[1] সুতরাং এসো, আমরা খ্রীষ্ট সম্পর্কিত প্রাথমিক শিক্ষাগুলি অতিক্রম করে, পরিপক্বতার দিকে এগিয়ে চলি। এসব বিষয়ে যেন আবার ভিত্তিমূল স্থাপন না করি—যেসব ক্রিয়াকর্ম মৃত্যুর পথে চালিত করে, সেগুলি থেকে অনুতাপ, ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস,
[2] বিভিন্ন বাপ্তিষ্ম সম্পর্কিত নির্দেশনা, হাত রাখা, মৃত মানুষের পুনরুত্থান ও চিরন্তন বিচার
[3] আর ঈশ্বর চাইলে আমরা সেইরকমই করব।
[4] কারণ একবার যারা আলোকপ্রাপ্ত হয়েছে, স্বর্গীয় দানের রস আস্বাদন করেছে, পবিত্র আত্মার অংশীদার হয়েছে,
[5] ঈশ্বরের বাক্যের মাধুর্য ও সন্নিকট যুগের পরাক্রম আস্বাদন করেছে,
[6] তারা যদি পতিত হয়, তাহলে তাদের আবার মন পরিবর্তন ঘটানো অসম্ভব। কারণ নিজেদের ক্ষতির জন্যে, তারা আবার ঈশ্বরের পুত্রকে ক্রুশবিদ্ধ করেছে এবং প্রকাশ্যে তাঁর মর্যাদাহানি করেছে।
[7] যে ভূমি, তার উপরে পতিত বৃষ্টি প্রায়শ পান করে এবং যাদের জন্য কর্ষিত হয়, তাদেরই উপযোগী ফসল উৎপন্ন করে, তা ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভ করে।
[8] কিন্তু যে ভূমি কাঁটাঝোপ ও আগাছা উৎপন্ন করে, তা হয় ব্যবহারের অনুপযোগী এবং অভিশপ্ত হওয়ার বিপদে পড়ে। পরিণামে তা পুড়িয়ে দেওয়া হবে।
[9] প্রিয় বন্ধুরা, আমরা এরকম বললেও, আমরা দৃঢ়নিশ্চিত যে, তোমাদের অবস্থা তা থেকে উৎকৃষ্ট এবং তা পরিত্রাণের অনুষঙ্গী।
[10] ঈশ্বর অন্যায়কারী নন; তাঁর প্রজাদের তোমরা যে সাহায্য করেছ এবং এখনও করে যাচ্ছ, আর এর মাধ্যমে তোমরা তাঁর প্রতি যে ভালোবাসার নিদর্শন দেখিয়েছ, ঈশ্বর তোমাদের সেসব কাজ ভুলে যাবেন না।
[11] আমরা চাই, তোমাদের প্রত্যাশাকে সুনিশ্চিত করার জন্য, তোমরা প্রত্যেকেই শেষ পর্যন্ত এধরনের অধ্যবসায় প্রদর্শন করো।
[12] আমরা চাই না, তোমরা শিথিল হও, বরং বিশ্বাস ও ধৈর্যের দ্বারা যাঁরা প্রতিশ্রুতিসমূহের অধিকারী, তাঁদেরই অনুসরণ করো।
[13] ঈশ্বর যখন অব্রাহামকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, শপথ করার মতো আর মহত্তর কেউ না থাকায়, তিনি নিজের নামেই শপথ করেছিলেন
[14] এবং বলেছিলেন, “আমি নিশ্চয়ই তোমাকে আশীর্বাদ করব এবং তোমাকে বহু বংশধর দান করব।”
[15] তাই অব্রাহাম ধৈর্যের সঙ্গে প্রতীক্ষার পরে প্রতিশ্রুত বিষয় লাভ করেছিলেন।
[16] আর মানুষ নিজের চেয়েও মহৎ কারও নামে শপথ করে। আবার শপথ কথিত বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয় ও সব যুক্তিতর্কের অবসান ঘটায়।
[17] কারণ ঈশ্বর তাঁর অভিপ্রায়ের অপরিবর্তনীয় প্রকৃতিকে প্রতিশ্রুতির উত্তরাধিকারীদের কাছে পরিস্ফুট করতে চেয়েছিলেন বলে, তিনি শপথের দ্বারা তা সুনিশ্চিত করলেন।
[18] শপথ ও প্রতিশ্রুতি, এই দুটি অপরিবর্তনীয় বিষয়ের দ্বারা, যে বিষয়ে ঈশ্বরের পক্ষে মিথ্যা কথা বলা অসম্ভব, তাঁর প্রদত্ত প্রত্যাশাকে ধারণ করার জন্য, আমরা যারা তাঁর কাছে শরণ নেওয়ার জন্য পলায়ন করেছি, আমাদের প্রবল উৎসাহ দেন।
[19] এই প্রত্যাশাই আমাদের আছে, যা প্রাণের নোঙরের মতো, সুদৃঢ় ও নিশ্চিত। তা যবনিকার অন্তরালে থাকা মহাপবিত্র স্থানে প্রবেশ করে,
[20] যেখানে আমাদের অগ্রগামী যীশু আমাদের পক্ষে প্রবেশ করেছেন। মল্কীষেদকের পরম্পরা অনুসারে তিনি চিরকালের জন্য মহাযাজক হয়েছেন।