Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 3:56

[1] শলোমনের পরমগীত।

[2] তাঁর মুখের চুম্বনে তিনি আমাকে চুম্বন করুন, কেননা তোমার প্রেম দ্রাক্ষারসের চেয়েও বেশি চিত্তাকর্ষক ও মধুর।

[3] তোমার সুগন্ধির ছড়ানো সুবাস প্রফুল্লদায়ক; তোমার নামটিও যেন ঢেলে দেওয়া আতর। ফলে কুমারী মেয়েরা যে তোমাকে প্রেম করবে, এতে বিস্ময়ের কিছু নেই!

[4] আমাকে নিয়ে চলো তোমার সঙ্গে দূরে—চলো, আমরা শীঘ্র যাই! আমার রাজা আমাকে নিয়ে যাবেন তাঁর অন্তঃপুরে। আমরা তোমাতে আনন্দিত ও উল্লসিত হব; দ্রাক্ষারসের চেয়েও আমরা তোমার প্রেমের বেশি বন্দনা করব। তোমার প্রতি লোকদের ভক্তি ভালোবাসা একেবারে ন্যায্য!

[5] হে জেরুশালেমের কন্যারা, আমি কৃষ্ণাঙ্গী হলেও সুন্দরী, ঠিক যেন কেদরের তাঁবু আমি, যেন শলোমনের তাঁবুর যবনিকা।

[6] আমি কৃষ্ণাঙ্গী বলে ওভাবে তাকিও না আমার দিকে, কেননা রোদে পুড়েই আজ আমি কৃষ্ণাঙ্গী। আমার মাতৃপুত্রগণ আমার প্রতি ক্রুদ্ধ ছিল এবং তারা আমাকে দ্রাক্ষাক্ষেত্র দেখভাল করতে পাঠাত; ফলে আমার নিজের দ্রাক্ষাক্ষেত্রকে আমায় উপেক্ষা করতে হয়েছে।

[7] ওগো প্রেমিক আমার, এবার বলত, তোমার মেষপালকে তুমি কোথায় চরাও এবং দ্বিপ্রহরকালে তোমার মেষদের কোথায় বিশ্রাম করাও। তোমার বন্ধুদের পালের পাশে আমাকে কেন অবগুণ্ঠনবতীর মতো হতে হবে?

[8] হে, নারীদের মধ্যে সেরা সুন্দরী, তা যদি তুমি না-জানো, তবে মেষদের পদচিহ্ন ধরে যাও, এবং পালকদের তাঁবুগুলির কাছে তোমার ছাগবৎসদের চরাও।

[9] প্রিয়তমা আমার, আমি তোমাকে তুলনা করেছি ফরৌণের অন্যতম এক রথের সঙ্গে যুক্ত এক অশ্বিনীর সঙ্গে।

[10] কানের দুলগুলি তোমার দু-কপোলকে আর রত্নখচিত মালা তোমার গ্রীবাকে করে তুলেছে অপূর্ব।

[11] আমরা তোমাকে করে তুলব যেন সোনার তৈরি কানের দুল, যা হবে রৌপ্যখচিত।

[12] রাজা যখন তাঁর মেজের নিকটে উপস্থিত, তখন আমার সুগন্ধি তার সৌরভ ছড়াল।

[13] আমার প্রেমিক আমার কাছে এক থলি গন্ধরসের মতো যা আমার স্তনযুগলের উপত্যকায় মিশে থাকে।

[14] আমার প্রেমিক আমার কাছে মেহেদি গুল্মের একগুচ্ছ কুঁড়ির মতো, যা জন্মায় ঐন-গদীর দ্রাক্ষাক্ষেত্রে।

[15] প্রিয়তমা আমার, অনিন্দ্যসুন্দরী তুমি! আহা, কি অপরূপ তুমি! তোমার দু-নয়ন কপোতের মতো।

[16] ওগো আমার প্রিয়তম, সুদর্শন তুমি! আহা, কী মনোহর তুমি! আমাদের শয্যাও কেমন শ্যামল।

[17] আমাদের ঘরের কড়িকাঠ তৈরি সিডার বৃক্ষের কাঠ দিয়ে, আর বরগা দেবদারু দিয়ে।

পরমগীত — Chapters