[1] যে বিশ্বাস করে যে, যীশুই খ্রীষ্ট, সে ঈশ্বর থেকে জাত এবং যে জন্মদাতাকে ভালোবাসে, সে তাঁর সন্তানকেও ভালোবাসে।
[2] ঈশ্বরকে ভালোবেসে এবং তাঁর আদেশ পালনের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, আমরা ঈশ্বরের সন্তানদের ভালোবাসি।
[3] ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা হল এই: তাঁর আদেশগুলি পালন করা। আর, তাঁর আদেশগুলি দুর্বহ নয়।
[4] কারণ ঈশ্বর থেকে জাত প্রত্যেক ব্যক্তি জগৎকে জয় করে। আমাদের বিজয় এই যে, আমাদের বিশ্বাসই জগতকে পরাস্ত করেছে।
[5] কে জগৎকে জয় করে? একমাত্র সেই, যে বিশ্বাস করে যে, যীশুই ঈশ্বরের পুত্র।
[6] ইনিই সেই যীশু খ্রীষ্ট, যিনি জল ও রক্তের মধ্য দিয়ে এসেছিলেন। তিনি শুধু জলের মাধ্যমে নয়, কিন্তু জল ও রক্তের মাধ্যমে এসেছিলেন। আত্মাই এই সাক্ষ্য দিচ্ছেন, কারণ এই আত্মাই সেই সত্য।
[7] বস্তুত তিন সাক্ষী এখানে রয়েছে:
[8] আত্মা, জল ও রক্ত, এই তিনের সাক্ষ্য একই।
[9] আমরা মানুষের সাক্ষ্য গ্রহণ করি, কিন্তু ঈশ্বরের সাক্ষ্য মহত্তর, কারণ তিনি তাঁর পুত্রের বিষয়ে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তাই ঈশ্বরের সাক্ষ্য।
[10] ঈশ্বরের পুত্রে যে বিশ্বাস করে, তার অন্তরে এই সাক্ষ্য আছে। ঈশ্বরকে যে বিশ্বাস করে না, সে প্রকৃতপক্ষে তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে, কারণ তাঁর পুত্রের বিষয়ে ঈশ্বর যে সাক্ষ্য দিয়েছেন, সে তা বিশ্বাস করেনি।
[11] এই হল সেই সাক্ষ্য: ঈশ্বর আমাদের অনন্ত জীবন দান করেছেন এবং এই জীবন তাঁর পুত্রের মধ্যে আছে।
[12] পুত্রকে যে লাভ করেছে, সে জীবন পেয়েছে; যে ঈশ্বরের পুত্রকে লাভ করেনি, সে জীবন পায়নি।
[13] তোমরা যারা ঈশ্বরের পুত্রের নামে বিশ্বাস করো, তাদের কাছে আমি এসব বিষয় লিখছি, যেন তোমরা জানতে পারো যে, তোমরা অনন্ত জীবন লাভ করেছ।
[14] ঈশ্বরের কাছে আসার জন্য আমরা এই প্রত্যয় লাভ করেছি যে, আমরা যদি তাঁর ইচ্ছানুসারে কিছু প্রার্থনা করি, তিনি আমাদের প্রার্থনা শ্রবণ করেন।
[15] আর আমরা যদি জানি যে, আমরা যে কিছুই প্রার্থনা করি, তিনি তা শোনেন, তাহলে আমরা এও জানব যে, তাঁর কাছে প্রার্থিত সবকিছুই আমরা পেয়েছি।
[16] কেউ যদি তার ভাইবোনকে মৃত্যুমুখী নয়, এমন কোনো পাপে লিপ্ত হতে দেখে, তাহলে সে প্রার্থনা করুক, তখন ঈশ্বর তাকে জীবন দান করবেন। যাদের পাপ মৃত্যুর দিকে চালিত করে না, আমি তাদের কথাই বলছি। কিন্তু এমন একটি পাপ আছে, যা মৃত্যুর দিকে চালিত করে। আমি সে বিষয়ে তাকে প্রার্থনা করতে বলছি না।
[17] সমস্ত দুষ্কর্মই পাপ, কিন্তু এমন পাপ আছে, যা মৃত্যুর দিকে চালিত করে না।
[18] আমরা জানি, যে ঈশ্বর থেকে জাত, সে পাপকর্মে রত থাকে না; ঈশ্বর থেকে যে জাত, সে নিজেকে সুরক্ষিত রাখে এবং সেই পাপাত্মা তার ক্ষতি করতে পারে না।
[19] আমরা এও জানি, আমরা ঈশ্বরের সন্তান, আর সমস্ত জগৎ সেই পাপাত্মার নিয়ন্ত্রণের অধীন।
[20] আমরা আরও জানি যে, ঈশ্বরের পুত্রের আগমন হয়েছে এবং তিনি আমাদের বোধশক্তি দিয়েছেন যেন, যিনি প্রকৃত সত্য, তাঁকে আমরা জানতে পারি। আমরা তাঁরই মধ্যে আছি, যিনি সত্যময়, অর্থাৎ তাঁর পুত্র যীশু খ্রীষ্টে। তিনিই প্রকৃত ঈশ্বর এবং অনন্ত জীবন।
[21] প্রিয় সন্তানেরা, তোমরা সব পৌত্তলিকতা থেকে নিজেদের রক্ষা কোরো।