[1] ও আমার ভাই অকল, হেশ-মেশ কইরাম, মালিকর নামে খুশি করো। এক বেয়াপার লইয়া বারে বারে লেখতে আমার কুনু কষ্ট অর না, তুমরারে বাচানির লাগিউ আমি ইতা কররাম।
[2] হুনো, হউ কুকরর পাল থাকি, মানি নাফরমান দলর দাদির মুছলা থাকি হুশিয়ার রইও। ইতায় তো তারার শরিলর কাটা-চিরার উপরেউ ভরসা করে।
[3] আসলে আমরাউ অইলাম খাটি মছলমানি করাইল মানুষ, আমরা তো ইছা আল-মসীর নামে গৌরব করি, আল্লার রুহর বলে তান এবাদত করি, শরিলি কুনু এবাদতর উপরে ভরসা করি না।
[4] আসলে কেউ যুদি মনো করে, নিজর শরিলি এবাদতর উপরে ভরসা করার যুক্তি আছে, তে হে বুজিলাউক, তার চাইতে আমার আরো বেশি যুক্তি আছে। আমিও ইতার উপরে ভরসা করতাম পারলাম অনে।
[5] জন্মর আট দিনর দিনউ আমার মছলমানি কাম করাইল অইছিল। আমি একজন খাটি ইবরানি, আমার জনম অইছে তো বনি ইছরাইলর বিন-ইয়ামিন গুষ্টিত। হজরত মুছা নবীর শরিয়তর বেয়াপারে আমি তো ফরিশি জমাতর।
[6] শরিয়ত মানার বেয়াপারে কুনু মানষে আমার খুত বার করতো পারছে না। ধর্মর বেয়াপারে আমি খুব কড়া, আল-মসীর জমাতর উপরেও আমি জুলুম করতাম।
[7] অইলে অউ আমল করায় আমার যতো ফায়দা অইছিল, অখন আল-মসীর লাগি আমি ইতারে খেতি মনো করি।
[8] আসলে আমি যার লাগি ই খেতি স্বীকার করিয়ার, এইনউ আমার মালিক ইছা আল-মসী। তানরে জানার মাজেউ হকল থাকি বড় ফায়দা, তান তুলনায় বাদ-বাকি হক্কলতারেউ আমি খেতি মনো করি। আমি যাতে আল-মসীরে পাই, আর আমারে যাতে আল-মসীর লগে একখানো মিলাইল দেখা যায়, অউ নিয়তেউ আমি ইতা হক্কলতারে ময়লার লাখান হরাইয়া ফালাইছি।
[9] তে শরিয়ত মানায় আমি যে পরেজগার বনিগেছি, ইখান নায়, আল-মসীর উপরে ইমান আনায়উ আল্লায় আমারে পরেজগার হিসাবে কবুল করছইন। ই পরেজগারি খালি আল্লা থাকিউ মিলে, ইটা তো ইমানর উপরে নির্ভর করে। আল-মসীর লগে মিলার বাদেউ আমার অউ হালত অইছে।
[10] তে আমি আল-মসীরে চিনতাম চাই, যে কুদরতি বলে তানরে মরা থাকি জিন্দা করা অইছিল, অউ বলরেও চিনতাম চাই। আমি তান দুখ-মছিবতর ভাগি অইতাম চাই, তাইন যেলা নিজর জান কুরবানি দিছলা, আমিও অউ মউতো শরিক অইতাম চাই।
[11] আর যেকুনু লাখান মরন থাকি জিন্দা অওয়াতও শরিক রই।
[12] তে আমি যেতা পাইতাম চাইরাম, ইতা যে অখনউ পাইলিছি, বা পুরাপুর কামিয়াব অইগেছি ইলা কুন্তা নায়। হজরত ইছা আল-মসীয়ে যে নিয়তে আমারে বন্দি করছইন, অউ নিয়ত পুরা করার লাগিউ আমি দৌড়াইরাম।
[13] ভাই অকল, আমি মনো কররাম না, আমি ইতার লাগাল পাইলিছি। অইলে খরর হকলতা ফালাইয়া আমি দিলে-জানে ছামনেদি দৌড়াইয়ার।
[14] দৌড়াই দৌড়াই চেষ্টা করিয়ার, ইছা আল-মসীর জরিয়ায় আল্লা পাকর যে বেহেস্তি দাওত আছে, পুরুস্কার হিসাবে অউ দাওতো হামাইতাম পারি।
[15] এরলাগি কইরাম, আমরা যারা হজরত ইছার পথে বউত আগুয়াই গেছি, আমরার নিয়তও অলাখান অওয়া জরুর। আর তুমরার যুদি অইন্য কুনু নিয়ত থাকে, তে আল্লায়উ পথ বাতাই দিবানে।
[16] যাই অউক, আমরা যতখান আগুয়াইছি, অউ লাখান জিন্দেগিও কাটানি উচিত।
[17] ভাই অকল, তুমরা কিলান জিন্দেগি কাটাইতায়, ইতা তো আমি হিকাইছি। তুমরা আমার লাখান চলো, আর অউ লাখান যারা চলে, তারারে দেখিয়া হিকো।
[18] আমি তো বউত বার তুমরারে কইছি, আর চখুর পানি ফালাইয়া অখনও কইরাম, ইলাও বউত জন আছে, যেরা আল-মসীর দুখ-কষ্টর সলিবর দুশমনর লাখান চলের।
[19] তারার কপালো আছে বিনাশ। তারার পেটউ তারার আল্লা। নাফরমানি কাম লইয়া তারা বড়াই করে, খালি দুনিয়ার ধান্দায় পাগল।
[20] অইলে আমরার আসল বাড়ি তো বেহেস্তো। আমরার তরাওরা মালিক, হজরত ইছা আল-মসীয়ে হন থাকি তশরিফ আনবা। আমরা তান লাগি দিলে-জানে বার চাইরাম।
[21] তাইন আইয়া আমরার অউ কমজুর কায়া বদলাইয়া, তান কায়ার লাখান খেমতাআলা নুরর কায়া দিবা। যে কুদরতি বলে তাইন হক্কলতা করতা পারইন, হউ বলেউ তাইন ইতা করবা।