[1] আল-মসীর উপরে ইমান আনলে যেবলা ভরসা মিলে, তান মহব্বতে যেবলা শান্তি মিলে, তুমরার লগে যেবলা পাক রুহর ভালা সম্পর্ক আছে, আর তুমরার দিলো যেবলা মায়া-মমতা আছে,
[2] তে তুমরা আমার ভিতরর খুশিখান পুরাইলাও। তুমরা হকল এক মনে চলো, দিলে-জানে এক অও, আর একে-অইন্যরে মহব্বত করো।
[3] নিজর লাভর আশা বা বেটাগিরি দেখানির লাগি কুন্তা করিও না, বরং নতো অইয়া নিজর চাইতে অইন্যরে বেশি দাম দেও।
[4] খালি নিজর স্বার্থর চিন্তা করিও না, পরর কথাও চিন্তা করিও।
[5] হজরত ইছা আল-মসীর মন যেলাখান আছিল, তুমরার মনও অলাখান বানাইলাও।
[6] তাইন আসলে আল্লাই ছুরতে রইলেও, আল্লাই সিংহাসন ধরিয়া রাখার লাগি লালছি আছলা না।
[7] বরং গুলাম বনিয়া মানুষ হিসাবে জনম লইয়া নিজরে হুরু বানাইলা।
[8] তাইন মানুষ ছুরতে রইয়া মউত পর্যন্ত, দুখ-কষ্টর সলিবর উপরর মউত পর্যন্ত বাইধ্য রইয়া নিজরে নতো করলা।
[9] এরলাগিউ আল্লায় তানরে আরশে-আজিমো উঠাইলা আর অলা ইজ্জতি এক নাম দিলা, যে নাম হকল থাকি সেরা।
[10] যাতে অউ নামর গুনে আছমান-জমিন আর পাতালর তামাম জানদার ইছার ছামনে নতো অইন,
[11] আর গাইবি বাফ আল্লা পাকর গৌরবর লাগি স্বীকার করইন, ইছা আল-মসীউ মালিক।
[12] ও আমার মায়ার ভাই অকল, তুমরা তো হামেশাউ আমার হুকুম মানিয়া আইরায়। তে আমি ছামনে থাকলে যেলা মানো, অখন আমার আফরখেও অলা তুমরার দিলর ডর-খফে নেক আমল করো। অউ আমলর মাজদি দেখাও, তুমরা গুনা থাকি নাজাত পাইলিছো।
[13] বুজরায় নি, আল্লায় তুমরার দিলর মাজে অলা এক ভাব দান করছইন, ইতা আমল করলে তাইন খুশি অইন, অউ আমল করার নিয়ত আর তাক্কতও তাইন তুমরারে দিছইন।
[14] তুমরা কুনুজাত তর্কা-তর্কি বা কাইজ্জা-ফসাদ না করিয়া হকল কাম করো।
[15] যাতে ষোলআনা পরেজগার আর নিখুত বনো, আর ই জমানার খবিছ নাফরমান সমাজর মাজেও তুমরা আল্লার আওলাদ হিসাবে রও। অতা মানষর ছামনে আল্লার পাক কালাম তবলিগ করিয়া, অউ দুনিয়াতউ তুমরা আছমানর চান-সুরুজর লাখান চকচকা বনিযাও। তেউ আল-মসী যেবলা দুছরা বার তশরিফ আনবা, হউ দিন আমি বুক ফুলাইয়া কইতাম পারমু, আমার অউ মেনত আর আটনি-খাটনি বেকামা গেছে না।
[17] হুনো, যে ইমানর কুরবানির মাজদি তুমরা আল্লার এবাদত কররায়, এর উপরে যুদি আমার নিজর লউরে কুরবানি হিসাবে ঢালি দেওয়া অয়, তা-ও আমি খুশ আছি, তুমরারে লইয়া খুশি কররাম।
[18] ঠিক তুমরাও অলা খুশি অও, আমার লগে খুশি করো।
[19] আমি আশা করি, হজরত ইছার মর্জি অইলে আমি তিমথিরে খুব জলদি করি তুমরার গেছে পাঠাইমু, তেউ তুমরার হালত জানিয়া আমি শান্তি অইমু।
[20] তিমথির লাখান ইলা আর কেউ আমার গেছে নাই, যেইন তুমরার লাগি চিন্তা করইন।
[21] বাকি হকলেউ ইছা আল-মসীর বেয়াপারে চিন্তা না করিয়া, তারা যারযির ধান্দায় আছইন।
[22] অইলে তিমথির বেয়াপার তো তুমরা জানো, পুতে যেলা নিজর বাফর লগে কাম করে, তাইনও অলা আল-মসীর খুশ-খবরি তবলিগর লাগি আমার লগে মেনত করছইন।
[23] এরলাগিউ আমি আশা করিয়ার, আমার দশা কিতা অইবো, অখান জানার বাদেউ আমি তানরে পাঠাইতাম।
[24] অইলে আমি মালিকর উপরে ভরসা করি কইয়ার, আমি নিজেও খুব জলদি করি আইতাম পারমু।
[25] আর আমি মনো করিয়ার, উছাইদরে তুমরার গেছে পাঠানি খান খুব জরুর। আমার খেজমত করার লাগি তুমরা তানরে আমার গেছে পাঠাইছলায়। আমরা একলগে তবলিগ করি, ইছা আল-মসীর লাগি জিহাদ করি। এইন আমার ইমানদার ভাই।
[26] তাইনও তুমরার লগে দেখা করতা চাইরা, তুমরা তান বেমারর খবর হুনায়, তাইন পেরেশানিত পড়িগেছইন, এরলাগি আমি তানরে পাঠাইয়ার।
[27] আসলে তাইন খুব বেমার আছলা, বেমারে তান না-বাচার হালত অইগেছিল। অইলে আল্লায় তানরে রহম করছইন। খালি তানরে নায়, তাইন বাচি যাওয়ায় আল্লায় আমারেও বউত বড় রহম করছইন, যাতে আমি এক কষ্টর উপরে আর কুনু কষ্ট না পাই।
[28] এরলাগি আমি খুব খিয়ালি অইয়া তানরে পাঠাইয়ার, যাতে তানরে পাইয়া তুমরাও খুশি অও, আর আমার মনর চিন্তাও হরি যায়।
[29] তে আল্লার বন্দা হিসাবে পুরাপুর খুশি অইয়া তানরে কবুল করিও, আর এরার লাখান মানষরে ইজ্জত করিও।
[30] আল-মসীর তবলিগ করাত গিয়া তাইন মরার পথি অইগেছলা। আমার ছামনে না থাকায় তুমরা যে কাম করতায় পারছো না, অউ কামর লাগি তাইন নিজর জান দিতেও রাজি আছলা।