[1] প্রজ্ঞা তার বাড়ি নির্মাণ করেছে; সে তার সাতটি স্তম্ভ খাড়া করেছে।
[2] সে ভূরিভোজনের ব্যবস্থা করেছে ও দ্রাক্ষারস মিশিয়ে রেখেছে সে তার টেবিলও সাজিয়ে রেখেছে।
[3] সে তার দাসীদের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে, ও নগরের সবচেয়ে উঁচু জায়গা থেকে ডাক দিয়ে বলেছে,
[4] “যারা অনভিজ্ঞ মানুষ, তারা সবাই আমার বাড়িতে আসুক!” যাদের কোনও জ্ঞানবুদ্ধি নেই তাদের সে বলেছে,
[5] “এসো, আমার খাদ্যদ্রব্য ভোজন করো ও যে দ্রাক্ষারস আমি মিশিয়ে রেখেছি তা পান করো।
[6] তোমাদের অনভিজ্ঞতার পথ পরিত্যাগ করো ও তোমরা বেঁচে যাবে; দূরদর্শিতার পথে চলো।”
[7] যে কেউ বিদ্রুপকারীকে সংশোধন করতে যায় সে অপমান ডেকে আনে; যে কেউ দুষ্টকে ভর্ৎসনা করে সে কলঙ্কের ভাগী হয়।
[8] বিদ্রুপকারীদের ভর্ৎসনা কোরো না পাছে তারা তোমাকে ঘৃণা করে; জ্ঞানবানদের ভর্ৎসনা করো ও তারা তোমাকে ভালোবাসবে।
[9] জ্ঞানবানদের উপদেশ দাও ও তারা আরও জ্ঞানী হবে; ধার্মিকদের শিক্ষা দাও ও তাদের পাণ্ডিত্য বৃদ্ধি পাবে।
[10] সদাপ্রভুর ভয় প্রজ্ঞার আরম্ভ, ও পবিত্রতম সম্বন্ধীয় জ্ঞানই হল বোধশক্তি।
[11] কারণ প্রজ্ঞার মাধ্যমেই তোমার আয়ু বাড়বে, ও তোমার জীবনে বেশ কিছু বছর যুক্ত হবে।
[12] তুমি যদি জ্ঞানবান হও, তোমার প্রজ্ঞা তোমাকে পুরস্কৃত করবে; তুমি যদি একজন বিদ্রুপকারী, তবে তুমি একাই কষ্টভোগ করবে।
[13] মূর্খতা এক দুর্বিনীত নারী; সে অনভিজ্ঞ ও কিছুই জানে না।
[14] সে তার বাড়ির দরজায় বসে থাকে, নগরের সবচেয়ে উঁচু জায়গায় গিয়ে আসন পেতে বসে,
[15] সে পথচারীদের ডাক দেয়, যারা সোজা পথ ধরে যায় সে তাদের ডেকে বলে,
[16] “যারা অনভিজ্ঞ তারা সবাই আমার বাড়িতে আসুক!” যাদের কোনও জ্ঞানবুদ্ধি নেই সে তাদের বলে,
[17] “চুরি করা জল মিষ্টি; লুকোছাপা করে খাওয়া খাদ্য পরম উপাদেয়!”
[18] কিন্তু তারা আদৌ জানে না যে মৃতেরা সেখানেই আছে, তার অতিথিরা পাতালের গর্তে পড়ে আছে।