Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 4:41

[1] আমি তুমরারে জানাইতাম চাইরাম, আমি তো তুমরার লাগি, লাওদিকেয়া টাউনর জমাতর লাগি, আর যেরা আমারে দেখছে না তারার লাগিও কতো মেনত কররাম।

[2] আমি চাইরাম, তারার দিলো ভরসা পাইয়া মহব্বতে এক অউক। আর পুরাপুর আখলে আখলদার বনিয়া নিচ্চিত অউক। তেউ আল্লার লুকাইল বাতুনি ভেদ বুজবো, মানি আল-মসীরে তারা চিনবো।

[3] আল-মসীর মাজেউ হকল আখল-হেকমত লুকাইল আছে।

[4] আমি ইতা কইলাম, যাতে কেউ বানোয়াট মাত-কথা মাতিয়া তুমরারে বে-পথে নিতো না পারে।

[5] আমি স-শরিলে তুমরার মাজে না থাকলেও রুহর বলে ঠিকউ তুমরার মাজে আজির আছি। তুমরার ভালা চাল-চলন আর আল-মসীর উপরে মজবুত ইমান দেখিয়া আমার খুব ভালা লাগের।

[6] ইছা আল-মসীরে তুমরা মালিক হিসাবে যেলা কবুল করছো, অউ লাখান তান লগে রইয়া জিন্দেগিও কাটাও।

[7] আল-মসীর মাজে ষোলআনা ডুব দিয়া তুমরার জিন্দেগিরে গড়িয়া তুলো। তুমরা তালিম পাইয়া যে ইমান আনছো, অউ ইমানে মজবুত রও আর হামেশা আল্লা পাকর শুকরিয়া আদায় করো।

[8] তুমরা হুশিয়ার রইও, কেউ যানু তুমরারে মানষর বানাইল মনগড়া তালিমদি বান্দিয়া বে-পথে টানিয়া নিতো না পারে। আল-মসীর লগে ই তালিমর কুনু মিল নাই, ইতা তো মানষর মনগড়া রছুমত আর দুনিয়াবি নানান আচার-বেবহারর উপরে ভরসা করে।

[9] আল্লার হক্কল লাখান গুনাগুন আল-মসীর কায়ার ভিতরে আছে।

[10] এরলাগি আল-মসীর লগে শরিক অইয়া তুমরাও হকল গুনে কামিল অইছো, তান আসন তো হকল নমুনার শাসনকারি আর খেমতাআলা হক্কলতার উপরে।

[11] আল-মসীর উপরে ইমান আনায় তো তুমরারে মছলমানি কাম করাইল অইছে। অউ মছলমানি কুনু মানষর আতে করাইল অইছে না, আল-মসীয়ে নিজেউ ইতা করছইন, মানি দিলর মাজে যে বদ খাইশ আছিল, অউ বদ খাইশরে দিল থাকি কাটিয়া ফালাইছইন।

[12] তৌবার গোছলর মাজদি আল-মসীর লগে তুমরারেও মাটি দেওয়া অইছিল, আর যেইন আল-মসীরে মুর্দা থাকি জিন্দা করছইন, হউ আল্লার কুদরতি বলে ইমানর মাজদি তুমরারেও আল-মসীর লগে জিন্দা করা অইছে।

[13] তুমরার গুনা আর দিলর বদ খাইশ না হরানিয়ে মুর্দা আছলায়, অইলে আল্লায় তুমরারে আল-মসীর লগে জিন্দা করছইন। তাইন আমরার হকল গুনার মাফি দিছইন।

[14] আর আমরার বদ আমল-নমার যে দলিল আছিল, অউ দলিলরে হকল জাতর দাবি-দাওয়া সুদ্দা ফুছিয়া ফালাইছইন। লাকড়িদি বানাইল যে সলিবো ইছারে কাতল করা অইছে, অউ সলিবো ই দলিলরে পেরেগ মারিয়া বাতিল করছইন।

[15] আল-মসীয়ে বদ শাসনকারি আর খেমতাআলা হক্কলর খেমতারে বিনাশ করছইন। সলিবো তান নিজর জান কুরবানির মাজদি তারার উপরে জয়ী অইছইন আর হকলর ছামনে তারার মুখ নিচা করছইন।

[16] এরলাগিউ শিন্নি-সখাত, পুজা-ফসাদ অমাবইস্যা-পুন্নিমা, ইদ বা জুম্মাবারর নিয়ম-কানুন লইয়া তুমরারে দুষি করার এখতিয়ার কেউরর নাই।

[17] ইতা তো আছিল, ভবিষ্যতে যেতা আইবো অতার একটা নমুনা মাত্র, অইলে আসলতা তো আল-মসীর মাজেউ আছে।

[18] যেরা নিজর শরিলরে কষ্ট দেওয়া আর ফিরিস্তা অকলর এবাদত করারে জরুরি মনো করে, এরা যানু তুমরারে পুরুস্কারর পথ থাকি হরাইতো না পারে। অউ নমুনার মানষে যেতা দেখছে কইয়া খামোখা বড়াই-বেটাগিরি করে, আর অতা লইয়া বড় বড় গফ মারে, আসলে এরার অন্তর তো খালি দুনিয়াবি চিন্তায় ভরা।

[19] তারা তো মাথারে, মানি ইছা আল-মসীরে মজবুত করি ধরিয়া রাখে না, অউ মাথার খেমতায় আস্তা শরিলর আড্ডি-মাংস বল-শক্তি পাইয়া একখানো রয়, আর আল্লাই বলে বাড়ে।

[20] আল-মসীর লগে মারা গিয়া তুমরা যেবলা দুনিয়াবি হকল চাল-চলন থাকি হরিয়া আইছো, তে হিরবার কেনে দুনিয়াবি মানষর লাখান দুনিয়াবি নিয়ম-নীতির গুলাম অইরায়?

[21] হুনো, যে জিনিস বেবহার করতে করতে বরবাদ অইযায়, অউ জিনিসর বেয়াপারে অলা নিয়ম আছে, ইতা ধরিও না, ছইও না, খাইও না। ইতা তো খালি মানষর মনগড়া হুকুম আর তালিম।

[23] কেমনে এবাদত করা, নিজরে নিচা করা, কেমনে নিজর শরিলরে কষ্ট দেওয়া, অউ নিয়ম-নীতিয়ে অতা হিকায়। ই নিয়ম-নীতি দেখলে মনো অয়, ইতা খুব আখলর কাম, অইলে দিলর বদ খাইশরে দমন করার লাগি ইতার কুনু দামউ নাই।

১২ নম্বর ছিপারা: আল-কলোছিয়া — Chapters