[1] প্রত্যেক মহাযাজক মানুষের মধ্য থেকে মনোনীত হন এবং ঈশ্বর সম্পর্কিত বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করার ও পাপার্থক বলি উত্সর্গ করার জন্য নিযুক্ত হন।
[2] যারা অজ্ঞ, যারা পথভ্রান্ত, তাদের সঙ্গে তিনি কোমল আচরণ করতে সমর্থ, যেহেতু তিনি স্বয়ং দুর্বলতার অধীন।
[3] এই জন্যই তাঁর নিজের ও সেই সঙ্গে প্রজাদের সব পাপের জন্য তাঁকে বিভিন্ন বলি উত্সর্গ করতে হয়।
[4] কেউ এই সম্মান স্বয়ং নিজের জন্য নিতে পারে না। তাঁকে অবশ্যই ঈশ্বরের দ্বারা আহূত হতে হবে, যেমন হারোণকে হতে হয়েছিল।
[5] তাই খ্রীষ্টও মহাযাজক হওয়ার মহিমা স্বয়ং গ্রহণ করেননি। কিন্তু ঈশ্বর তাঁকে বলেছিলেন, “তুমি আমার পুত্র, আজ আমি তোমার পিতা হয়েছি।”
[6] অন্যত্র তিনি বলেন, “মল্কীষেদকের পরম্পরা অনুযায়ী, তুমিই চিরকালীন যাজক।”
[7] যীশু তাঁর পার্থিব জীবনকালে তীব্র আর্তনাদ ও অশ্রুপাতের সঙ্গে সেই একজনের কাছে প্রার্থনা ও মিনতি উত্সর্গ করেছিলেন, যিনি তাঁকে মৃত্যু থেকে উদ্ধার করতে সমর্থ ছিলেন। তাঁর এই বিনম্র আত্মসমর্পণের জন্য তিনি উত্তর লাভ করেছিলেন।
[8] পুত্র হয়েও তিনি কষ্টযন্ত্রণা ভোগের মাধ্যমে বাধ্যতা শিক্ষা করেছিলেন
[9] এবং একবার সিদ্ধিলাভ করে, তাঁর আজ্ঞাবহদের জন্য তিনি চিরন্তন পরিত্রাণের উত্সস্বরূপ হয়েছেন।
[10] আর মল্কীষেদকের পরম্পরা অনুযায়ী ঈশ্বরের দ্বারা মহাযাজকরূপে অভিহিত হয়েছেন।
[11] এ বিষয়ে আমাদের অনেক কিছুই বলার আছে, কিন্তু তোমরা শিখতে মন্থর বলে, তা ব্যাখ্যা করা কষ্টসাধ্য।
[12] প্রকৃতপক্ষে, এতদিনে তোমাদের শিক্ষক হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু ঈশ্বরের বাক্যের প্রাথমিক সত্যগুলি পূর্বাপর শিক্ষা দেওয়ার জন্য তোমাদেরই একজন শিক্ষকের প্রয়োজন। তোমাদের প্রয়োজন কঠিন খাবার নয়, কিন্তু দুধের।
[13] যে দুগ্ধপোষ্য, সে এখনও শিশু, ধার্মিকতা বিষয়ক শিক্ষা সম্পর্কে তার পরিচয় নেই।
[14] কিন্তু কঠিন খাবার প্রয়োজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকদের, যারা সবসময় অনুশীলনের মাধ্যমে শুভ ও অশুভের প্রভেদ নির্ণয়ে নিজেদের অভ্যস্ত করে তুলেছে।