Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 3:55

[1] প্রত্যেকেই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত কর্তৃপক্ষের কাছে অবশ্যই বশ্যতাস্বীকার করুক, কারণ ঈশ্বর ব্যতিরেকে কোনও কর্তৃত্বের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না। যে সমস্ত কর্তৃপক্ষের অস্তিত্ব আছে, সেগুলি ঈশ্বর প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

[2] কাজেই, যে কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, সে ঈশ্বর যা স্থাপন করেছেন, তারই বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, আর যারা তা করে, তারা নিজেদের উপরে দণ্ডাদেশ নিয়ে আসে।

[3] কারণ যারা ন্যায়সঙ্গত কর্ম করে, তাদের কাছে নয়, কিন্তু যারা অন্যায় করে, তাদের কাছে শাসকেরা ভীতির কারণস্বরূপ। কর্তৃত্বে যিনি আছেন, তাঁর কাছে তুমি কি নির্ভয় হতে চাও? তাহলে যা ন্যায়সংগত, তাই করো, তিনি তোমার প্রশংসা করবেন।

[4] কারণ তোমাদের মঙ্গল-সাধনের জন্যই তিনি ঈশ্বরের পরিচারক। কিন্তু তুমি যদি অন্যায় করো, তাহলে ভীত হও, কারণ তিনি বিনা কারণে তরোয়াল ধারণ করেন না। তিনি ঈশ্বরের পরিচারক, দুষ্কৃতীকে শাস্তিদানের জন্য তিনি ঈশ্বরের প্রতিনিধি।

[5] সেই কারণে, কর্তৃপক্ষের বশ্যতাধীন থাকা আবশ্যিক, কেবলমাত্র সম্ভাব্য শাস্তির জন্য নয়, কিন্তু বিবেকবোধের কারণেও।

[6] এজন্যই তোমরা কর দিয়ে থাকো, কারণ কর্তৃপক্ষেরা ঈশ্বরের পরিচারক, যাঁরা তাঁদের পূর্ণ সময় শাসনকর্মে প্রদান করেন।

[7] প্রত্যেকের যা প্রাপ্য, তা তাকে দাও: যাঁকে কর দেওয়ার থাকে, তাঁকে কর দাও; যদি শুল্ক হয়, তাহলে শুল্ক দাও; যদি শ্রদ্ধা হয়, শ্রদ্ধা প্রদর্শন করো; যদি সম্মান হয়, তাহলে সম্মান করো।

[8] তোমরা কারও কাছে কোনো ঋণ কোরো না, কেবলমাত্র পরস্পরের কাছে প্রেমের ঋণ কোরো; কারণ যে তার সহমানবকে ভালোবাসে, সে বিধান পূর্ণরূপে পালন করেছে।

[9] “ব্যভিচার কোরো না,” “নরহত্যা কোরো না,” “চুরি কোরো না,” “লোভ কোরো না,” এই আজ্ঞাগুলি এবং আরও যে কোনো আজ্ঞা থাকো না কেন, এই একটি আজ্ঞায় সেসবই সংকলিত হয়েছে, “তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতোই ভালোবেসো।”

[10] ভালোবাসা প্রতিবেশীর কোনও অনিষ্ট করে না। সেই কারণে, ভালোবাসাই বিধানের পূর্ণতাস্বরূপ।

[11] আর বর্তমানকাল সম্পর্কে সচেতন হয়ে তোমরা এরকম করো। তোমাদের তন্দ্রা থেকে জেগে ওঠার সময় উপস্থিত হয়েছে, কারণ প্রথম যখন বিশ্বাস করেছিলাম, তখন থেকে আমাদের পরিত্রাণ আরও নিকটবর্তী।

[12] রাত্রি প্রায় অবসান হল, দিবস আগতপ্রায়। তাই, এসো আমরা অন্ধকারের ক্রিয়াকলাপকে ত্যাগ করে দীপ্তির রণসজ্জা পরিধান করি।

[13] এসো, আমরা দিনের বেলার উপযুক্ত শোভন আচরণ করি, রঙ্গরস ও মত্ততায় নয়, যৌন-অনাচার ও লাম্পট্যে নয়, মতবিরোধ ও ঈর্ষায় নয়

[14] বরং, তোমরা প্রভু যীশু খ্রীষ্টকে অঙ্গের আবরণ করো, রক্তমাংসের অভিলাষ কীভাবে পূর্ণ করবে, সে সম্পর্কে চিন্তা কোরো না।

রোমীয় — Chapters