[1] লোকদের তুমি স্মরণ করিয়ে দিয়ো, তারা যেন প্রশাসক ও কর্তৃপক্ষের অনুগত ও বাধ্য হয় এবং যে কোনো সৎকর্মের জন্যই যেন প্রস্তুত থাকে।
[2] তারা যেন কারও নিন্দা না করে, কিন্তু শান্তিপ্রিয় ও সুবিবেচক হয় এবং সব মানুষের প্রতি যথার্থ নম্রতা প্রদর্শন করে।
[3] এক সময় আমরাও ছিলাম মূর্খ, অবাধ্য, পথভ্রষ্ট মানুষ এবং সমস্ত রকমের কামনা-বাসনা ও ইন্দ্রিয়সুখের দাস। আমরা বিদ্বেষ ও ঈর্ষাপূর্ণ জীবনযাপন করতাম এবং নিজেরাও অন্যদের ঘৃণিত ছিলাম। আমরা পরস্পরকে ঘৃণা করতাম।
[4] কিন্তু যখন আমাদের উদ্ধারকর্তা ঈশ্বরের করুণা ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটল,
[5] তখন তিনি আমাদের পরিত্রাণ করলেন, আমাদের কৃত ধর্মকর্মের জন্য নয়, কিন্তু তাঁর করুণার গুণে। তিনি নতুন জন্মের স্নান ও পবিত্র আত্মার নবীকরণের মাধ্যমে আমাদের পরিত্রাণ সাধন করলেন।
[6] যাঁকে তিনি আমাদের পরিত্রাতা যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে উদারতার সঙ্গে ঢেলে দিলেন,
[7] যেন তাঁর অনুগ্রহে আমরা ধার্মিক সাব্যস্ত হয়ে শাশ্বত জীবনের প্রত্যাশায় তাঁর উত্তরাধিকারী হয়ে উঠতে পারি।
[8] এই উক্তি নির্ভরযোগ্য। আমি চাই, এ সমস্ত বিষয়ে তুমি গুরুত্ব দেবে, যেন ঈশ্বরের উপর যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা সতর্কভাবে সত্কর্মে আত্মনিয়োগ করে। এই বিষয়গুলি পরম উৎকৃষ্ট এবং সবার পক্ষেই লাভজনক।
[9] কিন্তু বিচারবুদ্ধিহীন মতবিরোধ, বংশতালিকা, তর্কবিতর্ক এবং বিধিবিধান সম্পর্কিত সব কলহ এড়িয়ে চলো, কারণ এসব অ-লাভজনক এবং নিরর্থক।
[10] বিভেদ সৃষ্টিকারী ব্যক্তিকে একবার বা প্রয়োজন হলে দুবার সতর্ক করে দাও। এরপর তার সঙ্গে আর সম্পর্ক রেখো না।
[11] তুমি নিশ্চিতভাবে জেনো যে, এই ধরনের লোকেরা বিকৃতমনা এবং তারা পাপে লিপ্ত; তারা নিজেরাই নিজেদের দোষী করে।
[12] আর্তিমা বা তুখিককে তোমার কাছে পাঠানো মাত্র নিকোপলিতে আমার কাছে আসার জন্য তুমি যথাসাধ্য চেষ্টা কোরো, কারণ সেখানেই আমি শীতকাল কাটাতে মনস্থির করেছি।
[13] আইনজীবী সীনাকে ও আপল্লোকে তাদের যাত্রাপথে যথাসাধ্য সাহায্য কোরো, দেখো তাদের প্রয়োজনীয় সবকিছুই যেন তারা পায়।
[14] আমাদের লোকদের সত্কর্মে আত্মনিয়োগ করতে শেখা উচিত, যেন তারা দৈনিক প্রয়োজন মেটাতে পারে এবং তাদের জীবন ফলহীন হয়ে না পড়ে।
[15] আমার সঙ্গীরা সকলে তোমাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। বিশ্বাসে যারা আমাদের ভালোবাসে, তাদের শুভেচ্ছা জানিয়ো। অনুগ্রহ তোমাদের সকলের সহবর্তী হোক।