[1] বাদে ইছারে পরিক্ষা করার লাগি ফরিশি আর সিদ্দেকিয়া মজহবর কিছু মানুষ আইলা, আইয়া আছমানি কুনু নিশানা দেখতা চাইলা।
[2] ইছায় কইলা, “বিয়ালি বালা আছমানর লাল রং দেখিয়া আপনারা কইন, কাইলকুর দিন তো ভালা অইবো।
[3] আর বিয়ানি বালা আছমানো কালনি দেখিয়া কইন, আইজ মেঘ-তুফান অইবো। তে আছমানর হালত আপনারা ঠিকউ বুজইন, অইলে জমানার হালত আপনারা বুজইন না।
[4] অউ জমানার বেইমান আর নাফরমান অকলে খালি কেরামতি দেখতা চাইন, অইলে ইউনুছ নবীর নিশানা ছাড়া দুছরা কুনু নিশানা তারারে দেখাইল অইতো নায়।” অখান কইয়া তাইন এরারে থইয়া হরি গেলা।
[5] বাদে আওর পাড়ি দিয়া যাওয়ার কালো সাহাবি অকলে লগে করি রুটি নিতা ফাউরিলিলা।
[6] ইছায় তারারে কইলা, “তুমরা সাবধান অও, ফরিশি আর সিদ্দেকিয়া দলর খামির থাকি হুশিয়ার রইও।”
[7] ইখান হুনিয়া সাহাবি অকলে কানা-কানি করি কইলা, “আমরা রুটি আনছি না করি মনোলয় তাইন অখান কইরা।”
[8] ইছায় তারার ভাব বুজিলিলা, বুজিয়া কইলা, “হায়রে কমজুর ইমানদার অকল, তুমরার গেছে রুটি নাই, ইখান কইরায় কেনে?
[9] তুমরা অখনও কুন্তা বুজো না নি, কুন্তা মনো অর না নি? আমি যেবলা পাচখান রুটিদি পাচ আজার মানষরে খাওয়াইছলাম, খানির বাদে তুমরা কত টুকরি গুড়া-গাড়া দলা করছলায়?
[10] আর হউ যে সাতখান রুটিদি চাইর আজার মানষে খাইছলা, খাইয়া হারলে কত টুকরি দলা করছলায়?
[11] তে অখন তুমরা বুজো না কেনে, আমি অউ রুটির বেয়াপারে কইয়ার না? হুনো, ফরিশি আর সিদ্দেকিয়া অকলর খামির থাকি হুশিয়ার অও।”
[12] তেউ সাহাবি অকলে বুজলা, তাইন আসলে খাইবার খামির থাকি হুশিয়ারর কথা কইরা না, বরং ফরিশি আর সিদ্দেকিয়া অকলর তালিম থাকি হুশিয়ার অইতে কইছইন।
[13] বাদে তান সাহাবি অকলরে লইয়া কৈছরিয়া-ফিলিপি টাউনর কান্দা-কাছাত গেলা। পথো সাহাবি অকলরে জিকাইলা, “কওছাইন, মানষে কিতা মনো করইন, আমি বিন-আদম কে?”
[14] এরা জুয়াপ দিলা, “কুনু কুনু মানষে কইন, আপনে এহিয়া নবী। কুনু জনে কইন ইলিয়াছ নবী। কেউ কেউ কয় ইয়ারমিয়া নবী, বা অইন্য কুনু নবী।”
[15] অউ তাইন কইলা, “অইলে তুমরা কিতা মনো করো, আমি কে?”
[16] সাহাবি সাইমন-পিতরে জুয়াপ দিলা, “আপনে তো আল্লার ওয়াদা করা হউ আল-মসী ইবনুল্লা, জিন্দা আল্লার খাছ মায়ার জন।”
[17] ইছায় কইলা, “ও সাইমন বিন ইউনুছ, তুমি বড় নেক-কপালি, কারন, দুনিয়ার কুনু মানষে তুমারে ইতা জানাইছে না, অইলে আমার বেহেস্তি বাফ আল্লায়উ জানাই দিছইন।
[18] তে আমি তুমারে কইরাম, তুমি তো পাথর, এরলাগি তুমার নাম দিছলাম পিতর, আর অউ পাথরর উপরেউ আমার তরিকার তামাম জমাত গড়িয়া তুলমু। দোজখি কুনু শক্তিয়েউ এর লগে পারতো নায়।
[19] তুমার আতো আমি বেহেস্তি বাদশাইর চাবি দিমু, অউ দুনিয়াত তুমি যেতারে নাজাইজ কইবায়, ইতা আল্লার দরবারো নাজাইজ অইযিবো, আর তুমি যেতারে জাইজ কইবায়, আল্লার দরবারোও ইতা জাইজ অইযিবো।”
[20] বাদে ইছায় তারারে দড়াইয়া কইলা, “আমিউ যেন হউ আল-মসী, ইতা কেউররে হুনাইও না।”
[21] অউ সময় থাকি ইছায় তান সাহাবি অকলরে জানানি ধরলা, তাইন জেরুজালেমো যাইতে অইবো। হনর মুরব্বি অকলে, বড় ইমাম অকলে আর মৌলানা অকলে তানরে বউত দুখ-মছিবতো ফালাইবা। বাদে তানরে কাতল করা অইবো, অইলে মউতর তিন দিনর দিন হিরবার জিন্দা অইয়া উঠবা।
[22] ইখান হুনিয়া সাহাবি পিতরে তানরে থুড়া হরাইয়া নিয়া কইলা, “হুজুর, অসম্ভব, আপনার উপরে কুনুমন্তেউ ইতা অইতে পারে না।”
[23] ইছায় পিতরর বায় ফিরিয়া কইলা, “ধুর ইবলিছ, আমার গেছ থাকি বাগ। তুই আমার পথর জইঞ্জাল। তুই আল্লাই মুনশারে বাদ দিয়া, মানষর লাখান চিন্তা কররে।”
[24] বাদে তাইন এরারে কইলা, “কেউ যুদি আমার তরিকাত আইতো চায়, তে হে তার নিজর খুশিয়ে চলা বাদ দেউক, তার আপন দুখ-কষ্টর সলিব বইয়া লইয়া আমার খরে আউক।
[25] যে মানষে তার নিজর জান বাচাইতো চায়, হে তার আসল জিন্দেগি খুয়াইবো। অইলে যে জনে আমার লাগি তার জান কুরবানি দেয়, হে আসল জিন্দেগি পাইবো।
[26] কুনু মানষে আস্তা দুনিয়া পাইয়াও যুদি তার আসল জিন্দেগি খুয়াইলায়, তে তার কুনু ফায়দা অইলো নি? হেশে আসল জিন্দেগি পাওয়ার লাগি হে কুন ধন বিলাইবো?
[27] আমি বিন-আদমে যেবলা আমার ফিরিস্তা অকলরে লগে লইয়া আমার গাইবি বাফর কুদরতি মহিমায় জগতো হিরবার আইমু, অউ সময় পরতেক মানষরে তার আমল মাফিক ফল দিমু।
[28] হুনো, আমি তুমরারে হাছা কথা কইরাম, অনো ইলাখান কয়জন আজির আছইন, আমি বিন-আদম বাদশা হালতে না আওয়া পর্যন্ত, কুনুমন্তেউ এরার মউত অইতো নায়।”