[1] উপাসনা ঘরের সেবা কাজ করবার জন্য দায়ূদ এবং সৈন্যদলের সেনাপতিরা আসফ, হেমন ও যিদূথূনের ছেলেদের আলাদা করে নিলেন যাতে তাঁরা সুরবাহার, বীণা ও করতালের সঙ্গে গানের মধ্য দিয়ে ভাববাণী প্রকাশ করবে। যাঁরা এই কাজ করতেন তাঁদের তালিকা এই,
[2] আসফের ছেলে সক্কুর, যোষেফ, নথনিয় ও অসারেল। তাঁরা রাজার আদেশে আসফের পরিচালনায় গানের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের বাক্য প্রকাশ করতেন।
[3] যিদূথূনের ছয়জন ছেলে গদলিয়, সরী, যিশায়াহ, শিমিয়ি, হশবিয় ও মত্তিথিয়। তাঁরা তাঁদের বাবা যিদূথূনের পরিচালনায় সুরবাহার বাজিয়ে সদাপ্রভুর প্রশংসা ও ধন্যবাদের মধ্য দিয়ে তাঁর বাক্য প্রকাশ করতেন।
[4] হেমনের ছেলে বুক্কিয়, মত্তনিয়, উষীয়েল, শবূয়েল, যিরীমোৎ, হনানিয়, হনানি, ইলীয়াথা, গিদ্দল্তি, রোমাম্তী এষর, যশ্বকাশা, মল্লোথি, হোথীর ও মহসীয়োৎ।
[5] এঁরা সবাই ছিলেন রাজার দর্শনকার হেমনের ছেলে। ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞা অনুসারে হেমনকে শক্তিশালী করবার জন্য ঈশ্বর তাঁকে চৌদ্দটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে দিয়েছিলেন।
[6] ঈশ্বরের ঘরের সেবা কাজের জন্য এঁরা সবাই তাঁদের বাবা আসফ, যিদূথূন আর হেমনের পরিচালনার অধীন ছিলেন। তাঁরা রাজার আদেশে করতাল, বীণা ও সুরবাহার নিয়ে সদাপ্রভুর ঘরে গান বাজনা করতেন।
[7] সদাপ্রভুর উদ্দেশ্যে তাঁদের বংশের গান বাজনায় শিক্ষিত ও দক্ষ লোকদের নিয়ে তাঁদের সংখ্যা ছিল দুশো অষ্টাশি জন।
[8] ছেলে বুড়ো, শিক্ষক ছাত্র সকলের কাজের পালা গুলিবাঁট করে ঠিক করা হয়েছিল।
[9] আসফের পক্ষে প্রথম বারের গুলিবাঁটে যোষেফের নাম উঠল। দ্বিতীয় বারের গুলিবাঁটে উঠল গদলিয়ের নাম; তিনি, তাঁর আত্মীয় স্বজন ও ছেলেরা ছিলেন বারোজন।
[10] তৃতীয় বারের গুলিবাঁটে উঠল সক্কুরের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[11] চতুর্থ বারের গুলিবাঁটে উঠল যিষ্রির নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[12] পঞ্চম বারে গুলিবাঁটে উঠল নথনিয়ের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[13] ষষ্ঠ বারের গুলিবাঁটে উঠল বুক্কিয়ের নাম; তিনি, তার ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[14] সপ্তম বারের গুলিবাঁটে উঠল যিশারেলার নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[15] অষ্টম বারের গুলিবাঁটে উঠল যিশয়াহের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[16] নবম বারের গুলিবাঁটে উঠল মত্তনিয়ের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[17] দশম বারের গুলিবাঁটে উঠল শিমিয়ির নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[18] এগারো বারের গুলিবাঁটে উঠল অসরেলের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[19] বারো বারের গুলিবাঁটে উঠল হশবিয়ের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারো জন।
[20] তেরো বারের গুলিবাঁটে উঠল শবূয়েলের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[21] চৌদ্দ বারের গুলিবাঁটে উঠল মত্তিথিয়ের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[22] পনেরো বারের গুলিবাঁটে উঠল যিরেমোতের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[23] ষোল বারের গুলিবাঁটে উঠল হনানিয়ের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[24] সতেরো বারের গুলিবাঁটে উঠল যশ্বকাশার নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[25] আঠারো বারের গুলিবাঁটে উঠল হনানির নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[26] ঊনিশ বারের গুলিবাঁটে উঠল মল্লোথির নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[27] কুড়ি বারের গুলিবাঁটে উঠল ইলীয়াথার নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[28] একুশ বারের গুলিবাঁটে উঠল হোথীর নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[29] বাইশ বারের গুলিবাঁটে উঠল গিদ্দল্তির নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[30] তেইশ বারের গুলিবাঁটে উঠল মহসীয়োতের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।
[31] চব্বিশ বারের গুলিবাঁটে উঠল রোমাম্তী এষরের নাম; তিনি, তাঁর ছেলেরা ও আত্মীয় স্বজনেরা ছিলেন বারোজন।