Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 4:55

[1] প্রিয় বন্ধুরা, সব আত্মাকে বিশ্বাস কোরো না, বরং তারা ঈশ্বর থেকে আগত কি না, জানার জন্য তাদের পরীক্ষা কোরো, কারণ বহু ভণ্ড ভাববাদী পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে।

[2] তোমরা এভাবেই ঈশ্বরের আত্মাকে চিনতে পারো: যে আত্মা স্বীকার করে যে, যীশু খ্রীষ্ট মানবদেহে আগমন করেছেন, সে ঈশ্বর থেকে,

[3] কিন্তু যে আত্মা যীশু খ্রীষ্টকে শরীরে আগত বলে স্বীকার করে না, সে ঈশ্বর থেকে নয়। এ হল সেই খ্রীষ্টারির আত্মা, যার আগমন সম্পর্কে তোমরা শুনেছ, এমনকি, ইতিমধ্যেই সে জগতে উপস্থিত হয়েছে।

[4] প্রিয় সন্তানেরা, তোমরা ঈশ্বর থেকে এবং তোমরা খ্রীষ্ট বিরোধীদের পরাস্ত করেছ, কারণ তোমাদের অন্তরের মধ্যে যিনি আছেন, তিনি জগতে যারা বিচরণ করছে, তাদের চেয়ে মহান।

[5] তারা জগৎ থেকে, তাই জাগতিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই তারা কথা বলে এবং জগৎ তাদের কথা শোনে।

[6] কিন্তু আমরা ঈশ্বর থেকে এবং ঈশ্বরকে যে জানে, সে আমাদের কথা শোনে; কিন্তু যে ঈশ্বর থেকে নয়, সে আমাদের কথায় কর্ণপাত করে না। এভাবেই আমরা সত্যের আত্মা ও বিভ্রান্তির আত্মাকে চিনতে পারি।

[7] প্রিয় বন্ধুরা, এসো আমরা পরস্পরকে ভালোবাসি, কারণ ভালোবাসা ঈশ্বর থেকে আসে। যে ভালোবাসে, সে ঈশ্বর থেকে জাত এবং ঈশ্বরকে সে জানে।

[8] যে ভালোবাসে না, সে ঈশ্বরকে জানে না, কারণ ঈশ্বরই ভালোবাসা।

[9] এভাবেই ঈশ্বর আমাদের মধ্যে তাঁর ভালোবাসা প্রদর্শন করেছেন: তাঁর এক ও অদ্বিতীয় পুত্রকে তিনি জগতে প্রেরণ করেছেন, যেন আমরা তাঁর মাধ্যমে জীবিত থাকি।

[10] এই হল ভালোবাসা যে, আমরা ঈশ্বরকে ভালোবেসেছি এমন নয়, বরং তিনি আমাদের ভালোবেসেছেন এবং আমাদের পাপের প্রায়শ্চিত্তমূলক বলিরূপে তাঁর পুত্রকে পাঠিয়েছেন।

[11] প্রিয় বন্ধুরা, ঈশ্বর যখন আমাদের এত ভালোবেসেছেন, আমাদেরও উচিত পরস্পরকে ভালোবাসা।

[12] কেউ কখনও ঈশ্বরকে দর্শন করেনি। কিন্তু আমরা যদি পরস্পরকে ভালোবাসি, ঈশ্বর আমাদের মধ্যে বাস করেন এবং আমাদের মধ্যে তাঁর ভালোবাসা পূর্ণতা লাভ করে।

[13] এতেই আমরা জানি যে, আমরা তাঁর মধ্যে বাস করি এবং তিনি বাস করেন আমাদের মধ্যে, কারণ তিনি তাঁর আত্মাকে আমাদের দিয়েছেন।

[14] আমরা দেখেছি ও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, পিতা তাঁর পুত্রকে জগতের উদ্ধারকর্তা হওয়ার জন্য প্রেরণ করেছেন।

[15] কেউ যদি যীশুকে ঈশ্বরের পুত্ররূপে স্বীকার করে, তাহলে ঈশ্বর তার মধ্যে থাকেন এবং সে-ও ঈশ্বরের মধ্যে থাকে।

[16] আর তাই, আমাদের জন্য ঈশ্বরের যে ভালোবাসা, আমরা তা জানি এবং তার উপর নির্ভর করি। ঈশ্বরই ভালোবাসা। যে ভালোবাসায় অবস্থান করে, সে ঈশ্বরে থাকে এবং ঈশ্বর তার মধ্যে থাকেন।

[17] এভাবে, আমাদের মধ্যে ভালোবাসা পূর্ণতা লাভ করে, যেন বিচারের দিনে আমরা নির্ভয়ে থাকতে পারি, কারণ এই জগতে আমরা তাঁরই মতো হয়ে আছি।

[18] ভালোবাসায় কোনো ভয় নেই। কিন্তু নিখাদ ভালোবাসা ভয় দূর করে, কারণ ভয়ের সঙ্গে জড়িত থাকে শাস্তি। যে ভয় করে, তার ভালোবাসা পূর্ণতা লাভ করেনি।

[19] আমরা ভালোবাসি, কারণ তিনিই প্রথমে আমাদের ভালোবেসেছেন।

[20] কেউ যদি বলে, “আমি ঈশ্বরকে ভালোবাসি,” অথচ তার ভাইবোনকে ঘৃণা করে, সে মিথ্যাবাদী। যে ভাই বা বোনকে সে দেখতে পায়, তাকে যদি সে ভালো না-বাসে, তাহলে যে ঈশ্বরকে সে দেখেনি, তাঁকে সে ভালোবাসতে পারে না।

[21] তিনি আমাদের এই আদেশ দান করেছেন: ঈশ্বরকে যে ভালোবাসে, সে তার ভাইবোন কেও নিশ্চয় ভালোবাসবে।

1 যোহন — Chapters