[1] হজরত ইছায় কইলা, “তুমরা আর পেরেশান অইও না। আল্লার উপরে তো তুমরার একিন আছে, তে আমার উপরেও একিন রাখো।
[2] আমার বাফর বাড়িত রওয়ার বউত জাগা আছে, না থাকলে আমি কইলাম অনে। আমি তো তুমরার লাগি জাগা ঠিক করাত যাইরাম।
[3] জাগা ঠিক করিয়া হিরবার আইমু, আইয়া তুমরারে আমার গেছে নিমু। তেউ আমি যেনো রইমু, তুমরাও হনো রইবায়।
[4] আর আমি কুয়াই যাইরাম, ই পথ তো তুমরার চিনা আছে।”
[5] অউ সময় সাহাবি থুমাছে ইছারে কইলা, “হুজুর, আপনে কুয়াই যাইরা, অখানউ আমরা জানি না, তে পথ কিলা চিনমু?”
[6] ইছায় কইলা, “আমিউ পথ, আমিউ হক আর আমিউ জিন্দেগি। আমার উছিলা ছাড়া কুনু মানুষউ গাইবি বাফর গেছে যাইতো পারে না।
[7] তুমরা আমারে চিনলে আমার গাইবি বাফরেও চিনলায় অনে। তে অখন তুমরা তানে চিনছো আর দেখছোও।”
[8] ফিলিফে কইলা, “হুজুর, অউ গাইবি বাফ আমরারে দেখাউক্কা, তেউ আমরা শান্তি অইমু।”
[9] ইছায় কইলা, “ফিলিফ, অতো দিন থাকি আমি তুমরার লগে লগে আছি, এরবাদেও তুমি আমারে চিনলায় না নি? যে জনে আমারে দেখছে, হে আমার গাইবি বাফরেও দেখছে। তে তুমি কিলান কইলায়, গাইবি বাফরে দেখাউক্কা?
[10] তুমি একিন করো না নি, আমি গাইবি বাফর মাজে আছি, আর গাইবি বাফও আমার মাজে আছইন? আমি তুমরারে যেতা কই, ইতা আমার নিজর মুখর বুলি নায়, যে গাইবি বাফ আমার ভিতরে আছইন, তাইনউ তান নিজর কাম চালাইরা।
[11] আমার কথা একিন করো, আমি আমার বাফর মাজে আছি, আর তাইন আমার মাজে আছইন। আরনায় অন্তত আমার অতা কেরামতি কাম দেখিয়া আমারে একিন করো।
[12] “আমি তুমরারে হাছাউ কইরাম, কেউ যুদি আমার উপরে ইমান আনে, তে আমি যেতা কাম করি, হে-ও অতা করবো। আর আমি আমার বাফর গেছে যাইয়ারগি করি হে আরো বড় বড় কাম করবো।
[13] তুমরা আমার নামে যেতা চাইবায়, আমি ইতা পুরা করমু যাতে বাফর মহিমা পুতর মাজদি জাইর অয়।
[14] আমার নাম লইয়া আমার গেছে কুন্তা চাইলে, আমি দিমু।
[15] “তুমরা যুদি আমারে মায়া করো, তে আমার হকল হুকুম-আহকাম আমল করিও।
[16] আমি গাইবি বাফর গেছে চাইমু, আর তাইন তুমরার লাগি আরক সাইয্যগির পাঠাইবা, এইন চিরকাল রইবা।
[17] অউ সাইয্যগির অইলা হক রুহ। ই দুনিয়ার মানষে অউ হক রুহরে কবুল করে না, কারন তারা এরে দেখেও না, চিনেও না। অইলে তুমরা এনে চিনো, এইন তো তুমরার লগে লগে রইন আর ছামনেদি তুমরার দিলর মাজে বসত করবা।
[18] “আমি তুমরারে এতিম হালতে ফালাইয়া যাইতাম নায়, আমি হিরবার তুমরার গেছে আইমু।
[19] থুড়া বাদে দুনিয়ার মানষে আমারে আর দেখতো নায়, অইলে তুমরা দেখবায়। আমি জিন্দা আছি গতিকে তুমরাও জিন্দা রইবায়।
[20] আমি জিন্দা অইয়া উঠিয়া হারলে তুমরা বুজবায়, আমি আমার গাইবি বাফর মাজে আছি আর তুমরা আমার মাজে আছো, আমি তুমরার মাজে আছি।
[21] যে জনে আমার হুকুম-আহকাম চিনে আর আমল করে, হে-উ আমারে মায়া করে। আর যে জনে আমারে মায়া করে, আমার গাইবি বাফ আল্লায়ও তারে মায়া করবা। আমিও তারে মায়া করমু, আর আমার নিজরে তার গেছে জাইর করমু।”
[22] সাহাবি অকলর মাজে ইহুদা ইস্কারিয়াত ছাড়া আরক সাহাবির নাম আছিল ইহুদা, এইন কইলা, “হুজুর, দুনিয়ার হকল মানষর গেছে জাইর না করিয়া, খালি আমরার গেছেউ আপনারে কেনে জাইর করবা?”
[23] ইছায় জুয়াপ দিলা, “কেউ যুদি আমারে মায়া করে, তে হে আমার কথা মানবো। আমার গাইবি বাফে তারে মায়া করবা, আমরা তার গেছে আইমু, আইয়া তার লগে বসত করমু।
[24] অইলে যে জনে আমারে মায়া করে না, হে কুনুমন্তেউ আমার কথায় চলে না। আমি তুমরারে যেতা কইলাম, ইতা আমার মুখর কথা নায়, যেইন আমারে বেজিছইন হউ বাফর কথা।
[25] “আমি তুমরার লগে থাকতে থাকতেউ ইতা কইলাম।
[26] অউ সাইয্যগির পাক রুহ, যানরে আমার বাফে আমার নামে পাঠাইবা, তাইনউ হকল বেয়াপারে তুমরারে তালিম দিবা, আর আমি তুমরারে যেতা কইছি অতা ইয়াদ করাই দিবা।
[27] “আমি তুমরার লাগি শান্তি রাখিয়া যাইয়ার, আমার শান্তিউ আমি তুমরারে দিয়া যাইয়ারগি। ই দুনিয়ায় যেমনে শান্তি দেয়, আমি ইলা দেই না। তুমরার দিলো যানু কুনু পেরেশানি বা ডর-খফ না আয়।
[28] আমি তো আগেউ তুমরারে কইছি, আমি যাইয়ারগি, আর হিরবার তুমরার গেছে আইমু। তুমরা যুদি আমারে মায়া করতায়, তে আমি আমার বাফর গেছে যাইয়ার করি খুশি অইলায় অনে, কারন ই বাফ তো আমার থাকিও মহান।
[29] ইতা ঘটার আগেউ তুমরারে জানাই দিলাম, যাতে ঘটিয়া হারলে তুমরা একিন করতায় পারো।
[30] আমি তুমরার লগে আর বেশি সময় মাততাম নায়, কারন দুনিয়ার মুনিব ইবলিছ আইওর। আমার উপরে তার কুনু খেমতা নাই।
[31] অইলে আমি আমার বাফর হুকুম মানিয়া ইতা হকলতা করি, যাতে দুনিয়ার মানষে বুজইন, আমি আমার বাফরে মায়া করি। তে আও, আমরা অখন ই জাগা থাকি যাইগি।”