Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 5:46

[1] হজরত ইছায় চাইয়া দেখলা, ধনি অকলে বায়তুল-মুকাদ্দছর লিল্লার ডেগর মাজে দান-খয়রাত দিরা।

[2] এরমাজে দেখলা, খুব গরিব এক ড়াড়ি বেটিয়েও আইয়া ডেগর মাজে দুইটা পয়সা দান করলো।

[3] দেখিয়া তান সাহাবি অকলরে কইলা, “আমি তুমরারে হাছা কথা কইরাম, অউ গরিব ড়াড়ি বেটিয়ে হকল থাকি বেশি দান করছে।

[4] কারন বাকি হকলে খরচ করার বাদে যেতা দেড়িয়া রইছে, অন থাকি থুড়া অংশ ডেগর মাজে দান করছে। অইলে ই বেটিয়ে নিজর অভাব-অনটন থাকলেও, তাইর কামাইল হক্কলতাউ দান করিলিছে।”

[5] কয়জন সাহাবিয়ে বায়তুল-মুকাদ্দছ কাবা শরিফর বেয়াপারে মাতিলা, কইলা, “দেখরা নি, অতো সুন্দর সুন্দর পাথরদি আর দান-খয়রাতদি ঘরখানরে হাজাইল অইছে।”

[6] ইছায় তারারে কইলা, “তুমরা অউ যততা দেখরায়, অলা এক দিন আইবো, যেবলা ইতা এক পাথরর উপরে আরক পাথর রইতো নায়। হকলতা মাটির লগে মিশিযিবো।”

[7] সাহাবি অকলে তানরে জিকাইলা, “হুজুর, ইতা কুন জমানাত অইবো? কুন আলামত দেখলে বুজা যাইবো, হি সময় অইগেছে?”

[8] তাইন কইলা, “হুশিয়ার রইও, কেউ যানু তুমরারে বে-পথে না নেয়। বউত জনে আমার নাম ধরি আইয়া কইবো, সময় অইগেছে, আমিউ আল-মসী। অইলে তুমরা ইতার খরে যাইও না।

[9] তুমরা যেবলা যুদ্ধ আর গন্ডগোলর খবর হুনবায়, ডরাইও না। কারন পয়লা ইতা অইবোউ অইবো, অইলে ইতা তো শেষ নায়।”

[10] বাদে তাইন কইলা, “জাতিয়ে জাতির বিপক্ষে, রাজায় রাজার বিপক্ষে যুদ্ধ করবো।

[11] বড় বড় ভৈছাল অইবো, জাগায় জাগায় নিদান আর বেজুইতা বেমার-আজারে মানুষ মরবা। আছমানোও খুব ডর-খফর নিশানা আর আজব আজব কুদরতি লিলা জাইর অইবো।

[12] “অইলে ইতা ঘটার আগে মানষে তুমরারে খেদাইবো, ধরবো। বিচারর লাগি মজলিছর ছামনে আজির করবো, জেলো হারাইবো। আমার নামর লাগি তুমরারে রাজা-বাদশা আর হাকিম অকলর ছামনে নেওয়া অইবো।

[13] তেউ আমার নামে তবলিগ করার লাগি তুমরা সুযোগ পাইবায়।

[14] অইলে তুমরা মনো রাখিও, কিতা জুয়াপ দিতায়, ইতা আগে চিন্তা করার কুনু জরুর নায়।

[15] কারন আমি তুমরারে অউলা জবান আর হেকমত যুগাইয়া দিমু, তুমরার বিপক্ষ অকলে ইতা ফিরাইতো পারতো নায়, এর জুয়াপ দিবারও তাক্কত অইতো নায়।

[16] তুমরার মা-বাফ, ভাই-বিরাদর, খেশ-কুটুম আর দুস্ত অকলেও তুমরারে ধরাইয়া দিবা। তারা তুমরার কুনু কুনু জনরে জানে মারাইলিবা।

[17] আর আমার নামর লাগি তুমরারে হক্কলে ঘিন্নাইবো।

[18] অইলেও কুনুমন্তেউ তুমরার মাথার একছা চুলরও খেতি অইতো নায়।

[19] তুমরা ইমানে মজবুত রইলে, নিজর হাছারর জিন্দেগি হাছিল করবায়।

[20] “তুমরা দেখবায়, সিপাই অকলে আইয়া চাইরোবায় থনে জেরুজালেমরে ঘেরাও করিলিরা, তেউ বুজিলিও, জেরুজালেমর বিনাশ আইচ্ছে।

[21] হি সময় যারা এহুদিয়া জিলাত থাকবা, তারা পাড়েদি গিয়া বাগউক। যারা অউ জেরুজালেমো থাকবা, তারা টাউনর বারে যাউক। যারা গাউ-গেরামো থাকবা, তারা যানু কুনুমন্তেউ টাউনো না আইন।

[22] কারন ই অখত অইলো আল্লাই গজবর অখত, আল্লার কালামর আয়াত অকল পুরা অইবার অখত।

[23] ইস! ই সময় যেতা বেটিন্তর পেটো হুরুতা থাকবা, যেরা হুরুতারে বুকুর দুধ খাওয়াইবা, এরার বউত কষ্ট অইবো! দেশর উপরে বেজুইতা দুর্গতি, আর ইহুদি অকলর উপরে গজব নাজিল অইবো।

[24] তলোয়ারর তলে তারা জান খুয়াইবা, বন্দি অইয়া হক্কল জাতির মাজে যাইবা। অউ বিধর্মী জাতির খেমতার সময় পুরা অওয়ার আগ পর্যন্ত, ই জেরুজালেম তারার পাওর তলে রইবো।

[25] “চান-সুরুজ আর আছমানর তেরার মাজে নানান আলামত দেখা যাইবো। দুনিয়ার হকল দেশর মানষর কষ্ট অইবো। দরিয়ায় উতাল-পাতাল করবো। ঢেউর আওয়াজে মানুষ বেদিশা লাগবা।

[26] দুনিয়াত কুন দশা ঘটিবো অতা চিন্তা করিয়া ডরর চুটে মানুষ বেউশ অইযিবো, আছমানি চান-সুরুজ, তেরা হক্কলতা আউলা জাউলা অইযিবো।

[27] অউ সময় দেখবায়, আমি বিন-আদমে আল্লার কুদরতি শক্তি আর নুরর মহিমায় মেঘর খুটিত অইয়া দুনিয়াত তশরিফ আনিয়ার।

[28] ইতা হাল-হকিকত দেখলে তুমরা মজবুত অইও, মাথা উচা করিও, বুজিলিও তুমরার নাজাত ধারো আইচ্ছে।”

[29] ইছায় তারারে অউ মিছাল হুনাইলা, কইলা, “তুমরা ডুমুর গাছ আর অইন্য গাছাইন্তর বায় দেখো,

[30] ইতার নয়া কুড়ি-পাতা বারনি দেখলেউ তুমরা বুজিলাও, গরমর দিন আইচ্ছে।

[31] অউলা তুমরা যেবলা দেখবায়, ইতা হাল-হকিকত ঘটের, তে বুজিলিও আল্লার বাদশাই নজদিক আইচ্ছে।

[32] আমি তুমরারে হাছাউ কইরাম, ইতা হক্কলতা না ঘটার আগে, ই জমানার মানুষ ক্ষয় অইতা নায়।

[33] আছমান-জমিন ক্ষয় অইযিবো, অইলে আমার কালাম কুনুদিনও ক্ষয় অইতো নায়।

[34] “তুমরা নিজে হুশিয়ার রইও, যাতে মজার মজার খানি, মদ খাইয়া টাল অওয়া আর রুজি-রুজগারর নেশায় আউলা-জাউলা না অও, আরনায় হউ দিন আইয়া আখতাউ তুমরারে ফান্দো হারাইতো পারে।

[35] দুনিয়ার তামাম মানষর উপরেউ হি দিন আজির অইবো।

[36] অইলে তুমরা হামেশা হজাগ রইও, আর দোয়া করিও, যাতে অউ যেতা জাইর অইবো অতা পার অইয়া হারি আমার ছামনে উবানির বল পাও।”

[37] ইছায় পরতেক দিন বায়তুল-মুকাদ্দছো আইয়া নছিয়ত করতা। বাদে রাইত অইলে তাইন বার অইয়া জয়তুন পাড়ো যাইতাগি।

[38] হকল মানষে তান বয়ান হুনার নিয়তে বিয়ান-ছবরে বায়তুল-মুকাদ্দছো আইতা।

তিছরা ছিপারা: আল-লুক — Chapters