Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 8:10

[1] “যে কেউ একটি বলদ বা একটি মেষ চুরি করে সেটি জবাই করে বা বিক্রি করে দেয়, তবে তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ স্বরূপ সেই বলদটির পরিবর্তে পাঁচটি গবাদি পশু ও সেই মেষটির পরিবর্তে চারটি মেষ দিতে হবে।

[2] “রাতের বেলায় যদি কোনও চোর চুরি করতে এসে ধরা পড়ে এবং মারাত্মক আঘাত পেয়ে মারা যায়, তবে রক্ষক রক্তপাতের দোষে দোষী হবে না;

[3] কিন্তু তা যদি সূর্যোদয়ের পর ঘটে, তবে সেই রক্ষক রক্তপাতের দোষে দোষী হবে। “যে কেউ চুরি করেছে, তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, কিন্তু তাদের কাছে যদি কিছুই না থাকে, তবে চৌর্যবৃত্তির ক্ষতিপূরণের জন্য তাদের অবশ্যই বিক্রীত হতে হবে।

[4] চুরি যাওয়া পশুটিকে যদি তার সম্পত্তির মধ্যে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়—তা সে বলদ বা গাধা বা মেষ যাই হোক না কেন—তাদের অবশ্যই দ্বিগুণ অর্থ ফিরিয়ে দিতে হবে।

[5] “কেউ যদি তাদের গৃহপালিত পশুপাল জমিতে বা দ্রাক্ষাক্ষেতে চরাতে নিয়ে যায় ও সেগুলি পথভ্রষ্ট হয়ে অন্য একজনের জমিতে চরতে চলে যায়, তবে সেই অপরাধীকে অবশ্যই তাদের নিজস্ব জমি বা দ্রাক্ষাক্ষেতের সেরা ফলন দিয়ে ক্ষতিপূরণ করতে হবে।

[6] “যদি আগুন লেগে তা কাঁটাঝোপে এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ে যে তা কাঁচা বা পাকা শস্য অথবা সমগ্র ক্ষেতজমি পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়, তবে যে প্রথমে সেই আগুন লাগিয়েছিল, তাকেই ক্ষতিপূরণ করতে হবে।

[7] “কেউ যদি তার প্রতিবেশীর কাছে রুপো বা সোনা গচ্ছিত রাখে এবং সেগুলি সেই প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে চুরি হয়ে যায়, এবং চোর যদি ধরা পড়ে যায়, তবে তাকে অবশ্যই দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

[8] কিন্তু সেই চোরকে যদি খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে সেই বাড়ির মালিককে বিচারকদের সামনে দাঁড়াতে হবে, এবং তাঁদেরই স্থির করতে হবে সেই বাড়ির মালিক সেই অন্যজনের সম্পত্তিতে হস্তক্ষেপ করেছে, কি না।

[9] বলদ, গাধা, মেষ, পোশাকের, বা অন্য যে কোনো হারিয়ে যাওয়া সম্পত্তির বিষয়ে যদি কেউ বলে, ‘এটি আমার,’ সেগুলির অবৈধ দখলদারির সব ক্ষেত্রে দুই পক্ষকেই তাদের মামলাগুলি বিচারকদের সামনে আনতে হবে। যাকে বিচারকেরা দোষী সাব্যস্ত করবেন, সে-ই অন্যজনকে দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ দেবে।

[10] “যদি কেউ তার প্রতিবেশীর কাছে গাধা, বলদ, মেষ বা অন্য কোনো পশু গচ্ছিত রাখে এবং সেটি মারা যায় বা আহত হয় বা মানুষের অগোচরে চুরি হয়ে যায়,

[11] তবে তাদের মধ্যে উৎপন্ন সমস্যাটির সমাধান হবে সদাপ্রভুর সামনে এই শপথ নেওয়ার মাধ্যমে, যে সেই প্রতিবেশী অন্যজনের সম্পত্তিতে হস্তক্ষেপ করেনি। মালিককে তা মেনে নিতে হবে, এবং কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

[12] কিন্তু সেই পশুটি যদি সেই প্রতিবেশীর কাছ থেকে চুরি গেল, তবে তাকে মালিকের ক্ষতিপূরণ করতে হবে।

[13] সেটি যদি কোনও বুনো পশু দ্বারা বিদীর্ণ হল, তবে সেই প্রতিবেশী প্রমাণস্বরূপ সেটির দেহাবশেষ আনবে এবং সেই বিদীর্ণ পশুটির জন্য কোনও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না।

[14] “যদি কেউ তাদের প্রতিবেশীর কাছ থেকে কোনও পশু ধার নেয় এবং মালিকের অনুপস্থিতিতে সেটি আহত হয় বা মারা যায়, তবে তাদের অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

[15] কিন্তু মালিক যদি পশুটির সাথে থাকে, তবে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। সেই পশুটি যদি ভাড়া নেওয়া হল, তবে ভাড়াবাবদ দেওয়া অর্থেই ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে।

[16] “যদি কোনও লোক, যার বাগদান হয়নি এমন এক কুমারীর সতীত্ব হরণ করে ও তার সাথে শোয়, তবে সে অবশ্যই কন্যা-পণ দেবে এবং সেই কুমারী তার স্ত্রী হয়ে যাবে।

[17] সেই কুমারীর বাবা যদি তাকে তার হাতে তুলে দিতে নিছক অস্বীকার করে, তা হলেও, তাকে কুমারীদের জন্য ধার্য কন্যা-পণ দিতেই হবে।

[18] “কোনও ডাকিনীকে বেঁচে থাকতে দিয়ো না।

[19] “যে কেউ পশুর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে মেরে ফেলতে হবে।

[20] “যে কেউ সদাপ্রভু ছাড়া অন্য কোনো দেবতার কাছে বলি উৎসর্গ করে তাকে অবশ্যই ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

[21] “কোনও বিদেশির প্রতি মন্দ ব্যবহার বা জুলুম কোরো না, কারণ তোমরা মিশরে বিদেশিই ছিলে।

[22] “বিধবা বা অনাথদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ো না।

[23] তোমরা যদি তা করো ও তারা আমার কাছে কেঁদে ওঠে, তবে আমি নিঃসন্দেহে তাদের কান্না শুনব।

[24] আমার ক্রোধ জাগ্রত হবে, এবং আমি তরোয়াল দিয়ে তোমাদের হত্যা করব; তোমাদের স্ত্রীরা বিধবা হয়ে যাবে ও তোমাদের সন্তানেরা পিতৃহীন হবে।

[25] “তুমি যদি তোমাদের মধ্যে বসবাসকারী আমার প্রজাদের মধ্যে অভাবগ্রস্ত কাউকে অর্থ ধার দাও, তবে তা এক ব্যবসায়িক চুক্তিরূপে গণ্য কোরো না; সুদ ধার্য কোরো না।

[26] তোমার প্রতিবেশীর আলখাল্লাটি যদি তুমি বন্ধকরূপে নিয়েছ, তবে সূর্যাস্তের আগেই তা ফিরিয়ে দিও,

[27] কারণ সেই আলখাল্লাটিই তোমার প্রতিবেশীর কাছে থাকা একমাত্র আচ্ছাদন। তারা আর কীসে শোবে? তারা যখন আমার কাছে কেঁদে উঠবে, আমি তা শুনব; কারণ আমি করুণাময়।

[28] “ঈশ্বরনিন্দা কোরো না বা তোমাদের লোকজনের শাসককে অভিশাপ দিয়ো না।

[29] “তোমার শস্যাগারে বা তোমাদের ভাঁটিতে অর্ঘ্য আটকে রেখো না। “তোমার ছেলেদের মধ্যে প্রথমজাতকে আমার হাতে অবশ্যই তুলে দিতে হবে।

[30] তোমার গবাদি পশুপালের ও তোমার মেষের ক্ষেত্রেও তুমি তাই কোরো। মায়েদের সাথে সেগুলি সাতদিন থাকুক, কিন্তু অষ্টম দিনে তুমি সেগুলি আমাকে দিয়ো।

[31] “তোমাদের আমার পবিত্র প্রজা হতে হবে। অতএব বুনো পশুদের দ্বারা বিদীর্ণ কোনও পশুর মাংস খেয়ো না; কুকুরদের কাছে তা ছুঁড়ে ফেলে দিও।

যাত্রা পুস্তক — Chapters