে উপবেশন করেছেন।
[4] তিনি উত্তরাধিকার বলে স্বর্গদূতদের তুলনায় যে উচ্চতর পদের অধিকারী হয়েছেন, সেই অনুযায়ী তাঁদের থেকেও মহান হয়ে উঠেছেন।
[5] কারণ স্বর্গদূতদের মধ্যে কাকে ঈশ্বর কখন বলেছেন, “তুমি আমার পুত্র, আজ আমি তোমার পিতা হয়েছি?” অথবা আবার, “আমি তার পিতা হব, আর সে হবে আমার পুত্র?”
[6] আবারও, ঈশ্বর যখন তাঁর প্রথমজাতকে এই পৃথিবীতে নিয়ে আসেন, তিনি বললেন, “ঈশ্বরের সব দূত তাঁর উপাসনা করুক।”
[7] আর স্বর্গদূতদের সম্পর্কে তিনি বলেন, “তিনি তাঁর দূতদের করেন বায়ুসদৃশ, তাঁর সেবকদের করেন অগ্নিশিখার মতো।”
[8] কিন্তু পুত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, “হে ঈশ্বর, তোমার সিংহাসন অনন্তকালস্থায়ী হবে, আর ধার্মিকতা হবে তোমার রাজ্যের রাজদণ্ড।
[9] তুমি ধার্মিকতাকে ভালোবেসেছ, আর দুষ্টতাকে ঘৃণা করেছ; সেই কারণে ঈশ্বর, তোমার ঈশ্বর, আনন্দ-তৈলে তোমাকে অভিষিক্ত করেছেন, তোমার সব সঙ্গীসাথীরও ঊর্ধ্বে।”
[10] তিনি আরও বলেন, “হে প্রভু, তুমিই আদিকালে পৃথিবীর সব ভিত্তিমূল স্থাপন করেছ, আর আকাশমণ্ডলও তোমারই হাতের রচনা।
[11] সেসব বিলুপ্ত হবে, কিন্তু তুমি স্থায়ী হবে; সেগুলি ছেঁড়া কাপড়ের মতো হবে।
[12] পরিচ্ছদের মতো তুমি সেসব গুটিয়ে রাখবে, পরিধেয় বসনের মতো সেগুলি পরিবর্তিত হবে। কিন্তু তুমি থাকবে সেই একইরকম, তোমার আয়ুর কখনও শেষ হবে না।”
[13] স্বর্গদূতদের মধ্যে কাকে ঈশ্বর কখন বলেছেন, “তুমি আমার ডানদিকে বসো, যতক্ষণ না আমি তোমার শত্রুদের তোমার পাদপীঠে পরিণত করি?”
[14] স্বর্গদূতেরা সবাই কি পরিচর্যাকারী আত্মা নন? যারা পরিত্রাণের অধিকারী হবে, তাদের সেবা করার জন্যই কি তাঁরা প্রেরিত হননি?