[1] দ্বিতীয় গুটিকাপাতের দানটি উঠল নিজেদের গোত্র অনুসারে শিমিয়োন গোষ্ঠীর নামে। তাদের উত্তরাধিকার যিহূদা গোষ্ঠীর এলাকার মধ্যে ছিল।
[2] এর অন্তর্ভুক্ত নগরগুলি হল: বের-শেবা (বা শেবা), মোলাদা,
[3] হৎসর-শূয়াল, বালা, এৎসম,
[4] ইল্তোলদ, বথূল, হর্মা,
[5] সিক্লগ, বেথ-মর্কাবোৎ, হৎসর-সুসা,
[6] বেথ-লবায়োৎ ও শারূহন—তেরোটি নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি;
[7] ওন, রিম্মোণ, এথর ও আশন—চারটি নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি—
[8] এবং বালৎ-বের (অর্থাৎ নেগেভের রামা) পর্যন্ত এসব নগরের চারপাশের সমস্ত গ্রাম। এই ছিল গোত্র অনুযায়ী শিমিয়োন গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার।
[9] শিমিয়োনীয়দের উত্তরাধিকার যিহূদার অংশ থেকে নেওয়া হল, কারণ যিহূদার অংশ তাদের প্রয়োজনের চেয়েও বেশি ছিল। সেই কারণে, শিমিয়োনীয়েরা তাদের উত্তরাধিকার যিহূদার এলাকাতেই পেল।
[10] তৃতীয় গুটিকাপাতের দানটি উঠল নিজেদের গোত্র অনুসারে সবূলূন গোষ্ঠীর নামে: তাদের উত্তরাধিকারের সীমারেখা সারিদ পর্যন্ত গেল।
[11] পশ্চিমদিকে গিয়ে তা মারালায়, পরে দব্বেশৎকে ছুঁয়ে যক্নিয়ামের কাছে গিরিখাত পর্যন্ত বিস্তৃত হল।
[12] সারিদ থেকে তা পূর্বদিকে ফিরে সূর্যোদয়ের দিকে কিশ্লোৎ-তাবোরের এলাকা পর্যন্ত গেল ও সেখান থেকে দাবরৎ ও যাফিয়া পর্যন্ত উঠে গেল।
[13] পরে তা ক্রমাগতভাবে গাৎ-হেফর ও এৎ-কাৎসীন পর্যন্ত গেল; তা রিম্মোণের কাছে বের হয়ে নেয়ের অভিমুখে গেল।
[14] সেখান থেকে সীমারেখা হন্নাথনের উত্তর দিকে ঘুরল এবং যিপ্তহেল উপত্যকায় গিয়ে শেষ হল।
[15] এর আরও অন্তর্ভুক্ত ছিল কটৎ, নহলাল, শিম্রোণ, যিদালা ও বেথলেহেম। বারোটি নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলিও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
[16] গ্রামগুলিসহ এসব নগর ছিল গোত্র অনুযায়ী সবূলূন গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার।
[17] চতুর্থ গুটিকাপাতের দানটি উঠল নিজেদের গোত্র অনুসারে ইষাখর গোষ্ঠীর নামে।
[18] তাদের এলাকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল: যিষ্রিয়েল, কসুল্লোৎ, শূনেম,
[19] হফারয়িম, শীয়োন, অনহরৎ,
[20] রব্বিৎ, কিশিয়োন, এবস,
[21] রেমৎ, ঐন-গন্নীম, ঐন-হদ্দা ও বেথ-পৎসেস।
[22] এর সীমারেখা তাবোর, শহৎসূমা ও বেত-শেমশ স্পর্শ করল এবং জর্ডন নদীতে গিয়ে শেষ হল। সেখানে ছিল মোট ষোলোটি নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি।
[23] এই নগরগুলি ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি ছিল গোত্র অনুযায়ী ইষাখর গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার।
[24] পঞ্চম গুটিকাপাতের দানটি উঠল নিজেদের গোত্র অনুসারে আশের গোষ্ঠীর নামে।
[25] তাদের এলাকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল: হিল্কৎ, হালি, বেতন, অক্ষফ,
[26] অলম্মেলক, অমাদ ও মিশাল। পশ্চিমদিকে সেই সীমারেখা কর্মিল ও শীহোর-লিবনাৎ স্পর্শ করল।
[27] পরে তা পূর্বদিকে বেথ-দাগোনের দিকে গেল, সবূলূন ও যিপ্তহেল উপত্যকা স্পর্শ করে বাঁদিকে কাবুলকে রেখে, উত্তর দিকে বেথ-এমক ও ন্যীয়েল পর্যন্ত গেল।
[28] তা গেল অব্দোন, রহব, হম্মোন ও কানা-য়, সেই মহাসীদোন পর্যন্ত।
[29] সেই সীমারেখা পরে রামার দিকে ফিরে গেল ও সোরের প্রাচীর-ঘেরা সুরক্ষিত নগরের দিকে গেল, পরে হোষার দিকে ঘুরে অক্ষীব
[30] উম্মা, অফেক ও রাহব অঞ্চল পার হয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ল। এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বাইশটি নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি।
[31] এসব নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি ছিল গোত্র অনুযায়ী আশের গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার।
[32] ষষ্ঠ গুটিকাপাতের দানটি উঠল নিজেদের গোত্র অনুসারে নপ্তালি গোষ্ঠীর নামে:
[33] তাদের সীমারেখা হেলফ থেকে সানন্নীমের বিশাল গাছ থেকে শুরু হয়ে অদামীনেকব ও যব্নিয়েল পার হয়ে লক্কূমে গেল ও জর্ডন নদীতে শেষ হল।
[34] সেই সীমা অস্নোৎ-তাবোর হয়ে পশ্চিমদিকে হুক্কোক পর্যন্ত গেল। দক্ষিণে তা সবূলূনের সীমা, পশ্চিমে আশেরের সীমা ও পূর্বদিকে জর্ডন নদীর কাছে যিহূদার সীমা স্পর্শ করল।
[35] আর প্রাচীরবেষ্টিত সুরক্ষিত নগরগুলি ছিল সিদ্দীম, সের, হম্মৎ, রাক্কৎ, কিন্নেরৎ,
[36] অদামা, রামা, হাৎসোর,
[37] কেদশ, ইদ্রিয়ী, ঐন-হাৎসোর,
[38] যিরোণ, মিগ্দল-এল, হোরেম, বেথ-অনাৎ ও বেত-শেমশ। উনিশটি নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি এই এলাকায় ছিল।
[39] এসব নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি, গোত্র অনুযায়ী ছিল নপ্তালি গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার।
[40] সপ্তম গুটিকাপাতের দানটি উঠল গোত্র অনুসারে দান গোষ্ঠীর নামে।
[41] তাদের উত্তরাধিকারে অন্তর্ভুক্ত ছিল এসব নগর: সরা, ইষ্টায়োল, ঈর-শেমশ,
[42] শালাব্বিন, অয়ালোন, যিৎলা,
[43] এলোন, তিম্না, ইক্রোণ,
[44] ইল্তকী, গিব্বথোন, বালৎ,
[45] যিহূদ, বেনে-বরক, গাৎ-রিম্মোণ,
[46] মেয়র্কোণ ও রক্কোন এবং জোপ্পার সম্মুখবর্তী এলাকা।
[47] (দান গোষ্ঠীর এলাকা যখন দখল হয়ে গেল তখন তারা উঠে গিয়ে লেশম আক্রমণ করল। তা দখল করে সেখানকার অধিবাসীদের তারা তরোয়ালের আঘাতে হত্যা করল। তারা লেশমে বসতি স্থাপন করল এবং তাদের পূর্বপুরুষের নাম অনুযায়ী নগরটির নাম দান রাখল)
[48] এসব নগর ও তাদের সন্নিহিত গ্রামগুলি ছিল গোত্র অনুযায়ী দান গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার।
[49] যখন নির্দিষ্ট বণ্টন-প্রক্রিয়া দ্বারা তাঁরা দেশ বিভাগ সম্পূর্ণ করলেন, ইস্রায়েলীরা নূনের ছেলে যিহোশূয়কেও তাদের মধ্যে একটি অংশ উত্তরাধিকাররূপে দিল,
[50] যেমন সদাপ্রভু আজ্ঞা দিয়েছিলেন। ইফ্রয়িমের পার্বত্য প্রদেশে তিনি তিম্নৎ-সেরহ নগরটি চাইলে, তারা তাঁকে তা দিল। তিনি সেই নগরটি নির্মাণ করে সেখানে বসবাস করতে লাগলেন।
[51] এই সমস্ত এলাকা, যাজক ইলীয়াসর, নূনের ছেলে যিহোশূয় ও ইস্রায়েল-সন্তানদের বংশসমূহের গোষ্ঠী প্রধানেরা শীলোতে, সদাপ্রভুর উপস্থিতিতে সমাগম তাঁবুর প্রবেশদ্বারে গুটিকাপাতের মাধ্যমে বিভাগ করে দিলেন। এইভাবে তাঁরা দেশ-বিভাগের কাজটি সম্পন্ন করলেন।