[1] বাদে ইছায় তান বারোজন সাহাবিরে ডাকাইয়া আনলা, আনিয়া জিন-ভুত ছাড়ানি, আর হকল জাতর বেমারিরে ভালা করার খেমতা দিলা।
[2] অউ বারোজন সাহাবি অইলা, সাইমন উরফে পিতর আর তান ভাই আন্দ্রিয়াছ, জিবুদিয়ার পুয়াইন ইয়াকুব আর হান্নান, ফিলিফ আর বর্থলময়,
[3] থুমাছ আর খাজনা তুলরা মথি, আলফির পুয়া ইয়াকুব আর থদ্দেয়,
[4] মুক্তিযুদ্ধা সাইমন আর ইহুদা ইস্কারিয়াত। অউ ইহুদায় বাদে বেইমানি করিয়া ইছারে দুশমনর আতো ধরাই দিছিল।
[5] অউ বারোজন সাহাবিরে ইছায় হুকুম দিলা, কইলা, “তুমিতাইন তবলিগো যাও, অইলে কুনু বিধর্মীর গেছে বা শমরিয়া জাতির কুনু গাউত যাইও না,
[6] খালি বনি ইছরাইলর আরাইল মেড়া অকলর গেছে যাও।
[7] যাওয়ার পথে তবলিগ করি করি যাইও, কইও, বেহেস্তি বাদশাই ধারো আইচ্ছে।
[8] আর তুমরা বেমারি অকলরে ভালা করিও, মরারে জিন্দা করিও, পচা-কুষ্ঠ বেমারিরে ভালা করিও, আর জিন-ভুত ছাড়াইও। তুমরা যেলা বিনা টেকায় পাইছো, অউলা বিনা টেকায়উ দিও।
[9] যাওয়ার সময় লগে করি টেকা-পয়সার থলি, সোনা-রুপা বা একটা সিকিও নিও না।
[10] তুমরা পথর লাগি লাঠি, গাইট-বুছকি, জুতা, বা দুইটা কোর্তাও লগে নিও না। যে জনে কাম করে, হে খাওয়া-ফিন্দা পাওয়ার জুকা।
[11] তুমরা যে গাউত হামাইবায়, অউ গাউর একজন যোইগ্য মানষরে তুকাইয়া বার করিও, ই গাউ ছাড়িয়া যাওয়ার আগ পর্যন্ত এন বাড়িতউ রইও।
[12] বাড়ির ভিতরে হামানির বালা তারারে ছালাম দিও।
[13] ই বাড়ি যুদি ছালাম পাওয়ার জুকা অয়, তে তুমরার দেওয়া অউ শান্তি তারা পাইবা, আর জুকা না অইলে তুমরার শান্তি তুমরার গেছেউ ফিরিয়া আইবো।
[14] ই জাগার কেউ যুদি তুমরারে কবুল না করে, তুমরার কথা না হুনে, তে ই বাড়ি বা গাউ থাকি বারনির বালা তুমরার পাওর ধুইল ঝাড়িয়া ফালাইয়া আইও।
[15] আমি তুমরারে হাছা কথা কইরাম, হাশরর দিন অউ গাউর দশা থাকি, হউ লান্নতি ছাদুম আর আমুরা টাউনর দশা বউত ভালা অইবো।
[16] “হুনো, রাইক্কস বাঘর ছামনে মেড়ার লাখান আমি তুমরারে পাঠাইরাম। এরলাগি তুমরা হাফর লাখান চালাক-চতুর আর পারো পাখির লাখান সরল অও।
[17] হুশিয়ার রইও, মানষে তুমরারে ধরিয়া আদালতো সমজাইবা, আর তারার মছিদো নিয়া তুমরারে ছিংলাদি মারবা।
[18] আমার নাম লওয়ার লাগি তুমরারে রাজা-বাদশার ছামনে নেওয়া অইবো। তুমরা এরার ছামনে আর বিধর্মী অকলর গেছে আমার বেয়াপারে সাক্ষি দিবায়।
[19] মানষে যেবলা তুমরারে ধরাই দিবো, অউ সময় কিতা মাততায় বা কিতা কইতায়, ইতা লইয়া কুনু চিন্তা করিও না। হউ সময় তুমরারে ইতা হিকাই দেওয়া অইবো।
[20] আসলে তুমরার মুখদি যেন তুমরা নিজে মাতবায়, ইখান নায়, তুমরার বাতুনি বাফর যে রুহ তুমরার ভিতরে আছে, হউ রুহেউ ইতার জুয়াপ দিবা।
[21] “ভাইয়ে ভাইরে আর বাফে পুয়ারে খুন করানির লাগি ধরাই দিবো। পুয়া-পুড়িয়েও তারার মা-বাফর বিপক্ষে গিয়া তারারে খুন করাইবো।
[22] আমার কারনে হকল মানষে তুমরারে ঘিন্নাইবো, অইলে হেশ পর্যন্ত যে টিকিয়া রইবো, হে-উ রেহাই পাইবো।
[23] কুনু গাউর মানষে তুমরারে জুলুম করলে, ই গাউ ছাড়িয়া অইন্য গাউত যাইওগি। হুনো, আমি হাছা কথা কইরাম, ইছরাইল দেশর হক্কল টাউন আর গাউত তুমরার তবলিগ শেষ অওয়ার আগেউ বিন-আদম হিরবার আইবা।
[24] “মনো রাখিও, উস্তাদ থাকি সাগরিদ বড় নায়, আর মুনিব থাকি তার গুলাম বড় নায়।
[25] তে সাগরিদ তার উস্তাদর সমান, আর গুলাম তার মুনিবর সমান অওয়াউ যথেষ্ট। হুনরায় নি, ঘরর মুনিবরে যেবলা ভুতর বাদশা বেল-সবুল কইরা, তে ঘরর বাকি হকলরে তারা আরো কতোতা কইবা!
[26] “অইলে তুমরা তারারে ডরাইও না, কারন ইলা গোপন কুন্তাউ নাই যেতা জাইর অইতো নায়। ইলা লুকাইলও কুন্তা নাই যেতা কেউ হুনতো নায় বা জানতো নায়।
[27] আমি আন্দারির মাজে যেতা তুমরারে কইছি, তুমরা ইতা ফরর মাজে কইও। যেতা কানে কানে হুনছো, ইতা ছাটর উপরে থাকি জুরে জুরে এলান করিও।
[28] যারা মানষর কায়ারে বিনাশ করতো পারে, অইলে রুহরে কুন্তা করতো পারে না, তারারে ডরাইও না। যেইন কায়া আর রুহ দুইওতারে দোজখো জালাইতা পারইন, খালি তানরেউ ডরাইও।
[29] হুনো, দুইটা চড়া পাখি খালি দুই টেকায় বিকে না নি? অইলে তুমরার বাতুনি বাফ আল্লার হুকুম না অইলে অতা এগু চড়া পাখিও মাটিত পড়ে না।
[30] জানো তো, তুমরার মাথার চুল গেছাইনও গনা আছে।
[31] এরদায় তুমরা ডরাইও না। তুমরার দাম তো বউত চড়া থাকিও বেশি।
[32] “সমাজর ছামনে যে জনে আমারে কবুল করে, আমিও আমার বেহেস্তি বাফ আল্লা পাকর ছামনে তারে কবুল করমু।
[33] অইলে যে মানষে সমাজর ছামনে আমারে অস্বীকার করবো, আমিও তারে আমার বেহেস্তি বাফ আল্লার ছামনে অস্বীকার করমু।
[34] “তুমরা মনো কররায় নি, আমি দুনিয়াত শান্তি দিতাম আইছি? না, মোটেউ নায়, আমি তো দুনিয়াত এক মতোভেদ লাগানিত আইছি।
[35] আমি বাফে-পুয়ায়, মায়-পুড়িয়ে, আর হড়িয়ে-বউয়ে বিবাদ লাগানিত আইছি।
[36] মানষর নিজর পরিবারর জনেউ তার লগে দুশমনি করবো।
[37] “যে মানষে আমা থাকি তার মা-বাফরে বেশি মায়া করে, হে আমার উম্মত অইতো পারতো নায়। আর যে জনে আমা থাকি তার পুয়ারে বা তার পুড়িরে বেশি মায়া করে, হে-ও আমার উম্মতর জুকা নায়।
[38] যে জনে নিজর দুখ-কষ্টর সলিব বইয়া লইয়া আমার খরে না আয়, হে-ও আমার জুকা নায়।
[39] যে জনে তার নিজর জান বাচাইতো চায়, হে তার আসল জিন্দেগি খুয়াইবো। অইলে যে জনে আমার লাগি তার জান কুরবানি দিলায়, হে আসল জিন্দেগি পাইবো।
[40] “যে জনে তুমরারে কবুল করে, হে আমারেউ কবুল করে, আর যে আমারে কবুল করে, হে আসলে হউ আল্লারেউ কবুল করে, যেইন আমারে পাঠাইছইন।
[41] কেউ যুদি কুনু নবীরে নবী কইয়া কবুল করে, তে অউ নবীয়ে যে পুরুস্কার পাইবা, হে-ও অউ পুরুস্কার পাইবো। কুনু আল্লারাইয়া মানষরে কেউ যুদি আল্লারাইয়া কইয়া কবুল করে, তে অউ আল্লারাইয়া মানষে যে পুরুস্কার পাইবা, হে-ও অউ পুরুস্কার পাইবো।
[42] আর আমার উম্মত জানিয়া কেউ যুদি তুমরার মাজর এক নগইন্য জনরেও এক গেলাস পানি খাওয়ায়, তে হে কুনুমন্তেউ এর পুরুস্কার থাকি বাদ পড়তো নায়।”