Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 4:12

[1] হে আমার বাছারা, একজন বাবার উপদেশ শোনো; মনোযোগ দাও ও বিচক্ষণতা লাভ করো।

[2] আমি তোমাদের নির্ভরযোগ্য শিক্ষা দিচ্ছি, তাই আমার দেওয়া শিক্ষা পরিত্যাগ কোরো না।

[3] কারণ আমিও এক সময় আমার বাবার ছেলে ছিলাম, তখনও সুকুমার ছিলাম, ও আমার মায়ের দ্বারা লালিত হয়েছিলাম।

[4] তখন বাবা আমাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন, ও বলেছিলেন, “সর্বান্তঃকরণে আমার বলা কথাগুলি ধরে রেখো; আমার আদেশগুলি পালন কোরো, ও তুমি বেঁচে যাবে।

[5] প্রজ্ঞা অর্জন করো, বিচক্ষণতা অর্জন করো; আমার কথাগুলি ভুলে যেয়ো না বা সেগুলি থেকে সরে যেয়ো না।

[6] প্রজ্ঞাকে পরিত্যাগ কোরো না, ও সে তোমাকে রক্ষা করবে; তাকে ভালোবেসো, ও সে তোমাকে পাহারা দেবে।

[7] প্রজ্ঞার আরম্ভ এইরকম: প্রজ্ঞা অর্জন করো। এর মূল্যরূপে তোমার যথাসর্বস্য দিতে হলেও, বিচক্ষণতা অর্জন করো।

[8] তাকে লালনপালন করো, ও সে তোমাকে উন্নত করবে; তাকে সাগ্রহে গ্রহণ করো, ও সে তোমাকে সম্মানিত করবে।

[9] সে তোমার মাথার শোভাবর্ধন করার জন্য এক ফুলমালা দেবে ও তোমাকে চমৎকার এক মুকুট উপহার দেবে।”

[10] হে আমার বাছা, শোনো, আমি যা বলি তা গ্রহণ করো, ও তোমার জীবনের আয়ু সুদীর্ঘ হবে।

[11] আমি তোমাকে প্রজ্ঞার পথের বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছি ও সোজা পথে চালাচ্ছি।

[12] তুমি যখন চলবে, তোমার পদক্ষেপ ব্যাহত হবে না; তুমি যখন দৌড়াবে, তখন হোঁচট খাবে না।

[13] উপদেশ ধরে রেখো, তা ছেড়ে দিয়ো না; তা ভালোভাবে পাহারা দাও, কারণ তা-ই তোমার জীবন।

[14] দুষ্টদের পথে পা বাড়িয়ো না বা অনিষ্টকারীদের পথে হেঁটো না।

[15] সে পথ এড়িয়ে চলো, সে পথে ভ্রমণ কোরো না; সেখান থেকে ফিরে এসো ও নিজের পথে চলে যাও।

[16] কারণ অনিষ্ট না করা পর্যন্ত তারা বিশ্রাম নিতে পারে না; কাউকে হোঁচট না খাওয়ানো পর্যন্ত তাদের চোখে ঘুম আসে না।

[17] তারা দুষ্টতার রুটি খায় ও হিংস্রতার দ্রাক্ষারস পান করে।

[18] ধার্মিকদের পথ প্রভাতি সূর্যের মতো, যা মধ্যাহ্ন পর্যন্ত ক্রমাগত উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হতেই থাকে।

[19] কিন্তু দুষ্টদের পথ ঘন অন্ধকারের মতো; তারা জানেই না কীসে তারা হোঁচট খায়।

[20] হে আমার বাছা, আমি যা বলি তাতে মনোযোগ দাও; আমার কথায় কর্ণপাত করো।

[21] সেগুলি তোমার দৃষ্টির অগোচর হতে দিয়ো না, সেগুলি তোমার হৃদয়ে গেঁথে রাখো;

[22] কারণ যারা সেগুলি খুঁজে পায় তাদের পক্ষে সেগুলি জীবন ও তাদের সারা শরীরের স্বাস্থ্যস্বরূপ।

[23] সর্বোপরি, তোমার হৃদয়কে পাহারা দিয়ে রাখো, কারণ তুমি যা-ই কিছু করো না কেন, তা সেখান থেকেই প্রবাহিত হয়।

[24] তোমার মুখকে নষ্টামি-মুক্ত রাখো; তোমার ঠোঁট থেকে নীতিভ্রষ্ট কথাবার্তা দূরে সরিয়ে রাখো।

[25] তোমার চোখ সোজা সামনে তাকিয়ে থাকুক; স্থিরদৃষ্টিতে সরাসরি সামনের দিকে তাকাও।

[26] তোমার হাঁটা পথের দিকে সতর্ক নজর দাও ও তোমার সমস্ত পথে অবিচল হও।

[27] ডাইনে বা বাঁয়ে ফিরো না; মন্দ থেকে তোমার পা দূরে সরিয়ে রাখো।

হিতোপদেশ — Chapters