[1] সারারাত আমার শয্যায় আমি একজনের প্রতীক্ষায় পথ চেয়ে বসেছিলাম, যাঁকে আমার হৃদয় ভালোবাসে; তাঁর জন্য পথ চেয়ে বসে থাকলাম কিন্তু তাঁর দেখা পেলাম না।
[2] আমি এখন উঠব এবং নগরে যাব, সেখানকার পথে-ঘাটে ও উন্মুক্ত চত্বরে তাঁকে অন্বেষণ করব, যাঁকে আমার হৃদয় ভালোবাসে। এইভাবে আমি তাঁকে অন্বেষণ করলাম কিন্তু তাঁর দেখা পেলাম না।
[3] নগররক্ষীরা রাতপাহারা দেবার সময় আমাকে দেখতে পেল। “তোমরা কি তাঁকে দেখেছ, যাঁকে আমার হৃদয় ভালোবাসে?”
[4] এইসব বলে কোনরকমে তাদের এড়িয়ে আমি যখন অগ্রসর হলাম ঠিক তখনই তাঁর দেখা পেলাম, যাঁকে আমার হৃদয় ভালোবাসে। আমি তাঁকে আঁকড়ে ধরলাম, তাঁকে কিছুতেই ছাড়লাম না, যতক্ষণ না তাঁকে আমার মায়ের বাড়িতে, আমার জন্মদাত্রীর কক্ষে নিয়ে গেলাম।
[5] জেরুশালেমের কন্যারা, মাঠের গজলা হরিণীদের এবং হরিণীদের দিব্যি দিয়ে আমি তোমাদের বলছি, যতক্ষণ না বাসনা জেগে উঠছে, ততক্ষণ প্রেমকে জাগিও না বা তাকে উত্তেজিত কোরো না।
[6] বণিকদের বিভিন্ন মশলাপাতি সহযোগে তৈরি গন্ধরস ও কুন্দুরুর সুবাস ছড়িয়ে, মরুপ্রান্তর পেরিয়ে ধূম্রস্তম্ভের মতো কে আসে ওই?
[7] ও মা! দেখো, দেখো! এ যে শলোমনের শিবিকা, যাকে ষাটজন যোদ্ধা পাহারা দিচ্ছে, যারা ইস্রায়েলের সর্বোত্তম বীর,
[8] এঁরা প্রত্যেকেই সশস্ত্র, প্রত্যেকেই রণাঙ্গনের অভিজ্ঞতালব্ধ, এঁদের প্রত্যেকের কটিদেশে নিজ নিজ তরবারি সংলগ্ন, রাত্রিকালীন সন্ত্রাসের মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত।
[9] রাজা শলোমন তাঁর নিজের জন্য এই শিবিকাটি তৈরি করেছেন, লেবাননের কাঠ দিয়ে তিনি এটি নির্মাণ করেছেন।
[10] তিনি এর স্তম্ভগুলি রুপো দিয়ে, আর তলার অংশ সোনা দিয়ে তৈরি করেছেন, এর বসার গদিটি বেগুনিয়া বস্ত্রে সুসজ্জিত, এর অন্দরসজ্জায় জেরুশালেমের কন্যাদের প্রীতিপূর্ণ কারুকাজ।
[11] ওগো সিয়োন-কন্যারা, তোমরা বাইরে বেরিয়ে এসো, দেখো, রাজা শলোমনকে, তিনি মাথায় মুকুট পরছেন, সেই মুকুট যা তাঁর বিবাহের দিন তাঁর মা মাথায় পরিয়ে দিয়েছিলেন, যেদিন তাঁর হৃদয় হর্ষোৎফুল্ল হয়ে উঠেছিল।