[1] হুনো, তুমরা তো আল-মসীর লগে মরা থাকি জিন্দা অইছো, আর আল-মসী তো বেহেস্তো আল্লার ডাইনর তখতো বওয়াত আছইন, এরলাগি তুমরাও অউলা বেহেস্তি বেয়াপার লইয়া আশিক অও।
[2] দুনিয়াবি বেয়াপারে আশিক না বনিয়া, বেহেস্তি বেয়াপারে আশিক অও।
[3] তুমরা তো মারা গেছো, তুমরার জিন্দেগি আল-মসীর লগে আল্লার দরবারো লুকাইল আছে।
[4] যেইন তুমরার জিন্দেগি, হউ আল-মসী যেবলা হকলর ছামনে জাইর অইবা, অউ সময় তুমরাও তান মহিমার ভাগি অইয়া তান লগে জাইর অইবায়।
[5] এরলাগি গুনার যেতা রিপু অকল তুমরার জিন্দেগিত আছে, ইতারে একদম বিনাশ করিলাও। ইতা অইলো হক্কল নমুনার জিনা, নাপাকি, বদ খাইশ, কু-চিন্তা, আর লোভ-লালছ, ই লোভ-লালছ অইলো এক লাখান মুর্তিপুজা।
[6] যারা আল্লার নাফরমানি করে, অতার কারনেউ তারার উপরে আল্লার গজব লামিয়া আয়।
[7] তুমরাও আগে অউ লাখান নাফরমানির মাজে জিন্দেগি কাটাইতায়।
[8] অইলে অখন রাগ-গুছা, ভিতরি দুশমনি, ইংসা-নিন্দা, গালা-গালি আর খবিছি মাত-কথা তুমরার গেছ থাকি হরাইলাও।
[9] একে-অইন্যে মিছা মাতিও না, কারন তুমরার জিন্দেগির পুরান “আমি”রে তার হকল আমল সুদ্দা পুরান কাপড়র লাখান ফালাই দিছো,
[10] আর আল্লার দেওয়া নয়া “আমি”রে নয়া কাপড়র লাখান ফিন্দিছো। অউ নয়া “আমি” আরো নয়া অইয়া তার পয়দা কররা মালিকর লাখান বনের, যাতে অউ পয়দা কররারে তুমরা পুরাপুর চিনো।
[11] অউ হালতে ইহুদি কিবা ভিন জাতি, মছলমানি কাম করাইল বা না করাইল, অশিক্ষিত বর্বর, নিচা জাতি, গুলাম বা আজাদ মানষর মাজে কুনু তফাত নাই। ইতা হকলতার মাজে আল-মসীউ পরধান, হকলর মাজেউ তাইন আছইন।
[12] তে আল্লায় যারারে পছন্দ করিয়া তান নিজর লাগি আলগ করছইন, তান হউ মায়ার বন্দা হিসাবে তুমরার দিলর মায়া-মমতা, দয়া, নরম বেবহার, নরম স্বভাব আর ছবর দিয়া নিজরে হাজাও।
[13] একে-অইন্যরে সইয্য করো, কেউরর বিরুদ্ধে তুমরার কুনু নালিশ থাকলে তারে মাফ করি দেও। মালিকে যেলা তুমরারে মাফ করছইন, তুমরাও অউলা একে-অইন্যে মাফ করা জরুর।
[14] আর ইতা হক্কলতার লগে মায়া-মহব্বতদি নিজরে হাজাও। মহব্বতে তো হকলরে পুরাপুর একলগে বান্দিয়া রাখে।
[15] আল-মসীয়ে যে শান্তি দান করইন, অউ শান্তি তুমরার দিলো রইয়া তুমরারে চালাউক। এক শরিল অইয়া শান্তির মাজে রইতায় করিউ তো তুমরারে দাওত দেওয়া অইছে। তুমরা শুকুর-গুজার করাত রও।
[16] আল-মসীর কালামরে তুমরার দিলর মাজে পুরাপুর বসত করতে দেও। আল্লার দেওয়া আখল খাটাইয়া একে-অইন্যরে তালিম আর পরামিশ দেও। আল্লার শুকরিয়া আদায় করার মাজদি তান নামে হামদ, কাওয়ালি আর জবুর শরিফর গজল গাও।
[17] তুমরা মুখদি যেতা মাতো আর শরিল দিয়া যততা করো, ইতা হজরত ইছার নামে করো, তান উছিলা লইয়া গাইবি বাফ আল্লা পাকর শুকরিয়া জানাও।
[18] তুমরা যেরা বউ অইছো, তুমরা পরতেকে যারযির জামাইর হুকুম মানিয়া চলো, মালিকর বন্দা হিসাবে তো অলা চলা জরুর।
[19] তুমরা যেরা জামাই অইছো, তুমরাও যারযির বউরে মহব্বত করিও, বউর লগে কটু বেবহার করিও না।
[20] তুমরা যেরা পুয়া-পুড়ি, তুমরা হকল বেয়াপারে মা-বাফর বাইধ্য রইও, ইলা চললে মালিক খুশি অইন।
[21] আর তুমরা যেরা বাফ অইছো, তুমরা নিজর পুয়া-পুড়িন্তর মনরে তিত্বা করিও না, যাতে তারার মন না ভাংগে।
[22] তুমরা যেরা গুলাম, তুমরা হকল বেয়াপারে তুমরার জগতর মুনিব অকলর বাইধ্য রইও। তারা ছামনে রইয়া যেবলা তুমরার কাম-কাজ দেখইন, খালি অউ সময় তারারে খুশি রাখার চেষ্টা না করিয়া, বরং মালিকর ডর-খফ ভিতরে রাখিয়া খাটি দিলে তারার বাইধ্য রইও।
[23] তুমরা যেতাউ করো না কেনে, ইতা মানষর লাগি নায়, বরং মালিকরে খুশি করার নিয়তে দিলে-জানে করিও।
[24] মনো রাখিও, মালিকে তান বন্দা অকলর লাগি যেতা রাখছইন, ইতা তো পুরুস্কার হিসাবে তান গেছ থাকিউ তুমরা পাইবায়। তুমরা তো খালি হজরত ইছা আল-মসীর খেজমত কররায়।
[25] আর যে জনে নাফরমানি করে, হে তো তার কামর ফল পাইবো। মনো রাখিও, মালিকে কেউরর মুখ চাইয়া বিচার করইন না।