[1] সর্বপ্রথমেই আমি অনুনয় করছি, সকলের জন্য যেন অনুরোধ, প্রার্থনা, মিনতি এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়,
[2] বিশেষত রাজন্যবর্গ এবং উচ্চপদে আসীন সকল ব্যক্তির জন্য, যেন আমরা পরিপূর্ণ ভক্তিতে ও পবিত্রতায়, শান্তিপূর্ণ ও নিরুদ্বিগ্ন জীবনযাপন করতে পারি।
[3] এটিই উত্তম এবং আমাদের পরিত্রাতা ঈশ্বরের সন্তোষজনক।
[4] তিনি চান, সব মানুষ যেন পরিত্রাণ পায় এবং সত্য-সম্পর্কিত জ্ঞানে উপনীত হতে পারে।
[5] কারণ ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যে একজন ঈশ্বর ও একজন মধ্যস্থতাকারী আছেন, তিনি মানব, খ্রীষ্ট যীশু।
[6] তিনি সব মানুষের জন্য নিজেকে মুক্তিপণরূপে প্রদান করেছেন—এই সাক্ষ্য যথাসময়ে দত্ত হয়েছে।
[7] এই উদ্দেশ্যেই আমি বার্তাবাহক ও প্রেরিতশিষ্যরূপে এবং অইহুদিদের কাছে প্রকৃত বিশ্বাসের শিক্ষকরূপে নিযুক্ত হয়েছি—আমি সত্যিই বলছি, মিথ্যা নয়।
[8] আমি চাই, সর্বত্র পুরুষেরা ক্রোধ ছাড়া এবং মতানৈক্য ছাড়া, পবিত্র দু-হাত তুলে প্রার্থনা করুক।
[9] আমি এও চাই, নারীরা পরিশীলিত সাজসজ্জা করুক, শোভনতা ও শালীনতা বজায় রাখুক। কেশবিন্যাস, স্বর্ণ ও মণিমুক্তা বা বহুমূল্য পরিচ্ছদ দ্বারা নয়,
[10] কিন্তু যে নারীরা নিজেদের ঈশ্বরের উপাসক বলে দাবি করে, তারা যোগ্যরূপে সৎকর্মের দ্বারা ভূষিত হোক।
[11] নীরবে এবং সম্পূর্ণ বশ্যতার সঙ্গে নারীর শিক্ষাগ্রহণ করা উচিত।
[12] শিক্ষা দেওয়ার বা পুরুষের উপর কর্তৃত্ব করার অনুমতি আমি নারীকে দিই না, সে নীরব হয়ে থাকবে।
[13] কারণ, প্রথমে সৃষ্টি হয়েছিল আদমের, পরে হবার।
[14] আর আদম প্রতারিত হননি, নারীই প্রতারিত হয়ে পাপী প্রতিপন্ন হলেন।
[15] কিন্তু নারী যদি আত্ম-সংযমের সঙ্গে বিশ্বাস, প্রেম ও পবিত্রতা বজায় রাখে, তাহলে সন্তান-ধারণের মধ্য দিয়ে সে মুক্তি পাবে।