Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 4:24

[1] তুমরা তো আল্লার মায়ার আওলাদ, তে পুত যেলা বাফর লাখান অয়, তুমরাও অলা অও।

[2] আল-মসীয়ে যেলা আমরারে মহব্বত করছইন, তুমরাও অলা মায়া-মহব্বতর পথে চলো। তাইন আমরারে বাচাইতা করি নিজর জানরে খুশবয়দার কুরবানি হিসাবে আল্লার নামে বিলাই দিছইন।

[3] কুনু নমুনার জিনা, নাপাকি আর লোভ-লালছর কথা তুমরার মাজে যানু না হুনা যায়, কারন ইতা কাম আল্লার পাক বন্দার লাগি ঠিক নায়।

[4] আর বেহায়া-বেইজ্জতির যেকুনু মাত-কথা, আচার-বেবহার বা খবিছি ঠাট্টা-মশকরা যানু তুমরার মাজে না অয়, ইতায় তুমরারে মানায় না। ইতার বদলা আল্লার শুকুর-গুজার করো।

[5] তুমরা তো জানোউ, জিনাকুর, নাপাক আর লালছি মানষে, আল্লা পাক আর আল-মসীর বাদশাইর মাজে কুনু জাগা পাইতো নায়। ইতায় তো এক লাখান মুর্তিপুজা কররা।

[6] হুশিয়ার রইও, মিছা মাত মাতিয়া কেউ যানু তুমরারে বে-পথে না নেয়, আল্লার নাফরমান বনিয়া যেরা ইতা বদ কাম করে, তারার উপরে আল্লার গজব লামে।

[7] তুমরা ইলাখান মানষর লগে মিশিও না,

[8] কারন তুমরা আগে আন্দারির মাজে থাকলেও অখন তো আল-মসীর উম্মত বনিয়া নুরর পথো আইছো। এরলাগি আল্লার নুরে কামিল জনে যেলা জিন্দেগি কাটানি উচিত, তুমরা অউলা চলো।

[9] আর নুরে চলার ফল অইলো, পরেজগারি, সততা, হকল নমুনার নেক কাম।

[10] এরলাগি যে কামে মালিক খুশি অইন, তুমরা যাচাই করিয়া অউ কাম করো।

[11] আন্দাইর জগতর বেফায়দা কামর লগে কুনু নমুনার সম্পর্ক রাখিও না, বরং তুমরা অতার দুষ দেখাই দেও।

[12] মানষে লুকাইয়া যেতা কাম করইন, ইতা বেয়াপারে কুন্তা মাতাও শরম।

[13] নুরর মাজদি দুষ দেখাইয়া দিলাইলে ইতা জাইরা অইযায়,

[14] কারন অউ নুরেউ হকলতা জাইর করে। এরলাগি ছিল্লেখ আছে, ও ঘুমর মানুষ, হজাগ অও, মরা থাকি জিতা অও, তেউ আল-মসীর নুরে, নুরানি করিবা তুমারে।

[15] তুমরা চিন্তা-ভাবনা করি দেখো, তুমরার চাল-চলন কিলাখান। বেআখলর লাখান না চলিয়া, আখলদারর লাখান চলো।

[16] নেক কাম করার যে সুযোগ তুমরার আতো আছে, ইতা ষোলআনা কামো লাগাও, জানো তো অখনকুর জমানা খারাপ।

[17] এরলাগিউ কইরাম, তুমরা বেআখল বনিও না, বরং মালিকর মর্জিরে বুজো।

[18] মদর নিশায় টাল অইও না, ইতায় জিন্দেগি নষ্ট করিলায়। বরং পুরাপুর পাক রুহর বশে রও,

[19] তুমরা হামদ, কাওয়ালি আর পবিত্র জবুর শরিফর গজল গাইয়া একে-অইন্যে বাতচিত করো; তুমরার দিলর ভিতরে মালিকর নামে গজল গাও।

[20] হামেশা হকল বেয়াপারে আমরার মালিক ইছা আল-মসীর নামে বেহেস্তি বাফ আল্লার শুকরিয়া আদায় করো।

[21] আল-মসীর ইজ্জত আর ডরে তুমরা একে-অইন্যরে দিল থাকি মাইন্য করো।

[22] তুমরা যেরা বউ অইছো, তুমরা যেলা মালিক ইছারে মাইন্য করো, অউ লাখান যারযির জামাইরে মাইন্য করো।

[23] কারন আল-মসী যেলা জমাতর, মানি তান শরিলর মাথা, জামাইও অলা বউর মাথা। আসলে আল-মসীউ অউ আস্তা শরিলর তরানেআলা।

[24] আর জমাত যেলা আল-মসীর জিম্মায় আছে, অউলা বউ অকলও হকল বেয়াপারে জামাইর জিম্মায় রওয়া উচিত।

[25] তুমরা যেরা জামাই অইছো, হুনো, আল-মসীয়ে যেলা জমাতরে মহব্বত করছইন, ঠিক অলাখান তুমরাও যারযির বউরে মহব্বত করিও। তাইন তো জমাতর লাগি তান নিজর জান কুরবানি দিছইন।

[26] তান খিয়াল অইলো, তাইন জমাতরে পবিত্র করার লাগি, তান কালামর মাজদি মানষরে তরিকার গোছল করাইয়া,

[27] নুরর মহিমায় নিজর ছামনে আজির করা। অউ সময় জমাতর মাজে কুনু কলংকর দাগ, খুত বা ইলা কুন্তাউ রইতো নায়, ইতা পাক-পবিত্র আর নিখুত অইবো।

[28] এরলাগি জামাইয়ে তার নিজর শরিলরে যেলা মায়া করে, ঠিক তার বউরেও অউলা মায়া করা ফরজ। নিজর বউরে মায়া করার মানি অইলো, নিজর শরিলরে মায়া করা।

[29] কেউ তো কুনু সময় তার নিজর শরিলরে ঘিন্নায় না, হকলেউ যারযির শরিলর ভরন-পোষন করে। এক্কেরে অউ লাখান, আল-মসীয়েও তান জমাতর ভরন-পোষন যুগাইন।

[30] কারন আমরা তান শরিলর অংগ।

[31] আল্লার কালামো লেখা আছে, “এরলাগিউ বেটাইন্তে মা-বাফরে ছাড়িয়া বউর লগে থাকবা, তারা দুইওজন এক শরিল অইবা।”

[32] ইখান অইলো বউত বড় বাতুনি বেয়াপার, আসলে আমি তো আল-মসী আর তান জমাতর বেয়াপারে কইরাম।

[33] যাই অউক, তুমরা হকলেউ যারযির বউরে নিজর লাখান মায়া করিও, আর বউ অকলেও যারযির জামাইরে ইজ্জত করা জরুর।

১০ নম্বর ছিপারা: আল-ইফিছিয়া — Chapters