Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 4:13

[1] তোমাদের মধ্যে কী-কারণে সংঘর্ষ ও বিবাদ ঘটে? তোমাদের মধ্যে যেসব অভিলাষ দ্বন্দ্বে লিপ্ত, সেগুলিই কি তার উৎস নয়?

[2] তোমরা কিছু পেতে চাও, কিন্তু তা পাও না। তোমরা হত্যা করো, লোভ করো, কিন্তু যা-পেতে চাও, তা তোমরা পাও না। তোমরা বিবাদ করো ও সংঘর্ষে লিপ্ত হও। তোমরা ঈশ্বরের কাছে কিছু চাও না, তাই তোমরা পাও না।

[3] তোমরা যখন চাও, তখন তোমরা পাও না, কারণ তোমরা মন্দ অভিপ্রায়ে চেয়ে থাকো, যেন প্রাপ্ত বিষয়গুলি নিয়ে নিজেদের সুখাভিলাষের জন্য ব্যয় করতে পারো।

[4] ব্যভিচারীর দল, তোমরা কি জানো না, জগতের সঙ্গে বন্ধুত্ব হল ঈশ্বরের প্রতি ঘৃণার নিদর্শন? কোনো ব্যক্তি যদি জগতের সঙ্গে বন্ধুত্বকে বেছে নেয়, সে ঈশ্বরের শত্রু হয়ে পড়ে।

[5] তোমরা কি জানো না শাস্ত্র কী বলে? যে আত্মাকে তিনি আমাদের মধ্যে অধিষ্ঠান করতে দিয়েছেন, তিনি চান যেন তিনি শুধু তাঁরই হয়ে থাকেন। ঈশ্বর এই আত্মাকে আমাদের মধ্যে বসবাস করতে দিয়েছেন। তোমাদের কি মনে হয় না যে শাস্ত্রে একথা বলার এক কারণ আছে?

[6] কিন্তু তিনি আমাদের আরও বেশি অনুগ্রহ প্রদান করেন। এই কারণেই শাস্ত্র বলে: “ঈশ্বর অহংকারীদের প্রতিরোধ করেন, কিন্তু নতনম্রদের অনুগ্রহ দান করেন।”

[7] অতএব, তোমরা ঈশ্বরের বশ্যতাধীন হও। দিয়াবলের প্রতিরোধ করো, আর সে তোমাদের কাছ থেকে পলায়ন করবে।

[8] ঈশ্বরের কাছে এসো, তিনিও তোমাদের কাছে আসবেন। পাপীরা, তোমরা তোমাদের হাত ধুয়ে ফেলো ও দ্বিধাগ্রস্ত ব্যক্তিরা, তোমরা তোমাদের অন্তর পরিশুদ্ধ করো।

[9] তোমরা দুঃখ-কাতর হও, শোক ও বিলাপ করো। তোমাদের হাসিকে কান্নায় ও আনন্দকে বিষাদে পরিবর্তিত করো।

[10] তোমরা প্রভুর কাছে নিজেদের নতনম্র করো, তিনিই তোমাদের উন্নীত করবেন।

[11] ভাইবোনেরা, তোমরা পরস্পরের বিরুদ্ধে কুত্সা-রটনা কোরো না। যে তার ভাইয়ের (বা বোনের) বিরুদ্ধে কথা বলে, কিংবা তার বিচার করে, সে বিধানের বিরুদ্ধে কথা বলে ও তা বিচার করে। তোমরা যখন বিধানের বিচার করো, তোমরা তা আর পালন না করে তা নিয়ে বিচার করতে বসো।

[12] বিধান-দাতা ও বিচারক কেবলমাত্র একজনই আছেন, যিনি রক্ষা বা ধ্বংস, উভয়ই করতে সক্ষম। কিন্তু তুমি, তুমি কে যে, তোমার প্রতিবেশীর বিচার করো?

[13] এখন শোনো, তোমরা যারা বলে থাকো, “আজ বা আগামীকাল আমরা এই নগরে বা ওই নগরে যাব, সেখানে এক বছর থাকব, ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন করব।”

[14] কেন, তোমরা তা জানোই না যে, আগামীকাল কী ঘটবে! তোমাদের জীবন কী প্রকার? তোমরা তো কুয়াশার মতো, যা ক্ষণকালের জন্য দেখা দিয়েই লুপ্ত হয়।

[15] বরং তোমাদের বলা উচিত, “যদি প্রভুর ইচ্ছা হয়, আমরা বেঁচে থেকে এ কাজ বা ও-কাজ করব।”

[16] কিন্তু যেমন দেখা যাচ্ছে, তোমরা দর্প ও বড়াই করছ। এধরনের সমস্ত গর্ব হল মন্দ বিষয়।

[17] তাহলে, সৎকর্ম করতে জেনেও যে তা করে না, সে পাপ করে।

যাকোব — Chapters