[1] তারপর সেই ব্যক্তি মূল হল ঘরে নিয়ে গিয়ে চৌকাঠের বাজু মাপলেন; দুই দিকের বাজু চওড়ায় ছয় হাত ছিল।
[2] প্রবেশস্থান ছিল দশ হাত চওড়া, এবং তার দুই পাশে পাঁচ হাত করে ছিল। তিনি মূল হল ঘরেও মাপলেন; সেটি চল্লিশ হাত লম্বা ও কুড়ি হাত চওড়া ছিল।
[3] তারপর তিনি মন্দিরের ভিতরে কামরায় গেলেন এবং প্রবেশস্থানের বাজু মাপলেন; প্রতিটি দু-হাত চওড়া ছিল। প্রবেশস্থান ছিল ছয় হাত চওড়া, এবং তার দুই পাশে সাত হাত করে ছিল।
[4] আর তিনি ভিতরে উপাসনার স্থানের মাপ নিলেন; সেটি কুড়ি হাত লম্বা এবং মূল হলঘর পর্যন্ত চওড়ায় কুড়ি হাত ছিল। তিনি আমাকে বললেন, “এটাই মহাপবিত্র স্থান।”
[5] তারপর তিনি মন্দিরের দেয়াল মাপলেন; সেটি ছিল ছয় হাত মোটা এবং সেই দেয়ালের চারিদিকে কামরা প্রত্যেকটা চওড়ায় চার হাত ছিল।
[6] সেই পাশের কামরাগুলি একটির উপরে আর একটি করে তিনতলা ছিল, প্রত্যেক তলাতে ত্রিশটা করে কামরা ছিল। কামরাগুলির ভার বইবার জন্য মন্দিরের দেয়ালের চারপাশে থাকো ছিল, কিন্তু সেগুলি মন্দিরের দেয়ালের মধ্যে ঢুকানো ছিল না।
[7] মন্দিরের পাশের কামরাগুলি চওড়ায় নিচের তলা থেকে উপরের তলা পর্যন্ত পরপর বেড়ে গিয়েছিল। নিচের তলা থেকে মাঝের তলার মধ্য দিয়ে উপর তলা পর্যন্ত একটি সিঁড়ি উঠেছিল।
[8] আমি দেখলাম মন্দিরটা একটি উঁচু সমান জায়গার উপরে রয়েছে, যা মন্দিরের ও পাশের কামরাগুলির ভিত্তি। সেই ভিত্তি একটি মাপকাঠি সমান ছিল যা ছয় হাত লম্বা।
[9] কামরাগুলির বাইরের দেয়াল ছিল পাঁচ হাত মোটা। যে খোলা জায়গা মন্দিরের পাশের কামরা থেকে
[10] যাজকদের কামরা পর্যন্ত ছিল সেটি মন্দিরের চারিদিকে ছিল কুড়ি হাত।
[11] খোলা জায়গা থেকে পাশের কামরাগুলিতে ঢোকার পথ ছিল, একটি উত্তর দিকে আরেকটা দক্ষিণ দিকে; আর খোলা জায়গার চারিদিকের ভিত্তি পাঁচ হাত চওড়া ছিল।
[12] মন্দিরের পশ্চিমদিকে খোলা জায়গার শেষ সীমায় একটি দালান ছিল যেটা সত্তর হাত চওড়া। দালানের দেয়াল চারিদিক পাঁচ হাত মোটা এবং লম্বা নব্বই হাত ছিল।
[13] তারপর তিনি মন্দির মাপলেন; সেটি লম্বায় একশো হাত এবং মন্দিরের উঠান আর দালানের দেয়াল পর্যন্তও একশো হাত।
[14] পূর্বদিকে মন্দিরের উঠান থেকে মন্দিরের সামনে পর্যন্ত চওড়া ছিল একশো হাত।
[15] তারপর তিনি মন্দিরের পিছনে উঠানের দিকে মুখ করে যে দালান ছিল, লম্বা বারান্দা সমেত মাপলেন; সেটি ছিল একশো হাত। মূল হলঘর, ভিতরের পবিত্রস্থান এবং উঠানের দিকে মুখ করা বারান্দা,
[16] এমনকি তিনটি জায়গায় ঢুকবার মুখের দুই পাশের বাজুগুলি এবং জালি দেওয়া সরু জানালাগুলি তক্তা দিয়ে ঢাকা ছিল। মেঝে ও জানালা পর্যন্ত দেয়ালও তক্তা দিয়ে ঢাকা ছিল।
[17] প্রবেশস্থানের বাইরে থেকে পবিত্রস্থানের ভিতর পর্যন্ত এবং পবিত্রস্থানের বাইরের ও ভিতরের দেয়ালে পরপর
[18] করূব ও খেজুর গাছ খোদাই করা ছিল। খেজুর গাছের পর করূব। প্রত্যেক করূবের দুটি করে মুখ ছিল:
[19] এক পাশের খেজুর গাছের দিকে মানুষের মুখ এবং অন্য পাশের খেজুর গাছের দিকে সিংহের মুখ। সেগুলি সম্পূর্ণ মন্দিরের চারিদিকে খোদাই করা ছিল।
[20] মূল হলঘরের মেঝে থেকে প্রবেশস্থানের উপরের অংশের দেয়াল পর্যন্ত করূব ও খেজুর গাছ খোদাই করা ছিল।
[21] মূল হলঘরের দ্বারের গঠন চতুষ্কোণ ছিল, এবং মহাপবিত্র স্থানের দ্বারটিও একইরকম ছিল।
[22] সেখানে তিন হাত উঁচু, দু-হাত লম্বা ও দু-হাত চওড়া কাঠের একটি বেদি ছিল, তার কোনা, পায়া ও চারপাশ ছিল কাঠ দিয়ে তৈরি। সেই ব্যক্তি আমাকে বললেন, “এটি হচ্ছে সেই টেবিল যা সদাপ্রভুর সামনে রয়েছে।”
[23] উভয় মূল হলঘর এবং মহাপবিত্র স্থানে একটি করে দুই পাল্লার দ্বার ছিল।
[24] প্রত্যেক দ্বারে দুটি কবাট ছিল—দুটি দ্বারে দুটি করে কবাট।
[25] এবং মূল হলঘরের দ্বারের কবাটে দেয়ালের মতোই করূব ও খেজুর গাছ খোদাই করা ছিল আর বারান্দার সামনে কাঠের একটি ঝিলিমিলি ছিল।
[26] বারান্দার পাশের দেয়ালে ছিল সরু জানালা যার প্রত্যেক দিকে খেজুর গাছ খোদাই করা ছিল। মন্দিরের পাশের কামরাগুলিতেও এইরকম ঝিলিমিলি ছিল।