Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 5:33

[1] কোনো প্রবীণ ব্যক্তিকে কঠোরভাবে তিরস্কার কোরো না, বরং তাঁকে তোমার পিতার মতো মনে করে বিনীতভাবে অনুনয় কোরো। যুবকদের কনিষ্ঠ ভাইয়ের মতো মনে কোরো।

[2] প্রবীণাদের মায়ের মতো এবং তরুণীদের সঙ্গে সম্পূর্ণ শুদ্ধভাবে বোনের মতো আচরণ করবে।

[3] প্রকৃত দুস্থ বিধবাদের যথাযথ স্বীকৃতি দিয়ো।

[4] কিন্তু কোনো বিধবার যদি সন্তানসন্ততি বা পৌত্র-পৌত্রী থাকে, প্রথমে তারা নিজেদের তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে তাদের ধর্মীয় কর্তব্য পালন করা শিক্ষা করুক এবং এইভাবে তারা তাদের পিতামাতার ও পিতামহ-পিতামহীর প্রত্যুপকার করুক, কারণ তা ঈশ্বরের সন্তোষজনক।

[5] যে বিধবা প্রকৃতই নিঃস্ব ও একেবারেই নিঃসঙ্গ, সে ঈশ্বরের উপরেই প্রত্যাশা রাখে এবং দিনরাত প্রার্থনায় নিবিষ্ট থেকে ঈশ্বরের সাহায্য ভিক্ষা করে।

[6] কিন্তু যে বিধবা কামনার বশে জীবনযাপন করে, সে জীবিত থেকেও মৃত।

[7] তুমি লোকদের এই শিক্ষাও দাও, যেন কেউ তাদের অপবাদের সুযোগ না পায়।

[8] কেউ যদি তার আত্মীয়-স্বজনের, বিশেষত পরিবারের আপনজনদের ভরণ-পোষণ না করে, সে বিশ্বাস অস্বীকার করেছে এবং অবিশ্বাসীর চেয়েও নিকৃষ্ট প্রতিপন্ন হয়েছে।

[9] তাঁরই নাম বিধবাদের তালিকাভুক্ত হবে, যাঁর বয়স ষাট বছরের ঊর্ধ্বে, যিনি তাঁর স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন,

[10] যিনি বিভিন্ন সৎকর্মের জন্য সুপরিচিত, যেমন সন্তানের লালন-পালন, আতিথেয়তা, সন্তজনদের পাদপ্রক্ষালন, বিপন্নদের সাহায্য দান এবং যিনি সর্বপ্রকার সত্কর্মে আত্মনিয়োগ করেছেন।

[11] অল্পবয়স্ক বিধবাদের নাম এই ধরনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোরো না। কারণ খ্রীষ্টের প্রতি আত্মনিবেদনের চেয়ে, তাদের জৈবিক কামনা-বাসনা যখন প্রবল হয়ে ওঠে, তখন তারা বিবাহ করতে চায়।

[12] তারা যদি এরকম করে তবে তারা বিচারিত হবে। এভাবে তারা প্রথম প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে নিজেদের অপরাধী করে তোলে।

[13] এছাড়া তারা অলসতায় জীবনযাপন করতে এবং বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। তারা যে শুধু অলসই হয়, তা নয়, তারা অনধিকারচর্চা এবং কুত্সা-রটনা করে যা বলা উচিত নয়, এমন কথা বলে বেড়ায়।

[14] তাই অল্পবয়স্ক বিধবাদের প্রতি আমার শিক্ষা: তারা বিবাহ করুক, সন্তানের জন্ম দিক, তাদের গৃহ নিয়ন্ত্রণ করুক, মিথ্যা কলঙ্ক দেওয়ার কোনো সুযোগ তারা যেন শত্রুকে না দেয়।

[15] বাস্তবিক, কেউ কেউ ইতিমধ্যেই পথভ্রষ্ট হয়ে শয়তানের অনুগামী হয়েছে।

[16] বিশ্বাসী কোনো মহিলার পরিবারে যদি বিধবারা থাকে, তাহলে সে তাদের সাহায্য করুক, তাদের জন্য মণ্ডলীকে যেন ভারগ্রস্ত না হতে হয়; সেক্ষেত্রে যে বিধবারা সত্যিসত্যিই দুস্থ, মণ্ডলী তাদের সাহায্য করতে পারবে।

[17] যেসব প্রাচীন মাণ্ডলিক কাজকর্ম ভালোভাবে পরিচালনা করেন, তাঁরা দ্বিগুণ সম্মানের যোগ্য, বিশেষত, যাঁরা প্রচারক ও শিক্ষক।

[18] কারণ শাস্ত্র বলে, “শস্য মাড়াই করার সময় বলদের মুখে জালতি দিয়ো না” এবং “কর্মচারী তার বেতন পাওয়ার যোগ্য”

[19] দুজন কি তিনজন সাক্ষীর সমর্থন ছাড়া, কোনো প্রাচীনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে গ্রাহ্য কোরো না।

[20] যারা পাপ করে, প্রকাশ্যে তাদের তিরস্কার করো, যেন অন্যেরা সতর্ক হতে পারে।

[21] ঈশ্বর, খ্রীষ্ট যীশু এবং মনোনীত দূতদের সাক্ষাতে আমি তোমাকে আদেশ দিচ্ছি, এসব নির্দেশ নিরপেক্ষভাবে পালন কোরো, পক্ষপাতিত্বের বশে কোনো কিছুই কোরো না।

[22] সত্বর কারও উপরে হাত রেখো না; অপরের পাপের ভাগী হয়ো না; নিজেকে শুচিশুদ্ধ রেখো।

[23] এখন থেকে শুধু জলপান কোরো না, তোমার পাকস্থলীর পীড়া এবং বারবার অসুস্থতার জন্য একটু দ্রাক্ষারস পান কোরো।

[24] কিছু লোকের পাপ স্পষ্ট ধরা পড়ে এবং তা বিচারের অপেক্ষা রাখে না, কিন্তু অন্যদের পাপ পরবর্তীকালে ধরা পড়ে।

[25] একইভাবে, সৎ কর্মগুলি সুস্পষ্ট দেখা যায়, এমনকি, যদি নাও দেখা যায়, সেগুলি ঢেকে রাখা যায় না।

1 তিমথি — Chapters