Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 4:46

[1] সেজন্য, আমরা যা শুনেছি, তার প্রতি অবশ্যই আরও সযত্ন মনোযোগ দেব, যেন আমরা পথবিচ্যুত হয়ে না পড়ি।

[2] কারণ স্বর্গদূতদের দ্বারা কথিত বাণী যদি বাধ্যতামূলক হয় এবং তা কোনও ভাবে লঙ্ঘন বা অমান্য করার ফলে যদি ন্যায্য শাস্তি প্রাপ্য হয়,

[3] তাহলে, এমন এক মহা পরিত্রাণ অবহেলা করলে আমরা কীভাবে নিষ্কৃতি পাব? এই পরিত্রাণের কথা প্রভুই প্রথমে ঘোষণা করেছিলেন; তাঁর কথা যারা শুনেছিলেন, তাঁরাই আমাদের কাছে তার সত্যতা প্রতিপন্ন করেছেন।

[4] আর ঈশ্বরও বিভিন্ন নিদর্শন, বিস্ময়কর কর্ম এবং বিভিন্ন অলৌকিক কর্মের মাধ্যমে তার প্রমাণ দিয়েছেন এবং তাঁর ইচ্ছা অনুসারে পবিত্র আত্মার বিভিন্ন বরদান বিতরণ করা হয়েছে।

[5] আমরা যে ভাবী জগতের কথা বলছি, তিনি তা স্বর্গদূতদের অধীন করেননি।

[6] কিন্তু জনৈক ব্যক্তি, কোনো এক স্থানে সাক্ষ্য দিয়ে বলেছেন: “মানবজাতি কি যে, তাদের কথা তুমি চিন্তা করো? মানব-সন্তান কি যে, তার তুমি যত্ন করো?

[7] তুমি তাদের স্বর্গদূতদের চেয়ে সামান্য ছোট করেছ; তুমি তাদের গৌরব ও সম্মানের মুকুটে ভূষিত করেছ,

[8] আর সবকিছুই তার পদানত করেছ।” ঈশ্বর সবকিছুই তার অধীনে রাখাতে এমন আর কিছুই রাখেননি, যা তার অধীন নয়। অথচ, বর্তমানে আমরা সবকিছু তার অধীনে দেখতে পাচ্ছি না।

[9] আমরা সেই যীশুকে দেখতে পাচ্ছি, যাঁকে স্বর্গদূতদের সামান্য নিচে স্থান দেওয়া হয়েছিল, তিনি মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগের কারণে মহিমা ও সমাদরের মুকুটে ভূষিত হয়েছেন, যেন ঈশ্বরের অনুগ্রহে তিনি সব মানুষের জন্য মৃত্যুর আস্বাদ গ্রহণ করেন।

[10] যাঁর জন্য ও যাঁর মাধ্যমে সবকিছু অস্তিত্বলাভ করেছে, বহু সন্তানকে মহিমায় আনয়নের জন্য তাদের পরিত্রাণের উদ্ভাবককে কষ্টভোগের মধ্য দিয়ে সিদ্ধি প্রদান করা ঈশ্বরের পক্ষে যথার্থ কাজ হয়েছিল।

[11] যিনি মানুষকে পবিত্র করেন ও যারা পবিত্রকৃত হয়, তারা উভয়েই এক পরিবারভুক্ত। তাই তাদের ভাই (বা বোন) বলতে যীশু লজ্জিত নন।

[12] তিনি বলেন, “আমার ভাইবোনেদের কাছে আমি তোমার নাম ঘোষণা করব; সভার মাঝে আমি তোমার জয়গান গাইব।”

[13] আবার, “আমি তাঁরই উপর আমার আস্থা স্থাপন করব।” তিনি আরও বলেন, “দেখো, এই আমি ও আমার সন্তানেরা, ঈশ্বর যাদের আমায় দিয়েছেন।”

[14] যেহেতু সন্তানেরা রক্তমাংস বিশিষ্ট, তিনি তাদের মানব-স্বভাবের অংশীদার হলেন, যেন তাঁর মৃত্যুর দ্বারা তিনি মৃত্যুর উপরে পরাক্রমবিশিষ্টকে, অর্থাৎ দিয়াবলকে ধ্বংস করতে পারেন,

[15] এবং মৃত্যুভয়ে যারা সমস্ত জীবন দাসত্ব-শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিল, তিনি তাদের মুক্ত করতে পারেন।

[16] নিশ্চিতরূপেই তিনি স্বর্গদূতদের নয়, কিন্তু অব্রাহামের বংশধরদের সাহায্য করেন।

[17] এই কারণে, তাঁকে সর্বতোভাবে তাঁর ভাইবোনেদের সদৃশ হতে হয়েছিল, যেন ঈশ্বরের সেবায় তিনি এক করুণাময় ও বিশ্বস্ত মহাযাজক হতে পারেন এবং প্রজাদের পাপসমূহের জন্য প্রায়শ্চিত্ত সাধন করেন।

[18] কারণ প্রলোভিত হয়ে তিনি স্বয়ং যন্ত্রণাভোগ করেছিলেন বলে, যারা প্রলুব্ধ হচ্ছে, তাদের তিনি সাহায্য করতে সক্ষম।

ইব্রীয় — Chapters